এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরনো নিয়ম দেখিয়ে এখনও শিক্ষকদের শাস্তির প্রক্রিয়া চলায় ক্ষোভ বাড়ছে শিক্ষকমহলে

পুরনো নিয়ম দেখিয়ে এখনও শিক্ষকদের শাস্তির প্রক্রিয়া চলায় ক্ষোভ বাড়ছে শিক্ষকমহলে

মার্চ মাসে আইন বদলে গেলেও ফের সেই পুরনো নিয়মকে মান্যতা দিয়ে এবার শিক্ষকদের শাস্তির সুপারিশ সংক্রান্ত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের উত্তরবঙ্গ অফিসের একটি বিজ্ঞপ্তি নিয়ে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ানো শিক্ষা মহলে।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের উত্তরবঙ্গ অফিসের সহ-সচিব বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি গিয়ে জানিয়েছেন যে, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যে সমস্ত শিক্ষক সহযোগিতা করেননি অর্থাৎ খাতা দেখা বা পরীক্ষকের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছেন, তাদের একটি বা তিনটি ইনক্রিমেন্ট এবং বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বন্ধ করা উচিত।

পাশাপাশি এই ব্যাপারে বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতি বা প্রশাসককে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে 15 দিনের মধ্যে জানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এইখানেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। জানা গেছে, 2000 সালের নিয়মে এই ব্যাপারে পরিচালন সমিতি বা প্রশাসকের হাতে এই ক্ষমতা থাকলেও চলতি বছরের মার্চে সংশোধিত আইন অনুযায়ী সেই ক্ষমতা পরিচালন সমিতির হাত থেকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের হাতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফলে নতুন আইন হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও কেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের উত্তরবঙ্গ অফিস থেকে এহেন চিঠি স্কুল গুলিতে দেওয়া হলো তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি এই আইন যে বদলে গেছে তার কিছুই জানে না উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ!

নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে? এদিন এই প্রসঙ্গে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাসকে ফোন করা হলেও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে কলেজিয়াম অব এএইচএময়ের সম্পাদক সৌদীপ্ত দাস বলেন, এটা অদ্ভুত ব্যাপার যে সংসদের তরফ থেকে এ রকম বিভ্রান্তিকর চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে সঠিক পদক্ষেপ নিতে অনেক দেরি হয়ে যাবে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

কিন্তু রাজ্যের অনেক গ্রামাঞ্চল বা দূরবর্তী শহরগুলির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালন সমিতির সদস্যরা এই আইন বদলানোর কথা না জানলেও কেন খোদ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সেই আইন সংশোধনীর ব্যাপারটি জেনেও এই রকম ভুল করলেন তা নিয়েই এখন হতবাক গোটা শিক্ষাজগৎ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!