এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > ঠাকুরবাড়িতে বিজেপিকে পুলিশি মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে বড়সড় নতুন অস্বস্তিতে শাসক দল – জানুন বিস্তারিত

ঠাকুরবাড়িতে বিজেপিকে পুলিশি মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে বড়সড় নতুন অস্বস্তিতে শাসক দল – জানুন বিস্তারিত

বড়মা বীণাপাণি দেবীর সই আসল নাকি নকল! এবার তা নিয়ে দিনকে দিন উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে উত্তর 24 পরগনার ঠাকুরবাড়ি। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে এখন রাজ্যের শাসক দল বনাম বিরোধী দলের মধ্যে এই বড়মা বীণাপাণি দেবীকে নিয়ে চলছে তীব্র দড়ি টানাটানি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত সোমবারই ঠাকুরনগরে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে ঠাকুর পরিবারেরই অন্যতম সদস্য শান্তনু ঠাকুর বলেন, “কেন্দ্রের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে যাতে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করে সেইজন্য বড়মা একটি চিঠি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়েছেন।”

আর শান্তনু ঠাকুর এহেন কথা বললেও পাল্টা এই ব্যাপারে মুখ খুলে ঠাকুর পরিবারের আরেক সদস্য তথা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মমতা বালা ঠাকুর চিঠিতে বড়মার সই জাল করা হয়েছে বলে পুলিশের দ্বারস্থ হন।

এরপর মঙ্গলবারই গাইঘাটা থানায় গিয়ে এই ব্যাপারে ঠাকুরবাড়ির মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর ও তাঁর ছেলে শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে বড়মা বীণাপাণি দেবীর সই জাল করার জন্য একটি এফআইআর দায়ের করেন মমতা বালা ঠাকুর। আর এই ঘটনায় যখন তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে সেই ঠাকুর পরিবারে, ঠিক তখনই পুলিশ দিয়ে সেই মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর ও শান্তনু ঠাকুরকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

জানা গেছে, তদন্তের জন্য মঙ্গলবারই সেই শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে একটি নোটিশ পাঠানো হয় গাইঘাটা থানার পুলিশের তরফে। আর এইভাবে শান্তনু ঠাকুর এবং তাঁর বাবা মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের বাড়িতে পুলিশ যাওয়ায় বুধবার বিকেলে গাইঘাটা থানার সামনে একটি অবস্থান করলেন মতুয়ারা।

এমনকি সেখানেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পুলিশি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়। আর এই ঘটনাকে নিয়েই এখন সরগরম সেই ঠাকুরনগর। এদিন এই প্রসঙ্গে ঠাকুর পরিবারের সেই শান্তনু ঠাকুর বলেন, “রাতে পুলিশ আমাদের বাড়িতে গিয়ে বলে গেছে যে, 15 ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেখা করতে। আসলে এগুলি সবই তৃণমূলের চক্রান্ত। ওরা আগেও আমাদের হেনস্থা করেছে, আর এবারও মিথ্যা অভিযোগ তুলে হেনস্থা করতে চাইছে।”

অন্যদিকে শান্তনু ঠাকুরের এহেন অভিযোগের পাল্টা মুখ খুলে উত্তর 24 পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “শান্তনু বিজেপি এজেন্ট হয়ে কাজ করছে। শেষ পর্যন্ত ঠাকুরবাড়ির সম্মানকে নষ্ট করে বড়মার সই পর্যন্ত ওরা জাল করল। পুলিশ আইন অনুযায়ীই তদন্ত করছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনো যোগ নেই।”

সব মিলিয়ে এবার বড়মা বীণাপাণি দেবীর সই আদৌ জাল হয়েছে কিনা তা নিয়ে যখন শাসক বনাম বিরোধী মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পুলিশি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে অবস্থানে বসলেন মতুয়ারা।

Top
error: Content is protected !!