এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "Mamata Banerjee"

সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! জোর জল্পনা

  পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় শাসক এবং বিরোধীদের মধ্যে বাক্যবিনিময় চিরকালই রাজনৈতিক মসলায় পরিপূর্ণ থাকে। অর্থাৎ কখনও বিরোধী দলের তরফ থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করা, আবার কখনও সরকারের তরফ থেকে ঝাঁজালোভাবে তার প্রতিউত্তর দেওয়া। এরকমই একটা শাসক-বিরোধী তরজা, টান টান উত্তেজনাময় দিনের সাক্ষী হয়ে থাকল মঙ্গলবারের বিধানসভা অধিবেশন। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ডেঙ্গু নিয়ে সরকারকে

বাংলায় মিমকে আটকাতে কি এবার কড়া অবস্থানে মমতার প্রশাসন? জানুন বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে এবার নতুন একটি রাজনৈতিক দল পা রাখতে চলেছে বলে জানা গেছে। আগামী বছরের শুরু থেকেই নতুন রাজনৈতিক দলটি পশ্চিমবঙ্গে তাঁদের ক্রিয়া-কলাপ শুরু করবে বলে খবর। হায়দ্রাবাদে তৈরি হওয়া দল আসাদউদ্দিন ওয়েইসির ওল ইণ্ডিয়া মজলিসে-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বাংলার মাটিতে পা রাখতে চলেছে। ইতিমধ্যে তাঁরা তাঁদের সংগঠন নিয়ে কাজ শুরু করে

 জেলা পরিষদ স্তরে বিজেপির ঘুম উড়িয়ে সব “কেড়ে নিতে” ঘুটি সাজানো শুরু তৃণমূলের

  গত 19 তারিখ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এসে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম থেকে জেলা পরিষদের কাজ নিয়ে রীতিমত বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্ষেত্রে জেলার উন্নয়নের কাজ থমকে থাকায় মুখ্যমন্ত্রীর রোষের সম্মুখীন হতে হয় খোদ জেলাশাসককে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্যত সেদিনই মুখ্যমন্ত্রীর কথায় স্থির হয়ে গিয়েছিল যে, এবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ

বিজেপি এনআরসির বিকল্প অস্ত্র বেছে নিলেন মমতা, জানুন বিস্তারিত

  জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে বর্তমানে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। তবে এই এনআরসির ফলে শরণার্থীরা থাকলেও অনুপ্রবেশকারীরা বাদ যাবেন বলে বারবার উঠে এসেছে বিজেপি নেতাদের কথায়। কিন্তু বরাবরই বিজেপির বিরুদ্ধে এই এনআরসি ইস্যুকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকতে কোনোভাবেই বাংলায় এনআরসি হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে তারা। আর এই পরিস্থিতিতে

দাপুটে নেত্রী বিজেপি যোগ দিতেই তাঁকে নিস্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিলে স্বয়ং মমতা?

  2011 সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মিনি মহাকরন নিয়ে বিভিন্ন জেলায় ছুটে যেতে দেখা গেছে পশ্চিমবাংলার প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। দিনাজপুর থেকে দমদম, সর্বত্রই রাজ্য সরকারের আমলা, জনপ্রতিনিধি সকলকে সঙ্গে নিয়ে এলাকাভিত্তিক উন্নয়নের রূপরেখা স্থির করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  সেরকমই গত 19 নভেম্বর 2019 দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে গঙ্গারামপুর

বিতর্ক থামাতে অবশেষে নিজের পাশেই দাপুটে নেতাকে জায়গা করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী

  প্রথম থেকে আশঙ্কা ছিল, তিনি মঞ্চে বসবেন, নাকি নিচে বসতে হবে তাঁকে! তবে সেই আশঙ্কাকে দূরীভূত করে অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের একদম পাশের আসনে বসলেন মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মন্ডল। কিন্তু হঠাৎ এহেন প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল কেন! কেন এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিচেও বসতে পারেন!

মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় থাকছেন না একাধিক হেভিওয়েট! ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

  ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মিনি মহাকরন নিয়ে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করতে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সরকারের এই প্রশাসনিক বৈঠকে স্থানীয় বিরোধীদলের জনপ্রতিনিধিদের ডাকা হয় না বলে মাঝেমধ্যেই অভিযোগ ওঠে। এতদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সেই অভিযোগ না উঠলেও, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকের আগে সেই অভিযোগই সরকারের বিরুদ্ধে প্রকট

গোষ্ঠীদ্বন্দ আটকাতে মুখ‍্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি সাথে বিজেপির বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার গুরুতর অভিযোগ

রাজনৈতিক দলগুলোর সুবাদে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন খুব পরিচিত শব্দ আমাদের কাছে। বরাবরই শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রসঙ্গ এসেছে ফিরেফিরে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কিছুতেই বন্ধ করতে পারছেন না। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই রাজ্যের প্রধান বিরোধীদলগুলিও শাসক শিবিরকে প্রতিনিয়ত কটাক্ষ করতে থাকে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তীব্র প্রভাব সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে কোচবিহারে।

মমতা ম্যাজিক কি শেষ? আর তাই ভোট জিততে প্রশান্ত কিশোরকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল, জল্পনা তুঙ্গে

  লোকসভা ভোটে তৃণমূলের বিপর্যয়ের কথা কারও অজানা নয়। 42 এ 42 এর স্লোগান তুলে 22 টি আসনেই আটকে যেতে হয়েছে রাজ্যের শাসকদলকে। আর এরপরই দলের ভাবমূর্তি ফেরাতে তৃণমূলের রণনীতিকার করা হয় ভোটগুরু বলে পরিচিত প্রশান্ত কিশোরকে। যার পরে তৃণমূলের দায়িত্ব নেওয়ার সাথে সাথেই দিদিকে বলোর মতো একাধিক কর্মসূচী দিয়ে তৃণমূলের

বিধানসভা নির্বাচনে কত আসন পাবে তৃণমূল, হিসাব দিলেন পিকে

  লোকসভা ভোটে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। 42 এ 42 এর স্লোগান তুলে 22 টি আসনেই আটকে যেতে হয়েছে রাজ্যের শাসক দলকে। আর এই পরিস্থিতিতে দলের ভাবমূর্তি ফেরাতে এবং বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করতে ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরকে দলের রননীতিকার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তৃণমূলের একাংশ দাবি করেন যে, বিধানসভা নির্বাচনে দলের

Top
error: Content is protected !!