এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "mukul roy"

তৃণমূল বিধায়ক খুনের মামলায় চাপ কি বাড়ছে? মুকুল রায়ের নতুন পদক্ষেপে বাড়ল জল্পনা

গত 9 ফেব্রুয়ারি ভর সন্ধ্যেবেলা দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হন নদীয়ার হাঁসখালির তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। সেই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এর পরেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই খুনের ঘটনায় মুকুল রায়ের দিকে বারংবার অভিযোগের আঙ্গুল তোলা হয়। মুকুল রায়ের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়। এফআইআর-এ নাম থাকায় আগাম জামিনের

বাংলার উপনির্বাচনের ফল নিয়ে মুখ খুললেন মুকুল রায়, প্রায় মিলে গেল প্রিয় বন্ধুর সমীক্ষার সঙ্গে

গত ২৫ তারিখ বাংলার ৩ আসন কালিয়াগঞ্জ, করিমপুর ও খড়্গপুর-সদরে হয়ে গেল উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ফলাফল আগামীকাল - কিন্তু তার আগে এই ৩ আসনের ফলাফল নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা অব্যাহত। কেননা ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের হিসাবে এই ৩ টি আসন যথাক্রমে - কংগ্রেস, তৃণমূল ও বিজেপির দখলে ছিল। আবার ২০১৯ এর

“সব মুকুল জানে, আমি জানি না” মন্তব্য তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার, কেন এমন বললেন? জেনে নিন

  এককালে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড নামে পরিচিত ছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে যখন তার ঘরের বাইরে দর্শন প্রার্থীদের লম্বা লাইন লেগে থাকত, তখন ক্বচিৎ কদাচিৎ 2-4 জন লোক দেখা করতে যেতেন বর্তমান তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এবং রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর ঘরে। কিন্তু কথায় রয়েছে, রাজনীতি এবং ক্রিকেট ম্যাচে শেষ পর্যন্ত

বিজেপির মুকুলের সঙ্গে লড়াই তৃণমূলের মহুয়ার! কে জিতবে! জোর জল্পনা

  আগামী 25 নভেম্বর করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। বস্তুত, 2016 সালে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে জয়লাভ করেছিলেন মহুয়া মৈত্র। তারপর যতদিন গিয়েছে, ততই সেখানে নিজের ইমেজ বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তবে লোকসভা নির্বাচনে সেই মহুয়া মৈত্র কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়ে যাওয়ায় তার ছেড়ে যাওয়া এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। লোকসভায় বিজেপির

মুকুলের প্রশংসা, তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার মুখে – জেনে নিন বিস্তারিত

  গত 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুরে দাঁড়িয়ে বিজেপির জয় নিশ্চিত করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর তারপরই সেই দিলীপ ঘোষের হাত ধরে রাজ্যে বিজেপির উত্থান ঘটতে শুরু করেছিল। যতদিন গিয়েছে, ততই বিভিন্ন জায়গায় ফুটেছে পদ্মফুল। তবে এবার দিলীপ ঘোষ এই আসন ছেড়ে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হওয়ায় আগামী 25 নভেম্বর এই খড়গপুর

এবার শুভেন্দুকে নিয়ে বিস্ফোরক মুকুল রায়, জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

  তৃণমূল ছেড়ে অনেকদিন হল তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর বিজেপিতে যোগদান করার পর থেকেই তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বৈরাচারী নীতিকেই বারবার দায়ী করেছেন মুকুল রায়। অনেক ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তথা যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিজের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেন বঙ্গ বিজেপির চাণক্য। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করতে থাকেন, দলে অভিষেক

খড়গপুরে দলীয় প্রার্থীর প্রচার এসে মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন মুকুল রায়

  একসময় তিনি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গীও বলা হত তাঁকে। আর ঘাসফুল শিবিরে থাকার সময় তৃণমূল দলের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজের হাতে সামলাতেন মুকুল রায়। তবে প্রায় অনেকদিন হয়ে গেল তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে একের পর এক হেভিওয়েট নেতাকে যেমন গেরুয়া

দিলীপ, মুকুল নন, ক্রমশ অমিত শাহের কাছের লোক ইনি , বিধানসভায় এনার হাতেই থাকতে পারে বঙ্গ বিজেপির রাশ?

  2021 সালে বাংলায় বিজেপির মুখে হবে তারই অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছে। কারণ তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান মুখ থাকলেও তার বিরোধী হিসেবে বিজেপি তেমন ভাবে কাউকে খাড়া করতে পারেনি বলে দাবি একাংশের। কখনও সৌরভ গাঙ্গুলী, কখনও দিলীপ ঘোষ, আবার কখনও বা মুকুল রায়ের নাম 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে উঠে এসেছে। আর

ভাটপাড়ায় মুকুল-অর্জুনের ঘুম ওড়াতে আরও বড় ধাক্কার পরিকল্পনায় ঘাসফুল শিবির

  লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ফলাফল করার পরেই উত্তর 24 পরগনা জেলায় তৃণমূলের ভাঙ্গন ধরতে শুরু করে। ভাটপাড়া থেকে শুরু করে হালিশহর, নৈহাটি থেকে শুরু করে কাঁচরাপাড়া, একাধিক পৌরসভা বিজেপি নিজেদের দখলে আনতে শুরু করে। তবে বিজেপি এই সমস্ত পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিজেদের দখলে আনলেও কিছুদিন পরেই অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু করে। সম্প্রতি

মমতা সরকারের স্থায়িত্ব থাকছে কদিন? মুকুল রায়ের মন্তব্যে বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পরেই একের পর এক চমক দিতে থাকেন মুকুল রায়। তৃণমূলের অনেক হেভিওয়েট নেতা, বিধায়কদের বিজেপিতে যোগদান করিয়ে নিজের প্রাক্তন দলের চাপ বাড়িয়ে দেন তিনি। তবে এই বিপুল নেতাকর্মীর দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান খুব একটা ভালো ভাবে মেনে নিতে পারেননি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আর তাই তো পরিস্থিতি

Top
error: Content is protected !!