এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "unnayan"

অনুন্নয়নে ডুবে থেকেও উন্নয়নের স্বপ্নেই ভোট দিলেন কালিয়াগঞ্জবাসী, তবে কোন দিকে? থাকছে প্রশ্ন

  ভোট আসে ভোট যায়। আর ভোটের সাথে প্রতিশ্রুতিও আসে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পালন হতে দেখা যায় না। কখনও বলা হয় বিধবা ভাতা, কখনও বার্ধক্য ভাতা, কখনও রেশন কার্ড। তারপর ভোটাধিকার প্রয়োগ করে লাইনে দাঁড়িয়ে সেই প্রার্থীদের জয়যুক্তও করান। কিন্তু প্রতিশ্রুতি প্রতিশ্রুতিই থেকে যায়। তবুও নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত

অর্থাভাবে শিকেয় উঠেছে উন্নয়ন! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিশেষ ফান্ড পথে এই জেলা পরিষদ

আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা। তারপরেই ফের উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাঁর এই উত্তরবঙ্গ সফরকে কাজে লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ বিশেষ ফান্ডের দাবি করবে বলে জানা গেল। কিন্তু যেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী প্রায় প্রত্যেককেই সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছেন উন্নতির জন্য বলে দাবি করেন, সেখানে কেন আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে

থমকে উন্নয়ন! সময়ে কাজ না করায় 12 কোটি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হল তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভা

তিনি কর্মে বিশ্বাসী বলে মাঝেমধ্যেই দলীয় জনপ্রতিনিধিদের আরও বেশি বেশি করে কাজ করার নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার কথা দলের জনপ্রতিনিধিরা যে এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে দেন, তা প্রায়শই প্রমাণিত হতে দেখা যায়। আর আরও একবার তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভার ক্ষেত্রে

উন্নয়নকে হাতিয়ার করে মুর্শিদাবাদকে বিরোধী শূন্য করতে বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দু অধিকারীর

লোকসভা ভোটে দলের ভরাডুবির পর যে সমস্ত জেলায় তৃণমূলের পরাজয় হয়েছে সেই সমস্ত জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বে বেশিরভাগটাই বর্তেছে, তৃণমূলের তরুণ তুর্কি হিসেবে পরিচিত রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ওপর। অতীতে দলনেত্রীর নির্দেশমতো কংগ্রেস অধ্যুষিত মালদা, মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব নেওয়ার পরই সেখানে সেই শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরেই ঘাসফুল ফুটেছে। আর বিরোধীদের দমন করে সেই

বাংলার “উন্নয়ন” এখন “বিশ্ববন্দিত”, তাই “দিল্লি দখলের” লড়াইয়ে “উন্নয়ন” মডেলই স্থান পাবে তৃণমূলের ইশতেহারে

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে সরাতে প্রথম থেকেই বিরোধী মহাজোট গড়ার পক্ষে সওয়াল করে এসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেইমতো তৃণমূলের দখলে থাকা বাংলার 42 টি লোকসভা আসনের মধ্যে 42 টি আসনই দখল করবার জন্য দলীয় নেতৃত্বদের কড়া নির্দেশিকাও বেঁধে দিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যেই দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে

উন্নয়ন থমকে যাওয়ায় যুক্তিতে পঞ্চায়েত মামলায় সুপ্রিম রায় মিললেও, এখনও শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বোর্ড গঠন হল না

পঞ্চায়েতের মাধ্যমে গ্রামের উন্নয়ন হয়। আর তাই দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষ আদালতে মামলা চলার কারণে বোর্ড গঠন না হওয়ায় আটকে ছিল সেই উন্নয়ন। কিন্তু সেই আইনি জট কেটে যাওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হলেও এখনও পর্যন্ত জগৎবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচন না হওয়ায় থমকে রয়েছে উন্নয়ন। আর এই

পাঁচ বছর দেখতে দেখতে কেটে গেল, যা কথা দিয়েছিলাম অনেকটা হয়েছে – তবে আরও কাজ বাকি আছে: দেব

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রস্তাবিত ১৯'এর ব্রিগেড সমাবেশের দামামা বেজে গিয়েছে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এই প্রেক্ষিতে প্রশাসনিক কাজকর্মের হালচাল জানতে নেত্রীর নির্দেশে জেলায় জেলায় তদারকি করে বেড়াচ্ছেন শাসকদলের হেভিওয়েটরা। সেরকমই একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে গতকাল পশ্চিম মেদিনীপুর পাড়ি দিয়েছিলেন তারকা সংসদ সদস্য দেব ওরফে দীপক অধিকারী। সেখানে কেশপুর ব্লকের সাহসপুর ঘোষাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এসেছিলেন

নিজের গড়ে উন্নয়নের জোয়ার আছড়ে পড়ল খোদ অনুব্রত মণ্ডলের উপর, অস্বস্তিতে তৃণমূল সভাপতি

একের পর এক মন্তব্য করে রাজ্য রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিয়েছেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কখনও গুড় বাতাসা তো কখনো রাস্তায় বেরোলেই উন্নয়ন দেখার কথা বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় "কেষ্ট" এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বীরভূমে। সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, "রাস্তায় বেরোলেই সকলে উন্নয়ন দেখতে পাবে।" যা নিয়ে

জঙ্গলমহলের উন্নয়নের কোনো ফাঁক রাখতে চাইছে না সরকার, শুধু রাস্তা সারাইয়ে বরাদ্দ 71 কোটি

রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জঙ্গলমহলের উন্নয়নে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই জঙ্গলমহলেরই তিন জেলা, পূর্ব, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের জন্য 200 টিরও বেশি রাস্তা সংস্কারে প্রায় 71 কোটি টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসের শুরুতেই রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের

Top
error: Content is protected !!