এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "mamata"

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বেগ কাটাতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি, আপনাদের সেবক হয়েই থাকব: ফিরহাদ

তৃণমূল দলের তথা রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজের নিরিখে তিনিই তাঁর সহকর্মীদের পুরস্কৃত করেন। তাই প্রশাসনিক পদ থেকে রাজনৈতিক পদ, প্রায় সব বিষয়েই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তৎপর তৃণমূলের নেতারা। আর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাঁকুড়া শহরে পানীয় জল প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্বেগকে

“ভোটের সময় রাজনীতি, এখন কাজের প্রতিযোগিতা হোক” মোদীকে চ্যালেঞ্জ মমতার

লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রচারপর্বে দুই দলের দুই হেভিওয়েট নেতা নেত্রী একে অপরকে বিধতে ছাড়েননি। রাজনীতির মসনদে একজন অপরজনকে জোর কটাক্ষও করেছে। তবে নির্বাচনের সময় যাই হোক না কেন, নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এবার কাজের প্রতিযোগিতা হোক বলে কেন্দ্র সরকারকে বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকেলে

প্রধানমন্ত্রী-তৃণমূল সাংসদের বৈঠকে মোদির সৌজন্যে মুগ্ধ মমতার প্রতিনিধি থেকে রাজনৈতিকমহল

লোকসভা নির্বাচনে প্রচারে একে অপরের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে বঙ্গ রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আবার কখনও বা পাল্টা বাংলায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিদি বলে সম্বোধন করে সারদা, নারদা নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। যার ফলস্বরুপ বাংলায় লোকসভা

মমতাকে দেখে রাজ্যের দেখানো পথেই হাঁটলেন মোদী , জেনে নিন বিস্তারিত

বনাম রাজ্যের দ্বৈরথ বারে বারেই প্রত্যক্ষ করেছে বঙ্গবাসী। কন্যাশ্রী থেকে সবুজসাথী, খাদ্যসাথী - বিভিন্ন প্রকল্প কোন সরকারের! তা নিয়ে তীব্র দড়ি টানাটানি চলেছে রাজ্যের তৃণমূল বনাম কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের মধ্যে। তবে প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারেবারেই দাবি করেছেন, বাংলা আজ যা ভাবে, গোটা দেশ কাল তা ভাবে। কিন্তু

big breaking-নবান্নে ফের বৈঠক অভিষেক-মমতা- প্রশান্ত কিশোরের, জোর জল্পনা

লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার 42 টি আসনের মধ্যে 42 টি আসনই দখল করার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তার সেই স্বপ্ন পূর্ণ হয়নি। উল্টে গত 2014 সালে তৃণমূল বাংলা থেকে 34 টা আসন পেলেও এবার 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে তাদের দখলে এসেছে মোটে 22 টি আসন। অপরদিকে তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলে

সমালোচনার ঝড়, কংগ্রেস সিপিএমের থেকে না শুনে জোট নিয়ে পাল্টি খেল তৃণমূল

রাজনীতিতে উলটপুরান স্বাভাবিক ব্যাপার। কখন কার কোন রণনীতি হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারবে না কেউই। এইতো যেমন গতকাল বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাম এবং কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করার আহ্বান জানানোর খবর পেলেও আজ তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করতে দেখা গেল সেই তৃণমূল দলকেই। যা নিয়ে উত্তাল

বিবাদ ভুলে বাংলার 40 লক্ষ কৃষককে কেন্দ্রের সাহায্য পেতে দিন, মমতার কাছে আর্জি মোদির মন্ত্রীর

গত 2014 সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে রাজ্য বনাম কেন্দ্রের বিভিন্ন ইস্যুতে তরজা শুরু হয়। যার জেরে উন্নয়ন অনেকটাই বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করতে দেখা যায় বিরোধীদের। এমনকি কেন্দ্র টাকা দিলেও রাজ্য তার নিজের বলে চালাচ্ছে বলে বিভিন্ন সময়ে দাবি করে বঙ্গ বিজেপির নেতারা। এই পরিস্থিতিতে বাংলা কারওর ভিক্ষা চায়

আজ নবান্নে বৈঠকে বসছেন জুনিয়র ডাক্তাররা আর মুখ্যমন্ত্রী – রফাসূত্রের দিকে তাকিয়ে আমজনতা

জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে অবশেষে বৈঠকের মাধ্যমে এনআরএস এর জোট কাটানোর জন্য সমাধানসূত্র খুঁজতে আজ দুপুর তিনটায় নবান্নে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় |সঙ্গে থাকবেন মুখ্যসচিব ও স্বাস্থ্যসচিব |সেখানে জুনিয়র ডাক্তাররা মিডিয়ার উপস্থিতির দাবি জানালে নবান্ন সেই ব্যাপারে তাদের আপত্তির কথা জানায় |আন্দোলনকারীরা সেক্ষেত্রে ভিডিওগ্রাফির কথা বলে | প্রতি মেডিক্যাল কলেজ থেকে

সাতদিনেই দল “শুদ্ধ ও পবিত্র” করে “বখাটে ছেলেদের” নিয়ে আগামী দিনে চলার অঙ্গীর তৃণমূল নেত্রীর

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের অত্যন্ত খারাপ ফলাফল এবং বিজেপির প্রবল উত্থানে এখন দলকে নিজের ছন্দে নিয়ে আসাই প্রধান চ্যালেঞ্জ তৃনমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। বস্তুত, এবারে বঙ্গ বিজেপির হয়ে লোকসভা ভোটের চূড়ান্ত গেমপ্ল্যান তৈরি করেছিলেন একদা তৃণমূল নেত্রীর অন্যতম প্রিয় সৈনিক হিসেবে পরিচিত বর্তমান বিজেপি নেতা মুকুল রায়। আর

যাবতীয় তিক্ততা ভুলে সৌজন্য রক্ষায় মোদীর শপথগ্রহণে মমতা, পিছলেন ইফতার পার্টি

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে দেশের ক্ষমতায় আসে বিজেপি। সেবারেও প্রচারে মোদী-মমতার জোর চাপানউতোর দেখা গিয়েছিল। আমন্ত্রণ জানানো স্বত্তেও মোদীর শপথে দেখা যায়নি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। এবারে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছিল মোদী কে কেন্দ্র থেকে হটানো। আর তাই তাঁর প্রচারে বার বার মোদী তথা দেশের প্রধানমন্ত্রীরকে তীব্র আক্রমণ শানাতে

Top
error: Content is protected !!