এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "singur"

আবার খবরের শিরোনামে সিঙ্গুর! আন্দোলনকারীদের ইটের ঘায়ে জখম পুলিশ! উত্তপ্ত পরিস্থিতি

এককালে বিগত বাম সরকারের আমলে প্রবল আন্দোলন গড়ে কৃষকদের পাশে থেকে সিঙ্গুরে অনশন, আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে আন্দোলন সারা রাজ্য তথা দেশকে আলোড়িত করে তুলেছিল। এখন সিঙ্গুরে সেইভাবে আর কোনো আন্দোলন হতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার ফের অশান্ত হয়ে উঠল সিঙ্গুর। পুলিশের

সিঙ্গুরে আরও প্রকট তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! ব্যবসায়ীকে মারধর ও স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

একসময় বামেদেরকে সরাতে সিঙ্গুরই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান রাজনৈতিক অস্ত্র। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস সেই সিঙ্গুরে নিজেদের মধ্যেই তীব্র দ্বন্দ্বে লিপ্ত হতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এবার সিঙ্গুরের এক হোটেল ব্যবসায়ীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, এই ঘটনায় একদিকে যেমন

সিঙ্গুরে তাপসী মালিকের মূর্তির জরাজীর্ণ অবস্থা, জোর বিতর্ক!

2011 সালে ক্ষমতায় আসার আগে সিঙ্গুরের আন্দোলন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতার অনেকটা কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিল। সেদিনের সেই আন্দোলনে তাপসী মালিকের উনুনের ভেতরে থাকা দগ্ধ মৃতদেহ বেরিয়ে আসলে তাঁকে ইস্যু করে সেই সময়কার বাম সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন শুরু করেছিলেন আজকের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সময় থেমে থাকে না। আর তাইতো যে

সিঙ্গুরের চাষীরা কি করছেন না করছেন তার দায়িত্ব আর নিতে রাজি নন মমতা? বিস্মিত রাজনৈতিকমহল

তবে কি এতদিনে সিঙ্গুর নিয়ে ধৈর্যচ্যুতি ঘটল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? গতকাল বিধানসভায় বিরোধীদের সিঙ্গুর প্রশ্নে মেজাজ হারালেন তিনি।বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান রাজ্যসরকার সিঙ্গুরের চাষিদের সব রকম সাহায্য করেছে। কিন্তু তবুও কেন চাষের পরিমাণ কমেছে, আমি কী করে বলব ? ২০১১ তে এই রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পথে সিঙ্গুর আন্দোলন তাঁর সবচেয়ে বড়

মমতাকে স্বস্তিতে ফেলে বিজেপির সুরে মেলালেন তৃণমূল বিধায়ক, শোরগোল রাজ্যে

একসময় বামেদের সরানোর জন্য তৎকালীন টাটা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই এবং অনশণ করে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমিতে কোনো মতেই শিল্প করতে দেওয়া হবে না বলে সিঙ্গুরের মানুষদের পাশে থাকার শপথ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলস্বরূপ 2011 সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আর এরপর বহু বছর কেটে গেছে। কিন্তু এবার লোকসভা

সিঙ্গুরে টাটাদের বিরুদ্ধে লড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – জানিয়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম

সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফের রাজ্যবাসীর কাছে তৃণমূলের ভাবমূর্তি স্পষ্ট করার চেষ্টা করলেন ফিরহাদ হাকিম। বললেন,অনেকেরই মনে হয় সিঙ্গুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে লড়াইটা করলেন সেটা আসলে টাটার বিরুদ্ধে। কিন্তু ব্যাপারটা সেটা নয়। তিনি জমি দানে অনিচ্ছুক চাষীদের পক্ষেই সেসময় লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিলেন। মানুষের গণতান্ত্রিক স্বার্থরক্ষার অধিকারের দাবীতে গর্জে

“তাপসী মালিক দিবসেও” সিঙ্গুরে দুই হেভিওয়েট নেতার বিভাজনে ভোটের বাক্সে প্রভাব পড়বে না তো? বাড়ছে জল্পনা

একদা পরিবর্তনের গড় সিঙ্গুরে ফের স্পষ্ট হয়ে উঠল শাসকের কোন্দল। জমি আন্দোলনের জেরে বিগত বাম আমলে ২০০৬ সালের ১৮ ই ডিসেম্বর বছর ১৪-র তাপসী মালিকের মৃত্যু হয়। ফলে, প্রতি বছরের মত এই বছরেও মত এই বছরেও সেখানে পালিত হতে চলেছে - তাপসী মালিক দিবস। কিন্তু, সেই বিশেষ দিনেও এক হতে

সিঙ্গুরের গোষ্ঠীকোন্দল ক্রমশ কি শাসকদলের হাতের বাইরে? এক নেতাকে কোনঠাসা করে ‘দখল’ নিচ্ছেন হেভিওয়েটের অনুগামীরা

বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দমন করা যাচ্ছে না সিঙ্গুরের। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির সভাপতি নির্বাচনের পর এবার স্থায়ী কমিটি গঠনেও গোষ্ঠকোন্দল প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের। ভোটাভুটিতে শামিল হলেন বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি বেচারাম মান্নার অনুগামীরা। সভাপতি নির্বাচনে রবীন্দ্রনাথবাবুর অনুগামীরা জয়ী হলেও, এদিন স্থায়ী সমিতির দখল নেন বেচারামবাবুর

সিঙ্গুরকে ভোলেননি তৃণমূল নেত্রী-6 কোটি টাকা ব্যয়ে সিঙ্গুর বাসীর জন্য অনন্য স্মারক নিয়ে আসছে রাজ্য সরকার

সিঙ্গুর আন্দোলনের ইতিহাসকে সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য ৬ কোটি টাকা ব্যয় করে ৪০ ফুট লম্বা একটি স্মারক স্তম্ভ তৈরি করবে রাজ্য সরকার।কাজ শুরু হওয়ার ৩০০ দিনের মধ্যেই ওই শহীদ স্মারক তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে বলে খবর নবান্ন সূত্রে। স্মারকটি তৈরি করবে পূর্ত দপ্তর সেই উদ্দেশ্যে পূর্ত দপ্তরের হুগলি জেলার

সিঙ্গুরের জন্য ঝড় তুলতে গিয়ে সিঙ্গুরের মন কি আদৌ পেল রাজ্য বামফ্রন্ট?

সময় এই বাংলায় সিঙ্গুর থেকেই পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনিচ্ছুক কৃষকদের কৃষি জমি জোর করে কেড়ে নেওয়ায় তৎকালীন বাম সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভ উগরে দিয়ে গোটা রাজ্যে এই সিঙ্গুর আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। আর এরপরই গত 2011 সালে রাজ্যের ক্ষমতার

Top
error: Content is protected !!