এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ‘সঠিক’ করতে শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ‘সঠিক’ করতে শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

দীর্ঘদিন ধরেই এই ব্যাপারে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। এবারে আর থেমে থাকা নয়, তাই ছাত্র-শিক্ষক সমতা আনতে উদ্যোগী হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় এক সময় প্রায় 4 হাজার 800 টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল । কিন্তু ঝাড়গ্রাম আলাদা জেলা হিসেবে ভাগ হয়ে যাওয়ার পরই সেই সংখ্যা অনেকটাই কমে দাঁড়ায়। 4800 থেকে সেই সংখ্যাটা নেমে আসে প্রায় 3000 এর কাছাকাছি।

এমনকি শিক্ষক-ছাত্র অনুপাতেও দেখা যায় বিস্তর ফারাক। নিয়মানুযায়ী, আগে 40 জন ছাত্র প্রতি একজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও এখন 30 জন শিক্ষার্থী প্রতি একজন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এমন অনেক স্কুল রয়েছে যেখানে পড়ুয়া থাকলেও শিক্ষক এর ঘাটতি প্রবল পরিমাণে ভোগাচ্ছে। ফলে কার্যত সিকেয় উঠছে পঠনপাঠন। এমনকি কোথাও কোথাও সহকারি শিক্ষক না থাকায় একার পক্ষে স্কুল চালানোর কার্যত অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে।

সূত্রের খবর, বর্তমানে এই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাযর সিংহভাগ স্কুলেই পড়ুয়ার সংখ্যা কুড়ি থেকে পঁচিশ জন। আর সেখানে প্রয়োজনের তুলনায় রয়েছে অনেক বেশি শিক্ষক। আবার অপর দিকে কিছু স্কুলে 100 থেকে 150 জন শিক্ষার্থী থাকলেও সেখানে শিক্ষক রয়েছে এক থেকে দুই জন। ফলে একখানে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তো আবার কোনোখানে প্রয়োজনের তুলনায় কম এই ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের ক্ষেত্রে ভিন্নতা থাকায় প্রবল সমস্যায় পড়েছে জেলা শিক্ষা দপ্তর।

আর তাই এবারে সেই ছাত্র শিক্ষক সমতা আনতে জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকদের বদলি করার সিদ্ধান্ত নিলো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ। জানা গেছে, বর্তমানে এই বিষয়ে একটি সার্ভে রিপোর্ট তৈরি করছে দপ্তর। আর সেই রিপোর্ট তৈরি হলেই স্কুল এবং শিক্ষকের তালিকা বিকাশ ভবনে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এ প্রসঙ্গে সংসদের চেয়ারম্যান নারায়ন সাঁতরা বলেন, “সার্ভে রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই কোন স্কুলে কত শিক্ষক প্রয়োজন এবং কোথায় অতিরিক্ত শিক্ষক আছেন তা দেখে নিয়েই এই ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের সমতা আনা হবে।”

Top
error: Content is protected !!