এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "state govt"

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধং দেহি মনোভাব থেকে এখনই সরছেন না স্পষ্ট ইঙ্গিত রাজ্যপালের

  রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সম্পর্কের তিক্ততা বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে। রাজভবনের প্রধান ব্যক্তির পদে শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রায় বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সঙ্গে রাজ্য সরকারের দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছিল। আর বিভিন্ন ঘটনায় রাজ্যপালের অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। সম্প্রতি এই ব্যাপারে নাম না করে

এবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের বিরোধ সংসদে তুলতে চলেছে তৃণমূল! বাড়ছে জল্পনা

  জাগদীপ ধনকার বাংলার রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে জিয়াগঞ্জের ঘটনা, দুর্গাপুজোর কার্নিভাল থেকে শুরু করে প্রশাসনিক বৈঠক, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে শোরগোল তুলে দিয়েছিলেন তিনি। যার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে সেই রাজ্যপালকে "পদ্মপাল"

পিকের মস্তিষ্ক ও প্রদীপের পঞ্চ প্রতিজ্ঞা ভর করে খড়্গপুরে বাজিমাত চায় তৃণমূল, হাসছে বিজেপি

  আগামী 25 তারিখ রাজ্যের যে তিনটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে, তার মধ্যে হেভিওয়েট কেন্দ্র বলেই পরিচিত খড়গপুর। 2016 সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার পর যতদিন গিয়েছে, ততই সেখানে বিজেপির দাপট বাড়তে শুরু করেছিল। তবে দীলিপবাবু সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়ে যাওয়ায় এবার

পার্শ্বশিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা, জানুন বিস্তারিত

  লোকসভা নির্বাচনের আগেই তৃণমূল ত্যাগ করেছিলেন তিনি। দিল্লিতে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল নেতা অর্জুন সিংহকে। মূলত ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে অর্জুনবাবুর বদলে দীনেশ ত্রিবেদীকে প্রার্থী করার জন্যই তৃণমূল ত্যাগ করেন অর্জুন সিংহ বলে দাবি রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। আর বিজেপিতে এসে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদীর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী

জঙ্গলমহলের ভোটব্যাঙ্ক ফিরিয়ে আনতে এবার উৎসবেই 6 কোটি টাকা খরচ রাজ্য সরকারের

  2011 সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পরই জঙ্গলমহলে শান্তি স্থাপন করতে উদ্যোগী হন। মাওবাদী উপদ্রুব এলাকায় বিভিন্ন রকম প্রকল্প এনে সেখানকার মানুষদের মন জয় করেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। যে জঙ্গলমহলের মানুষ এককালে সকালে চোখ খুললেই রক্ত দেখতে পেতেন, সেই জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরিয়ে এনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে

পুলিশ দিয়েও আটকানো গেল না পার্শ্বশিক্ষকদের! আদালতের রায়ে জোড়া ধাক্কা রাজ্য সরকারের

  ফের বড়সড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। এবার প্যারাটিচারদের নিয়ে হাইকোর্টের জোড়া ধাক্কা খেল রাজ্য। পুলিশ প্রশাসনের অস্বস্তি বাড়িয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ উজ্জীবীত করল প্যারাটিচারদের একাংশকে। সূত্রের খবর, এদিন হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক বিকাশভবনের অদূরে 11 নভেম্বর থেকে টানা সাতদিন পর্যন্ত শিক্ষক আন্দোলন করতে পারবেন বলে জানিয়ে দেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব

2021 এর লক্ষ্যে এখন থেকেই জনমুখী ও কর্মসংস্থানকারী বাজেট তৈরিতে নেমে পড়ল রাজ্য সরকার

  সামনেই 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন। লোকসভায় কিছুটা হলেও বিজেপির কাছে ধাক্কা খেতে হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। তাই সেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের জনমোহিনী ভাবমূর্তি মানুষের কাছে তুলে ধরতে এখন তৎপর ঘাসফুল শিবির। যার অঙ্গ হিসেবে এবার কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে 2020-21 আর্থিক বছরের জন্য বাজেট তৈরিতে সব দপ্তরকে তাদের বাজেট

100 দিনের কাজ নিয়ে অনেক অভিযোগ জমা পড়ায় কড়াকড়ি কেন্দ্রের, মাথায় হাত রাজ্য সরকারের

  100 দিনের কাজে বাংলার সরকার অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে অতীতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে এর আগে একাধিকবার দাবি করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি কেন্দ্রের বঞ্চনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য এই 100 দিনের কাজে সেরার সেরা স্থান অধিকার করায় গোটা বিষয়টিকে নিয়ে শাসক দলের নেতা থেকে মন্ত্রীরা জোরকদমে তা প্রচার করতে

সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে কংগ্রেস নেতা সন্ময় ব্যানার্জীর গ্রেফতারি নিয়ে খোঁজ নিলেন রাজ্যপাল

ফের রাজ্য সরকারের অস্বস্তি বাড়াতে ময়দানে নামলেন রাজ্যে সাংবিধানিক প্রধান। এবার কংগ্রেস নেতা সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তারি নিয়ে বিধানসভার কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানের কাছে খোঁজখবর নিলেন তিনি। যা নিঃসন্দেহে রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সম্পর্কের তিক্ততা এবার আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই সোদপুরের বাড়ি থেকে কংগ্রেস

রেশনে ভর্তুকি বন্ধ করতে অভিনব পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে রাজ্য সরকার

2014 সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই নরেন্দ্র মোদি দেশের আর্থিক সম্পন্ন লোকদের রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আর প্রধানমন্ত্রীর শ্লোগানে আশ্বস্ত হয়ে অনেকেই স্বেচ্ছায় গ্যাসের ভর্তুকি ছেড়ে দিলেও তার জন্য কোনো বাড়তি পুরস্কার পাওয়া যায়নি। কিন্তু কেন্দ্রের পক্ষ থেকে গ্যাসের ভর্তুকি ছেড়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার না দেওয়া

Top
error: Content is protected !!