এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "vote"

বিজেপিকে আটকাতে পিকের স্ট্র্যাটেজি তৈরি? তৃণমূলকে শুধু এই অস্ত্রে শান দিতে পরামর্শ!

  2011 সাল থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রবল জনপ্রিয়তার উপরে ভরসা করে বাংলায় ক্ষমতা বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু সাংগঠনিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তি কখনই রাজ্যের ভূতপূর্ব শাসকদল সিপিএমের মতো শক্তিশালী ছিল না। মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনের সব থেকে বড় শক্তি ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা। এই শক্তির উপর ভর করেই

তৃণমূল জিতলেও ভোট বাড়ছে বিজেপির, নতুন করে চিন্তা বাড়ছে শাসক শিবিরে, আশায় গেরুয়া শিবির

ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যের তিনটি বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলাফল। ফলাফল প্রকাশের একদিন আগে পর্যন্ত যে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতাদের মুখে তিনে তিনটি আসনে জয়লাভের কথা শোনা যাচ্ছিল, একদিন পরে ফলাফল ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্যের সাক্ষী হয়ে থাকল রাজ্যবাসী। ফলাফলে দেখা গেল, কার্যত তিনটি আসনেই জয়লাভ করে হ্যাটট্রিক করেছে

করিমপুরের ফলাফল নির্ধারিত হবে “ফেয়ার ভোটেই!” প্রমাণ দিচ্ছে সি-ভিজিল অ্যাপ

  পৌরসভা হোক বা বিধানসভা, লোকসভা হোক বা পঞ্চায়েত, প্রায় সমস্ত স্তরের নির্বাচনেই বাংলায় অভিযোগের বহর জমা পড়ে কমিশনের কাছে। নির্বাচনের শেষে অভিযোগের বহর দেখে তার সমস্যা সমাধান করতেই রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে কমিশনের আধিকারিকদের। তবে সদ্য সমাপ্ত রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের দু'একটি অশান্তির ঘটনা

ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নে বুঁদ বাম-কং জোট প্রার্থীই দিতে পারল না! কতটা লড়াই থাকছে জল্পনা

  2011 সালে যে বামফ্রন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিগত আট বছরে 35 বছর ধরে ক্ষমতা ধরে রাখা বামফ্রন্ট কার্যত সাইনবোর্ডে পরিণত হবে, তা বিশ্বাস করতে পারেনি অনেকেই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ঘটনাই বারবার সামনে আসছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে লোকসভা নির্বাচন, প্রতিটা

হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়কের খাসতালুকে বড় জয়! ভোটের ফলের আগে বড়সড় সুখবর বিজেপি শিবিরের জন্য

  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গ জুড়ে তৃণমূল ধরাশায়ী হয়েছিল। তবে লোকসভার ফলাফল মেটার পর বেশ কিছুদিন হয়ে গেল। বর্তমানে বিজেপি ছেড়ে অনেকে তৃণমূলে আসতে শুরু করেছে। যার ফলে একাংশ দাবি করেছিলেন যে, হয়ত বা তৃণমূলের চাকা ঘুরতে শুরু করেছে। কিন্তু এবার স্কুল পরিচালন সমিতির নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীদের পরাজিত হওয়ার ঘটনা এবং বিজেপির

ক্রমশ বাড়ছে স্নায়ুর চাপ! চুপ থাকা কালিয়াগঞ্জের হিসাব বুঝতে পারছে না কোনো পক্ষই

  নীরবতা বড়ই অদ্ভুত জিনিস। "গোপনো কথাটি রবে না গোপনে" গানে থাকলেও ভোটের প্রচারপর্বে মানুষের গোপন কথাটি কিছুতেই প্রকাশ্যে আনতে পারছেন না রাজনীতিবিদরা। হ্যাঁ, কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আগে অবস্থা ঠিক এমনটাই। প্রায় এক মাস ধরে চলছে প্রচার। সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। মানুষ তাতে

খড়্গপুরে বুথের ভিতরে আয়না, অভিযোগ বিজেপির

  পশ্চিম মেদিনীপুর,  কার্তিক গুহা   :- ভোটগ্রহণ বুথের সামনে আয়না লাগিয়ে রাখা হয়েছে।অভিযোগ বিজেপির।খড়্গপুর পুরসভার ভিতরে একটি বুথের সামনে যেখানে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে, তার ঠিক উল্টো দিকে একটি আয়না লাগানো রয়েছে।যদিও নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা একটি পেপার দিয়ে সেটি ঢেকে দিয়েছেন। ভোট কোন জায়গায় দেওয়া হচ্ছে, সেটা যাতে কেউ না দেখতে পায়,তাই তারা

কেমন চলছে খড়্গপুরে ভোটগ্রহণ

  পশ্চিম মেদিনীপুর :- সোমবার কড়া নিরাপত্তায় খড়্গপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। নজরদারির দায়িত্বে রয়েছে পাঁচ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।প্রশাসনের পক্ষ থেকে২৬টি বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০৫টি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ভোটারদের জন্য বুথগুলিতে হুইল চেয়ার থেকে শুরু করে নানা ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোট ভোটারের সংখ্যা ২

খড়গপুরে তৃণমূল- বিজেপির বহিরাগত নিয়ে আলোচনা! শান্তিতে ভোট না হলে অংক মিলছে না কারোরই?

  বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। কিন্তু তেরোটি পার্বণের মধ্যে মাঝেমধ্যেই এসে উঁকিঝুঁকি দেয় ভোট পার্বণ। আর 14 তম এই পার্বণটি মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে সাহায্য করে। যার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, আগামী দিনে কে শাসকবর্গের আসনে বসবে, আর কারাই বা বিরোধি থাকবে! আজ সোমবার রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। যার

মেয়ের বিয়ের ঢালাও আয়োজনের সঙ্গেই ভোটের প্রচার! উপনির্বাচনের ভোটবাক্সে পড়বে প্রভাব?

  একদিকে প্রত্যাশা, অন্যদিকে বিষাদ। তবে চাপ দুটোতেই আছে। আর সেই প্রবল পরিশ্রমের ফসল কি পাবেন কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী কমল চন্দ্র সরকার? এখন এই প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে সর্বত্র। বস্তুত, কংগ্রেসিদের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের বিজেপির প্রার্থী করা হয়েছিল সাদামাটা মানুষ বলে পরিচিত কমল সরকারকে। শনিবার

Top
error: Content is protected !!