এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "vote"

আজ থেকে শুরু বাংলা বিজেপির তৃণমূলে স্তরের সাংগঠনিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, সাজো সাজো রব কর্মীদের

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ভালো সাফল্য পাওয়ার পর এবার 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে তারা। দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করতে এখন তাদের নজড় বুথস্তরের দিকে। আর এমতাবস্থায় বুধবার থেকেই পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিজেপির বুথ সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। জানা গেছে, এই জেলায় মোট 2444 টি বুথের সভাপতি নির্বাচনে

সঠিক সময়ে পুরভোট হচ্ছে ধরে নিয়ে এখন থেকেই আসরে বিজেপি, থাকছে একাধিক “মাস্টারস্ট্রোক”

মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে রাজ্যের একাধিক পৌরসভার। সেই সমস্ত জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসক এবং সরকার মনোনীত প্যানেল প্রশাসনিক কাজকর্ম দেখাশোনা করছেন। রাজ্যে স্থগিত থাকা পৌরসভা ভোট নিয়ে একাধিকবার প্রশ্নের মুখে দাঁড়াতে হয় শাসক দলকে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনেকেই দাবি করেন, লোকসভা ভোটে আশানুরূপ ফল না করতে পেরে এবং শাসকদলের কমতে থাকা

ভোটের আগেই ভোট! পুর ও বিধানসভার আগে শিলিগুড়িতে এই ভোট নিয়ে উদ্দীপনা তুঙ্গে

যেকোনো নির্বাচনেই প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যে বাড়তি তৎপরতা থাকে। তবে পুরসভা, বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনের আগে অ্যাসিড টেস্ট হিসেবে ধরে নেওয়া হয় সমবায় নির্বাচন বা বার অ্যাসোসিয়েশনের মত নির্বাচনগুলিকে। বর্তমানে যেখানে লোকসভা নির্বাচনের পরে রাজ্যে অনেকটা অংশই গেরুয়াময় হয়ে গিয়েছে, সেখানে পৌরসভা বা বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক

তৃণমূলের সাধের সংখ্যালঘু ভোটেও এবার ‘থাবা’ বসিয়ে রাজ্য-রাজনীতি আরও জমিয়ে দিল গেরুয়া শিবির

"রাজ্যে বিজেপি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি সৃষ্টি করছে। হিন্দুত্বের ধ্বজা ধরে মুসলমানদের সর্বনাশ করতে চাইছে তারা" বলে মাঝেমধ্যেই গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা যায় রাজ্যের তৃণমূল নেতাদের। সংখ্যালঘু সমাজের অনেকটা সমর্থন এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কিছুটা হলেও মুখ রক্ষা করেছে। তবে হিন্দু ভোটের বেশিরভাগটাই বিজেপির দিকে চলে যাওয়ায় দুই থেকে বেড়ে

ফিরে এল স্টাফ সিলেকশন কমিশন, এবার কি রাজ্যে হবে কর্মসংস্থান? প্রশ্ন বেকার যুবক-যুবতীদের

প্রতিক্ষার অবসান। অবশেষে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ‘দি ওয়েস্টবেঙ্গল স্টাফ সিলেকশন কমিশ বিল, ২০১৯’। এই বিল পাশ হওয়ার ফলে পুনরুজ্জীবন হল দি ওয়েস্টবেঙ্গল স্টাফ সিলেকশন কমিশন অ্যাক্ট’২০১১। ইতিমধ্যেই সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, বিরাট সংখ্যক নন-পাবলিক সার্ভিস কমিশন পদগুলি দ্রুত পূরণ করার জন্য এই স্টাফ সিলেকশন কমিশনের মতো সংস্থার

সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে দল ছাড়লো তৃণমূলের ইউনিটের সমস্ত সদস্য, জোর চাঞ্চল্য জঙ্গলমহলে

কার্তিক গুহ,ঝাড়গ্রাম : সাঁকরাইল অনিল বিশ্বাস স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের টিএমসিপি ইউনিটের সমস্ত সদস্য পদত্যাগ করলেন। তারা টিএমসিপি ছেড়ে দিলেন। টিএমসিপির ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি সত্যরঞ্জন বারিককে লিখিতভাবে তারা জানিয়ে দিয়েছেন, নেতৃত্বের কাছ থেকে কোনো রকম সহযোগিতা না পেয়ে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েক মাস ধরেই ঝাড়গ্রাম জেলার কলেজগুলিতে গেরুয়া ছাত্র সংগঠন এবিভিপি এবং

ভয়মুক্ত ভোট রাজ্যবাসীকে উপহার দিতে এখন থেকেই কাজে লেগে পড়লেন নতুন রাজ্যপাল

বাংলার সাথে ভোটে সন্ত্রাস, এই শব্দ দুটি যেন এতদিন সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গত 2018 সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গোটা বঙ্গবাসী প্রত্যক্ষ করেছে ভোটে রিগিং থেকে হানাহানির ঘটনা। ভুতুড়ে ভোটারদের বাড়বাড়ন্তে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিরোধীরা সমবেত হয়ে অভিযোগ জানালেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। পরবর্তীতে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে সারাদেশে তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলেও বাংলার

“ভোটের সময় তৃণমূল ভয় দেখাতো” ”দিদিকে বলো”তে বিস্ফোরক অভিযোগের মুখে পড়তে হলো বিধায়ককে

ভোটের প্রচার ছাড়া আর সেই ভাবে বিধায়ককে কাছে পাননা তারা। রাজনৈতিক সভা সমিতি ও মিটিং মিছিলে অবশ্য বিধায়কের দেখা মেলে। কিন্তু সেই ভাবে কথা বলার মতো সুযোগ হয় না তাদের। কিন্তু সম্প্রতি জনসংযোগ কর্মসূচি উপলক্ষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের পদাধিকারী থেকে জনপ্রতিনিধিদের মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দিলে ইতিমধ্যেই সারা

রাজ ঠাকরে “নো ইভিএম” কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানালেও যেতে নারাজ মমতা! জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই ইভিএমের স্বচ্ছতার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে ব্যালটে নির্বাচন করা হোক বলে দাবি জানাতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ইভিএমে ভোট প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দ্বিতীয়বার কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসলে সেই ইভিএমের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। যার পর সদ্যসমাপ্ত

বিরোধীদের কটাক্ষ করে আগামী দিনে দেশে আরও অনেকগুলি ভোট রয়েছে বলে দাবি করলেন মোদী

প্রথম ইনিংসে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। বিরোধীদের প্রায় প্রত্যেকেরই টার্গেট ছিল, এবারে বিজেপিকে সরানো। কিন্তু তাদের সেই আশায় কার্যত ছাই পড়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসেও কার্যত বিরোধীদেরকে হারিয়ে দিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু বিজেপি

Top
error: Content is protected !!