এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > ঠাকুরবাড়ির বড়মার জন্মশতবার্ষিকী পালনেও তৃণমূলের ‘কারচুপি’? ‘প্রমান’ দিলেন নাতি!

ঠাকুরবাড়ির বড়মার জন্মশতবার্ষিকী পালনেও তৃণমূলের ‘কারচুপি’? ‘প্রমান’ দিলেন নাতি!

তাঁকে তিনি নিজের মায়ের মতই শ্রদ্ধা করেন। আর তাঁর জন্মদিনে কোনো খামতি থাকবে এমনটা ভাবতেই পারেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।তিনি আর কেউ না তিনি মতুয়াদের ‘বড়মা’ বীণাপাণি দেবী।তাঁর একশোতম জন্মদিন বলে কথা! সাজো সাজো বর উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ঠাকুরনগরে। আর সেই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ঠাকুরনগরে সভা করবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু, যাঁর জন্মদিন উপলক্ষে এত অয়োজন, তাঁর বয়স একশো ছুঁতে এখনও দু’বছর বাকি!এদিন এমনই বোমা ফাটালেন বড়মা-র নাতি শান্তুনু ঠাকুর। তিনি শুধু মুখে বলেই ক্ষান্ত হননি মহকুমা শাসকের শংসাপত্র ও বড়মা-র ভোটার কার্ডও দেখিয়েছেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছেলে শান্তনু ঠাকুর।

উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ঠাকুরনগর মতুয়া মহাসংঘের সদর দপ্তর।সেই জেলায় মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। গাইঘাটার ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে বরাবরই সুসম্পর্ক তৃণমূল কংগ্রেসে। এমনকি রাজ্যের পালাবদলের পর, বিনাপানি দেবীর ছোট ছেলে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর মন্ত্রী হয়েছিলেন।

যদিও পরে অবশ্য মন্ত্রিত্ব ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। অন্যদিকে গত লোকসভা ভোটে শাসকদলের টিকিটে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন বীণাপাণি দেবীর বড় ছেলে কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর। তিন।তাঁর মৃত্যুর পর সেই আসনে উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়ে বর্তমান সাংসদ তাঁর স্ত্রী মমতাবালা ঠাকুর।

সম্প্রতি মতুয়াদের উন্নয়নের জন্য মতুয়া উন্নয়ন পর্ষদও তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি দলীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার শততম জন্মদিনে বড়মা বীণাপাণি দেবীকে শুভেচ্ছা জানাতে গাইঘাটায় আসবেন তিনি, জনসভাও করবেন। কিন্তু বড়মার বয়স কি আদৌও একশো বছর?এমনই প্রশ্ন তুলে দিলেন নাতি শান্তনু। মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছেলে শান্তুনু।

কিন্তু, কী বলেছেন তিনি? রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর ছেলে শান্তুনুর দাবি,” বীণাপাণি দেবীর জন্ম ১৯২০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। সেই হিসেবে বর্তমানে তাঁর বয়স আটানব্বই।” শুধু তাই নয়, নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মহকুমা শাসকের শংসাপত্র ও ঠাকুমার ভোটার আইডি কার্ডও দেখিয়েছেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছেলে শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, “লোকসভা ভোটে মতুয়া সম্প্রদায় কে রাজনৈতিক চমক দিতেই দু’বছর আগে বড়মা-র শতবর্ষ পালন করছেন শাসকদল।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

যদিও শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও শাসকদলের নেতা ধ্যানেশ গুহের পালটা দাবি, “মহকুমা শাসক কখনই বয়সের শংসাপত্র দিতে পারেন না। এসব নথি দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।”লোকসভা ভোটের আগে বড়মার জন্মদিন নিয়ে বিভ্রান্তি কতটা প্রভাব ফেলবে মত সম্প্রদায়ের উপর এখন তাই দেখার।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!