এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বদলি নিয়েও নতুন নিয়মের গেরোয় মাথায় হাত শিক্ষকদের,জেনে নিন বিস্তারিত

বদলি নিয়েও নতুন নিয়মের গেরোয় মাথায় হাত শিক্ষকদের,জেনে নিন বিস্তারিত

কদিন আগেই রাজ্যের শিক্ষাদপ্তর মারফত হাতে বদলির অর্ডার পেয়েছেন অনেক শিক্ষক। কিন্তু সেই বাড়ির কাছাকাছি স্কুলে যোগ দিতেও এবার তাদের প্রবল বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, এর একটি কারন পর্যাপ্ত  শূন্যপদ না থাকা আর দ্বিতীয় কারনটি হল 2017 সালের কেন্দ্রের নতুন নিয়োগবিধি। কিন্তু কি আছে এই নিয়োগবিধিতে? যেখানে বদলি হয়েও হতে পারছেন না শিক্ষক শিক্ষিকারা!

জানা গেছে,আগে মাধ্যমিক,উচ্চপ্রাথমিকে ,পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট পদ থাকলেও এই নিয়োগবিধি মোতাবেক মাধ্যমিক বা উচ্চপ্রাথমিকে সব পদই গ্র্যাজুয়েট টিচারের হবে। ফলে আগে পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট টিচারের মত বেতন পেলেও এন বদলি হয়ে তাঁরা যদি জুনিয়র হাইস্কুলে বদলি নিতে চান তবে নিয়ম বাধা হয়ে দাড়াবেই। তবে তাও যদি কোনো শিক্ষক বা শিক্ষিকা কাজ করতে চান তাহলে তাঁদেরকে সেই গ্র্যাজুয়েট টিচার হিসেবেই থাকতে হবে। যার ফলে বেতন অনেকটাই কাটা যাওয়ার আশঙ্কায় এখন কেউই সেই পথ মারাচ্ছেন না।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

জানা গেছে, 2017 এই নিয়মানুযায়ী উচ্চমাধ্যমিকে কোনোও গ্র্যাজুয়েট টিচারের পোষ্ট তৈরি করা যাবে না।  শিক্ষাদপ্তর সূত্রের খবর, রাজ্যে উচ্চমাধ্যমিকের তুলনায় মাধ্যমিকে স্কুলের সংখ্যা বেশি হলে সেখানে শূন্যপদও বেশি রয়েছে। এদিকে উচ্চমাধ্যমিকে কোনো শূন্যপদ না থাকায় পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট টিচাররা আশঙ্কায় ভুগছেন। অনেকে সেই আশঙ্কায় জল ঢেলে একটি উপায়ের কথা বললেও তাতে সমস্যা রয়েছে অনেকটাই। মাধ্যমিকে শূন্যপদে কিছুটা পরিবর্তন করে সেটিকে পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট টিচারে পরিনত করা হলেও সেখানেও বাধা রয়েছে। কারন, কন্ট্রোল অব এক্সপেন্ডিচার অ্যাক্ট অনুসারে স্কুলের শিক্ষকের অর্ধেকের বেশি এই পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট পোষ্ট রাখা যাবে না। এখানেই অনেকে এই নতুন পদটিকে নর্মাল সেকশন করার দাবি তুলেছে।

তবে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য সেই শিক্ষক শিক্ষিকারা পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট স্কেলেই বেতন পাবেন। আর পুরোনো টিজিটি পদটি থাকায় সরকারের ব্যায়ভারও কমবে। এখানেই শেষ নয়, অনেকে এও দাবি করছেন কিছু পদ এই বদলির জন্য সংরক্ষিত করা হোক। এদিকে শহর কোলকাতাতে আনুমানিক 200 টির মত বদলির আবেদন জমা পড়ায় বেশ চিন্তিত অনেকেই। এদিন এ প্রসঙ্গে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সহ সাধারন সম্পাদক স্বপন মন্ডল বলেন, “এই বিষয়টি অবিলম্বে শিক্ষাদপ্তরকে ভেবে দেখতে হবে। নাহলে বৈধব্যের শিকার এই শিক্ষক শিক্ষিকাদের জন্য যে বদলির সুযোগ চালু হয়েছিল তাঁরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।”  সব মিলিয়ে বদলির ফলে নতুন পদে যোগ দিয়েও এত কম বেতনে মাথায় হাত শিক্ষক শিক্ষিকাদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!