এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > টেট পরীক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগ না করলে জেলে যেতে হবে! বিস্ফোরক বিচারপতি

টেট পরীক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগ না করলে জেলে যেতে হবে! বিস্ফোরক বিচারপতি

Priyo Bandhu Media

টেট নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিচারপতি। জানা গেছে, ভুল প্রশ্নের জেরে যেসব টেট পরীক্ষার্থীদের তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ করতে বলা হয়েছিল, তাদের প্রায় এক বছরেও চাকরি দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, আদালত অবমাননার মামলায় বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান রত্না চক্রবর্তীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনাদের জেলে পাঠানোর জন্য বাধ্য করাবেন না। যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে পালন করে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করুন।”

বস্তুত,পর্ষদ আদালতের নির্দেশ অনুসারে কমবেশি ১৭৫ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যা আদালতে পেশও করা হয়েছে। এদিন এই প্রসঙ্গে মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য ও বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের সর্বাগ্রে নিয়োগ করতে হবে। এই মামলার সূত্র ধরে অন্তত ৫০০ জনের চাকরি পাওয়া উচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার প্রশ্নে গুরুতর ভুল থাকলেও যদিও ওই পরীক্ষা সূত্রে পরবর্তীকালে রাজ্যে অন্তত ৪১ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আদালতের নির্দেশে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশ্নপত্র যাচাই করে জানায়, সাতটি প্রশ্ন বা প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরে পূর্ণ অথবা আংশিক ভুল ছিল। তবে যে প্রশ্নের সবটাই ভুল, তার জন্য মামলাকারীরা নম্বর পাবেন। যে প্রশ্নে বা তার সম্ভাব্য উত্তরে আংশিক ভুল ছিল, সেখানে যে মামলাকারীরা উত্তর দিয়েছেন, তাঁরাও নম্বর পাবেন। তার ভিত্তিতে মামলাকারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া পর্ষদকে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর জন্য শিক্ষক নিয়োগের স্বার্থে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু ৩০ লক্ষ ছেলেমেয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন। তবে ১৫০ নম্বরের সেই পরীক্ষার পর অভিযোগ ওঠে, যে অন্তত ১১টি প্রশ্ন ও তার সঙ্গে থাকা মডেল প্রশ্নের উত্তর ঠিক নেই। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ১০টি প্রশ্ন সম্পর্কে বিশ্বভারতীর রিপোর্ট আদালতে পেশ হয়। জানা যায়, সাতটি প্রশ্নের উত্তরে ভুল ছিল। কিন্তু নির্দেশ দিয়ে আদালত বলেছিল, যদি অন্যান্য যোগ্যতা ঠিক থাকে, তাহলে এই মামলাকারীদেরও নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য বিবেচনা করতে হবে। তবে নির্দেশ পালিত না হওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা রুজু হতে এদিন কঠোর অবস্থান নিয়েছে আদালত।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!