এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "mla"

দিদিকে বলো কর্মসূচিতে গিয়ে বড়সড় বিপাকে হেভিওয়েট বিধায়ক, তৃণমূলের অস্বস্তি চরমে!

  লোকসভা নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের আরও বেশি করে জনসংযোগ ঘটাতে দিদিকে বলো কর্মসূচি গ্রহণ করে তৃণমূল কংগ্রেস। যে কর্মসূচি ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্কপ্রসূত বলেই দাবি একাংশের। কিন্তু এই দিদিকে বলো কর্মসূচির মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিজেদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, এর

টিকিট দিতে 10 কোটি চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী, বড়সড় অভিযোগ এনে দল ছাড়লেন বিধায়কের

  হাতে আর কয়েকদিন বাকি। তারপরই অনুষ্ঠিত হবে দেশের রাজধানী দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। আর সেই বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যেই সেখানে ক্ষমতা দখল করতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেখানকার শাসন ক্ষমতায় থাকা আম আদমি পার্টিকে সরাতে নানারকম পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে তারা। আর এই পরিস্থিতিতে আম আদমি পার্টির অস্বস্তি বহুগুণে

তৃণমূলের দুই প্রবীণ নেতা তথা সংসদ ও বিধায়কের চাপানউতোরে, এবার বড়সড় অস্বস্তিতে শাসক শিবির

তৃণমূলের দুই প্রবীণ নেতা এগরার তৃণমূল বিধায়ক সমরেশ দাস ও শিশির অধিকারীর চাপানউতোরে, এবার বড়সড় অস্বস্তিতে শাসক শিবির। জানা যাচ্ছে , তাদের মধ্যে দুরুত্ত্ব এতটাই বেড়েছে যে নিমন্ত্রিত অনুষ্ঠানেও আর একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে না। এগরা-২ ব্লক কৃষি মেলার উদ্বোধক হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন শিশির অধিকারী ও বিধায়ক সমরেশ দাস । সেদিন মেলার

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, তৃণমূলের সভাপতির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন দলের বিধায়ক

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পেছনে প্রথম দায়ী, তাদের গোষ্ঠী কোন্দল। নেতায়-নেতায় গন্ডগোলের কারণেই অনেক জায়গায় দলের প্রার্থীকে হেরে যেতে হয়েছে, তা বুঝতে বাকি নেই তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের। আর তাইতো ফলাফল প্রকাশের পরই এই ব্যাপারে সকল নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে পথ চলার বার্তা দেন তাদের তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঞ্চ থেকে নেমেও নিস্তার পেলেন না তৃণমূল বিধায়ক, হলেন শোকজ!

শুরুটা হয়েছিল এগড়ার তৃণমূল বিধায়ক সমরেশ দাসকে দিয়ে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের সাথে এক মঞ্চে থাকায় তৃণমূলের তরফে শোকজ হতে হয়েছিল তাকে। যা দেখে পশ্চিমবাংলায় সৌজন্যের রাজনীতি মিলিয়ে যেতে চলেছে বলে দাবি করেছিল একাংশ। এদিকে দলের রোষানল থেকে রেহাই পেতে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে বিজেপি সাংসদ কুনাল হেমব্রমকে দেখে

দিলীপ ঘোষের সাথে এক মঞ্চে, দলের রোষানলে হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়ক, সৌজন্যে উধাও! প্রশ্ন একাংশের

  বিরোধী দলে থাকার সময় হোক বা ক্ষমতায় থাকার সময়, বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে "সৌজন্যের প্রতীক" বলে দাবি করতে দেখা যায় তার দলের নেতা-নেত্রীদের। তবে শুধু তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নয়, অনেক ক্ষেত্রে রাজ্যের মানুষ চাক্ষুষ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সৌজন্যতা। যেখানে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অহিনুকুল সম্পর্ক থাকলেও, সেই বুদ্ধদেব বসুর জন্মদিনে

বিজেপি বিধায়ককে নতুন বছরের শুভেচ্ছা মমতার, জোর জল্পনা রাজ্যে

রাজনীতিতে সৌজন্যে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে শাসক-বিরোধী তরজা যে পর্যায়ে পৌঁছয়, তাতে রাজনৈতিক সৌজন্য প্রায় উঠেই গেছে। বর্তমানে শাসক দল তৃণমূল বনাম বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক রাজ্যে। সৌজন্যতা দূর অস্ত, মাঝেমধ্যেই দুই দলের নেতাদের একে অপরকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করতে দেখা যায়। যা মাঝেমধ্যেই শালীনতার মাত্রা

নেতা বিধায়কের ঘুম উড়য়ে ফের নয়া স্ট্রাটেজি নিলো প্রশান্ত কিশোর , জেনে নিন

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে 42 এ 42 এর স্লোগান তোলা তৃণমূলকে আটকে যেতে হয়েছে 22 টি আসনেই। যেখানে বিজেপি দুই থেকে তাদের 18 করে নিয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ঘাড়ের ওপরে নিঃশ্বাস ফেলা গেরুয়া শিবির কিভাবে এতটা ভোট বৃদ্ধি করল, তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল গোটা ঘাসফুল শিবির। আর দলের ভাবমূর্তি ফেরাতে

কামানোয় অভ্যস্ত নেতাদের সতর্ক! জোর করে পৌরসভা দখলের পরিকল্পনা বাদ দিতে বললেন ফিরহাদ হাকিম!

  কোনো দলের অন্দরে ক্ষমতার জাকিয়ে বসলে, তার পরিস্থিতি যে কতটা ভয়ানক হতে পারে, তা হয়ত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর উপলব্ধি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে দলীয় নেতাদের দুর্নীতি আর অপরদিকে মানুষকে ভোট দিতে না দেওয়ার অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে নতুন কিছু নয়। পঞ্চায়েত থেকে পৌরসভা, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর মানুষের ভোটের

বিধানসভায় মন নেই শাসকদলের মন্ত্রী- বিধায়কদের! চূড়ান্ত হতাশ স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়!

  রাজ্যে প্রতিবছর স্কুল-কলেজগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক ভাবধারার প্রয়োগ ঘটাতে আয়োজিত করা হয় যুব সংসদ প্রতিযোগিতা। যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে রাজ্যের নতুন প্রজন্মকে রাজনীতিতে নামানো এবং বিধানসভার নিয়মকানুন সম্পর্কে অবগত করানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু যদি বাস্তবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় শাসকদলের বিধায়কদের গতিপ্রকৃতি ঠিক না থাকে,

Top
error: Content is protected !!