এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "rural-party" (Page 2)

পঞ্চায়েত-স্তরে গেরুয়া শিবিরকে আবারও জোড়া ধাক্কা দেবে শাসকদল? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির উত্থান ঘটার পরেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে তৃণমূলের ধ্বস নামতে শুরু করে। মালদহ থেকে কোচবিহার বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের দখলে থাকা পঞ্চায়েত দখল করতে শুরু করে গেরুয়া শিবির। যার ফলে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে রাজ্যের শাসক দল। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই এবার যেন অবস্থার পরিবর্তন করতে শুরু করেছে। নিজেদের হাতছাড়া হওয়া

প্রশাসন মনোভাব না পাল্টালে তাহলে বাংলায় আন্দোলনের আগুন জ্বলবে – তীব্র হুঁশিয়ারি বিজেপি সাংসদের

  রাজ্যের প্রশাসন তৃণমূল কংগ্রেসের দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে বলে মাঝেমধ্যেই অভিযোগ করতে দেখা যায় বিজেপিকে। এমনকি এই অভিযোগ তুলে মাঝেমধ্যেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করতেও দেখা যায় বিজেপির রাজ্য নেতাদের। যা নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজায় মাঝেমধ্যেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। তবে এবার পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে জেলা এবং রাজ্য

আসন্ন নির্বাচনে নতুন এই “অংক” ঘুম ওড়াতে চলেছে শাসক-বিরোধী সবারই? বাড়ছে জল্পনা

  আর কিছুদিন পরেই পৌরসভার নির্বাচন। হাতে আর মাত্র কিছুদিন বাকি। ইতিমধ্যেই সমস্ত রাজনৈতিক দল প্রহর গোনা শুরু করেছে যে, কোন ওয়ার্ডে কে দাঁড়াবেন! বস্তুত, শিলিগুড়ি পৌরসভার আসন সংখ্যা 47 টি। গত 2015 সালে পৌরসভা নির্বাচনের আগে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর মধ্যে প্রায় 51 শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল। যেখানে এসসি, এসটি মহিলাদের জন্য

  সাধারণের অভাব- অভিযোগ শোনার মত দলীয় কর্মীই নেই! বিস্ফোরক অভিযোগে অস্বস্তিতে শাসকদল

  লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর জনসংযোগ থেকে দল বিচ্ছিন্ন হয়েছে, একথা অনুধাবন করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরই দলের রণনীতিকার হিসেবে তিনি নিয়োগ করেন ভোট গুরু প্রশান্ত কিশোরকে। আর ভোটগুরু দায়িত্ব নেওয়ার পরেই লক্ষ্য করা যায় "দিদিকে বলো" কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে তাদের অভাব-অভিযোগ

শাসকদলের “আশীর্বাদেই” পুলিশকেও গুলি করতে হাত কাঁপছে না দুই-ভাইয়ের? তীব্র ক্ষোভ এলাকা জুড়ে

  বিগত প্রায় এক দশক ধরে সন্দেশখালির খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কার্যত মুকুটহীন সম্রাট হয়ে দাঁড়িয়েছিল কেদার সর্দার এবং লালটু সর্দার। পরবর্তীতে বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেদার সর্দারের স্ত্রী স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, তার স্ত্রী পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হওয়ার পর থেকেই কেদার ভাতৃদ্বয়ের ঔদ্ধত্য শতগুণ

উপনির্বাচনের আগে হেভিওয়েট নেত্রীর হাত ধরে বড়সড় শক্তিবৃদ্ধি করল শাসক দল

  রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বারবার দাবি করা হয়, মানুষ উন্নয়নের জন্যই তৃণমূলের সাথে আছে। এমনকি বিরোধী দল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী তৃণমূলে যোগদান করলেও তৃণমূলের নেতারা এটাই দাবি করেন। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে যেভাবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটে পরাজয় হয়েছে তৃণমূলের, তাতে তৃণমূল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কিনা,

সাংগঠনিক রদবদলের পরেও দল ঝিমোচ্ছে! আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে শাসকদলের তৃণমূল স্তরে

  উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি। অতীতে এখানে তৃণমূলের অবস্থা কিছুটা ভালো থাকলেও, যত দিন যাচ্ছে, ততই যেন শিলিগুড়িতে তৃণমূলের সংগঠন ভেঙ্গে পড়তে শুরু করেছে। লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজকর্মের অভাবের জন্যই যে এই বিপর্যয়, তা বুঝতে বাকি নেই রাজনৈতিক মহলের।   জেলা সভাপতি পদে বদল আনা হয়েছে। কিন্তু তাও এখানে ঠিক

উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে রুখে এগিয়ে যেতে কালীপুজোকেও পাখির চোখ করছে শাসকদল

  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের একটি আসনও দখল করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট তৃণমূলের অত্যন্ত শক্তঘাঁটি হলেও নাট্যকার অর্পিতা ঘোষকে প্রার্থী করে এখানে নিজের কাজ হাসিল করতে পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বালুরঘাটে জয়লাভ করেছেন বিজেপির সুকান্ত মজুমদার। তবে নির্বাচনে অর্পিতা ঘোষ পরাজিত হলেও তাকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী করে দিয়েছেন

শাসকদলের সংগঠন আরও তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে বড়সড় সাংগঠনিক পরিবর্তন আসন্ন?

  একদিকে দলীয় গোষ্ঠী কোন্দল আর অন্যদিকে দিনকে দিন জেলায় কোণঠাসা হওয়া, কোচবিহারে এতদিন চরম সমস্যায় পড়েছিল তৃণমূল। যার কারণে লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেনি তারা। প্রাক্তন তৃণমূল যুবনেতা নিশীথ প্রামাণিক বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৃণমূলের পরাজয়কে নিশ্চিত করে দিয়েছিলেন। আর এরপরই সেখানকার দলীয় সভাপতির পদ থেকে রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে সরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 উলটপুরান, নির্বাচনে বিজেপির ফল খারাপ হতেই দল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ শুরু, ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বাম শিবির

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। আর একদম শেষের সারিতে চলে গেছে একদা বাংলার শাসন ক্ষমতায় থাকা বামফ্রন্ট। এবারের নির্বাচনে একটি আসনও নিজেদের দখলে রাখতে পারেনি তারা। তবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট উঁকিঝুঁকি মারলেই শুনতে পাওয়া যায়, বিজেপি তাদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়ালেও আদতে লাভ হবে

Top
error: Content is protected !!