এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "pm modi"

নদীয়াতে মোদির সভায় জনসমুদ্র! “স্টিকার দিদি” নামে তৃণমূল নেত্রীকে তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বরা ফের ক্ষমতায় আসতে দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলির সাথে এবার বাড়তি নজর দিয়েছে বাংলায়। আর তাইতো নির্বাচনের দামামা বাজবার পর একাধিক বার বাংলায় এসে গেরুয়া ঝড় তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। বুধবার ফের বঙ্গ সফরে আসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নদীয়ার তাহেরপুরের

জিতলেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী – বার্তা তুলে ধরে আলিপুরদুয়ারে প্রচার জমাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির

এবারে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার লোকসভা আসনে জিততে একটি মোক্ষম কৌশল বিজেপি। প্রসঙ্গত, এবারে এই আসনে বিজেপির তরফে প্রার্থী হয়েছেন জন বারলা। ইতিমধ্যে ভোটের প্রচারে চা শ্রমিক মহল্লায় গিয়ে এই জন বারলাকে জেতালে উত্তরবঙ্গের চা শিল্পের সঙ্কট দেখভাল করার জন্য তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার দাবি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে

ঠাকুরনগর থেকেই ‘সিন্ডিকেট-মুক্ত’ বাংলা উপহার দেওয়ার বড় স্বপ্ন দেখালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

যেমনটা আঁচ করা হচ্ছিল, ঠিক তেমনটাই ঘটলো। বঙ্গে পা রেখেই মতুয়া মহাসঙ্ঘের ঠাকুরনগরে নাম না করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসেকে তীব্র ভাষায় খোঁচা দিতে দেখা গেল বিজেপির পোস্টারবয় তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সূত্রের খবর, এদিন ঠাকুরনগরের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে সিন্ডিকেটের প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া

মোদী সরকারের ‘জনমোহিনী বাজেট’ কি এই নতুন ‘খোঁচায়’ এবার জলে যাবে? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

নির্বাচন আসলেই বিজেপি রামকে ব্যবহার করে বলে বিভিন্ন সময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ থাকতে দেখা গেছে দেশের বিরোধী দলগুলোকে। গত ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ক্ষমতায় এলে অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়ে তোলা হবে। কিন্তু দেখতে দেখতে পাঁচটি বছর সময় কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত সেই মন্দির গঠনের

মতুয়া ভোট – তুমি কার? তৃণমূল-বিজেপি তীব্র দড়ি টানাটানিতে ‘ফ্যাক্টর’ হবে কি নরেন্দ্র মোদির সভা?

লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় যতটা সম্ভব দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করা যায়, তার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর তাইতো রথযাত্রা বাতিল হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হেভিওয়েট নেতাদের দিয়ে সভা করিয়ে নিজেদের পালে হাওয়া আনতে চাইছে গেরুয়া শিবির। আজ রাজ্যে একই দিনে আসতে চলেছেন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার অদূরেই পোস্টার ছিঁড়ে দিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধোরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে শাসকদল বনাম বিরোধীদলের রাজনৈতিক অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি। একে অপরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল ও বিজেপিকে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। আর এবারে সেই দখলের রাজনীতি নিয়েই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাংলা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের

লোকসভার আগে কেন্দ্র সরকারের এই কল্পতরু পদক্ষেপ কি বড়সড় ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করে দিল গেরুয়া শিবিরের?

হারিয়ে যাওয়া ভোটব্যাঙ্ক ফিরে পেতে মরিয়া মোদি সরকার একের পর এক জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে লোকসভা ভোটের আগে। তিন রাজ্যে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সম্ভবত বিজেপি উপলব্ধি করেছে নোটবাতিল, জিএসটি এবং জীবিকার জন্য হাহাকার এতই তীব্র যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সেই কারণেই এবার নিজেদের সিদ্ধান্তকেই পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হচ্ছেন

প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথে হেঁটেই রাজ্যপালের ইঙ্গিত – ‘রাজ্যে গণতন্ত্র নেই’! শুরু তীব্র বিতর্ক

লোকসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে এবার রাজ্যসরকারকেই অস্বস্তিতে ফেললেন রাজ্যপাল। এদিন আচার্য হিসাবে রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে করে ফেললেন এক বেফাঁস মন্তব্য। রাজ্যে যে এই মুহূর্তে গণতন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা বলতে কিছুই নেই তার স্বপক্ষে সওয়াল করে ফেললেন তিনি। প্রসঙ্গত,সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কোনো দল বা ব্যক্তিবিশেষের

মোদী মমতার ছবি নিয়ে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ, উত্তেজনা বনগাঁয়

বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত বনগাঁ। সেখানের সাতভাই কালীতলা এলাকায় পৌষমেলা চলাকালীন একটি জলসত্রকে কেন্দ্র করে দুই যুযুধান গোষ্ঠীর বিবাদ প্রকাশ্যে আসে। লোকসভা ভোট যতোই এগিয়ে আসছে ততোই যেন বিজেপি-তৃণমূল একে অন্যের বিরুদ্ধে মারমুখী হয়ে উঠছে। জনসভা হোক না প্রচারমূলক কর্মসূচি বিজেপি-তৃণমূলের আক্রমণ তথা পাল্টা আক্রমণ লাগাতার উত্তপ্ত রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক

২০১৯ এ জিততে মোদিকে সরিয়ে এই হেভিওয়েট মন্ত্রীকে মুখ করার প্রস্তাব, ধাক্কা মোদী শাহের

এই মুহূর্তে রাজনৈতিকমহলের অন্যতম চর্চিত বিষয় হল ১৯'এর লোকসভা ভোটের পর কে হবেন দেশের আগামী প্রধানমন্ত্রী? রাহুল গান্ধী,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রণব মুখোপাধ্যায় নাকি নরেন্দ্র মোদীই দিল্লির কুর্সিতে অব্যাহত থাকবেন? জল্পনা চলছে গোটা বছর ধরেই। সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের ভালো পারফরমেন্সের কারণে রাহুল গান্ধীরকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন অনেকেই। ওদিকে

Top
error: Content is protected !!