এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > একশ্রেণীর আধিকারিকের উদাসীনতায় প্রাপ্য ইনক্রিমেন্ট এখনো পেলেন না শিক্ষকদের বড় অংশ – বাড়ছে ক্ষোভ

একশ্রেণীর আধিকারিকের উদাসীনতায় প্রাপ্য ইনক্রিমেন্ট এখনো পেলেন না শিক্ষকদের বড় অংশ – বাড়ছে ক্ষোভ

ইনক্রিমেন্ট বাবদ বকেয়া টাকা মিলল না এখনো। এমনটাই অভিযোগ বিভিন্ন জেলার নন-বিএড শিক্ষকদের। সরকার টাকা মিটিয়ে দিতে চাইলেও স্কুল এবং জেলা পরিদর্শক অফিসের গা ঢিলেমি মনোভাবের জন্যেও আটকে আছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রাপ্য বকেয়া টাকা। এমনটাই দাবী বিকাশ ভবন কর্তাদের।

অক্টোবরের মধ্যে এই সংক্রান্ত তথ্য বিকাশ ভবনে জমা পড়ার কথা ছিল। কিন্তু বছর শেষ হতো গেল তবুও বকেয়া মেটানোর তথ্য এখনো এসে পৌছালো না আধিকারিকদের কাছে,এমনটাই অভিযোগ। এদিন প্রাপ্য টাকা না পাওয়ায় রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন নন-বিএড শিক্ষকরা।

এ প্রসঙ্গে বিটিইএ-র নেতা স্বপন মন্ডল বলেন, দীর্ঘদিন আগে প্রশাসন নির্দেশ দিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও শিক্ষকদের বকেয়া এখনো মেটানো হল না। এই প্রেক্ষিতে যদি বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা আন্দোলনের পথে নামার এবং ডিআই অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সম্ভাবনা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বিকাশ ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি একটি বৈঠকে ডিআইদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল অবিলম্বে বিভিন্ন বকেয়া ছেড়ে দেওয়ার জন্যে। তবে ইনক্রিমেন্ট যার যা প্রাপ্য ছিল তা ডি আই অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। আটকে আছে কেবল বকেয়াটা টাকা। এই একই প্রসঙ্গে ডিআই অফিসে ফোন করা হলে ইনক্রিমেন্ট কারোর বাকি নেই বলেই জানান এক আধিকারিক।

আরো জানান,বর্তমান শিক্ষাবর্ষে যাদের ইনক্রিমেন্ট হতো,শুধুমাত্র বিএড না থাকার কারণে হয়নি তাদের বকেয়াও মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ এই বিষয়টি ডিআই অফিসের হাতেই থাকে। তবে দু’বছর পর্যন্ত প্রাপ্য টাকা টাকা বাকি থেকে গেলে সেটি তখন ডিরেক্টর তব স্কুল এডুকেশনে পাঠাতে হয়। এবং সেটা যদি ৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে বাকি থাকে, তখন স্কুলশিক্ষা দপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন হয় বিষয়টি মেটানোর জন্যে। এই সংক্রান্ত হিসাবগুলোই চলছে এই মুহূর্তে। শুধু ‘নন-বিএড এরিয়ার’ নয়,যে কোনো বকেয়ার টাকাই ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হবে বলেই জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৬-২০০৯ সালের মধ্যে যেসব নন-বিএড মাধ্যমিক শিক্ষকরা স্কুলে জয়েন করেছিলেন তাঁদের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ছাড় দিয়েছিল রাজ্যসরকার। ইনক্রিমেন্ট পেতে হয় চাকরি পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে বিএড করে ফেলতে হবে। কিন্তু ওইসময় নানান আইনি জটিলতার কারণে বি এড কোর্স বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। বি এড কলেজের সংখ্যাও অনেক কম ছিল তখন। ২০১৫ সালের মধ্যে যাঁদের ইনক্রিমেন্ট প্রাপ্য হচ্ছে, কিন্তু বি এড না থাকার কারণে পাননি সেগুলোতেও ছাড় দেন রাজ্যসরকার।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সেসময় বলেছিলেন, এরফলে উপকৃত হবেন রাজ্যের ১০-১২ হাজার শিক্ষক। তবে এখন এই সংখ্যাটা আরো অনেক বেশি হবে,এমনটাই দাবী বিকাশভবন কর্তাদের। লোকসভা ভোটের আগে শিক্ষকদের একাংশের ক্ষোভ দমন করার জন্যে ইনক্রিমেন্টের বকেয়া টাকা মেটানো একান্তই জরুরি। তাহলে রাজ্যসরকারের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের। আর এর সুফল দেখা যাবে শাসকদলের ভোটব্যাঙ্কে। এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞমহল। সরকার দ্রুতই এই টাকা মিটিয়ে দেবে,এমনটাই খবর বিকাশ ভবন সূত্রের।

Top
Close
error: Content is protected !!