এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "Mamata Banerjee"

সংগঠনকে আরও চনমনে করতে 15 তারিখ বড়সড় পদক্ষেপ তৃণমূল নেত্রীর

লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর দফায় দফায় সমস্ত জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বসে সংগঠনকে সাজানোর চেষ্টা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের পরিকল্পনামাফিক "দিদিকে বলো" কর্মসূচি করে দলের সমস্ত জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে পদাধিকারীদের সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেইমত রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই "দিদিকে

বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানের দলবদলের ‘জল্পনা’ ঘিরে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি!

রাজ্য-রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত বিরোধী হিসাবে যে কজনের নাম সবার উপরে থাকে বর্তমান বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানের নাম সেখানে শীর্ষস্থানে ছিল। অন্তত ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত। কিন্তু, তারপর থেকেই দ্রুত বদলাতে থেকেছে ছবি বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা। যে আব্দুল মান্নানকে একসময় মার্শাল দিয়ে বিধানসভা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল

বিজেপির সঙ্গে ছেড়ে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিকভাবে হয়েছে ক্ষতি! মমতা-ঘনিষ্ঠের আক্ষেপে জল্পনা চরমে!

বছরখানেক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে দেশজুড়ে বিজেপি-বিরোধী মহাজোট গড়ার ডাক দিয়ে মমতা ব্যানার্জীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তেলুগু দেশম পার্টির সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নায়ডু। এদিকে এর পর বিগত হয়েছে বেশ কয়েক মাস। লোকসভা তথা অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় ফল করেছে নায়ডুর তেলুগু দেশম পার্টি। আর এদিন সেই নিয়েই মুখ খুলে নিজের সিদ্ধান্তকে ভুল

আরএসএসের সুরেই সুর মেলালেন অধীর, জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভায় তিনি কংগ্রেসের দলনেতা। প্রখর তৃণমূল বিরোধী হলেও বিজেপি বিরোধিতায় তার একমাত্র হাতিয়ার হবে বলে মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। কিন্তু বাংলার সাংসদ হয়ে, লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা হিসেবে তিনি যে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে বিন্দুমাত্র ছেড়ে দেবেন না, তা ফের আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী। সংসদে যেমন বিজেপি

নতুন “পালক” মুখ্যমন্ত্রীর মুকুটে! আবার এল শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা

লোকসভা নির্বাচনে তিনি এবং তার দল বিজেপির কাছে কিছুটা পরাজিত হলেও এবার বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানে সেরা থিম সংয়ের মর্যাদা পেল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা গান। জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই দুর্গা ষষ্ঠীর দিনে রাজ্যের তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন কলকাতা এবং তার আশেপাশের এলাকার প্রজাপতির জন্যে "বিশ্ব

একাধিক ইস্যুতে মতানৈক্যের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণের পর জল্পনা বাড়ালেন রাজ্যপাল

পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে রাজ্য বনাম কেন্দ্রের সংঘাত নতুন কিছু নয়। আর বরাবরই কেন্দ্রের শাসকদলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে মুখর হয়েছে বাংলার শাসকদল। সেটা বাম আমল হোক বা তৃণমূল আমল, চিত্রটা কিন্তু পাল্টায়নি। আর যেহেতু রাজ্যপাল কেন্দ্র সরকার দ্বারা নিয়োগীত, তাই বারবার রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের শাসক দলের সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। একসময় তদানীন্তন

উত্তরবঙ্গে দিদির পাশাপাশি দাপাল গেরুয়া শিবিরের ফ্লেক্সও! শক্তিবৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত বিজেপির

বর্তমান রাজনীতিতে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে যুযুধান দুই পক্ষ। একদিকে কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় আসীন ভারতীয় জনতা পার্টি, অন্যদিকে পশ্চিমবাংলার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। আর গোটা রাজ্যে যে এই রকম রাজনৈতিক বাতাবরণ তাতে করে এই দুই দলের নেতা-নেত্রীদের সামান্যতম ঘনিষ্ঠতা বড়সড় খবর হয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক মহলের কাছে। কিন্তু কোনো একটি ফ্লেক্স বা

এবার তৃণমূল নেত্রীর পুজো উদ্বোধনও সশরীরে খুঁটিয়ে দেখলেন পিকে! আবারও কি কোনো বড় পরিকল্পনা?

অনেকদিন আগেই তিনি তার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবির পর ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের রণনীতিকারের দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে সাম্প্রতিককালে তার সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলের তরফে দাবি করা হলেও সেই সমস্ত কিছুতে জল ঢেলে দিয়ে মহালয়ার সন্ধ্যায় তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর

আবার কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতে গিয়ে এই রাজ্যবাসীদের ৬ হাজার টাকা করে পেতে দিল না রাজ্য সরকার

কথায় আছে- রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় আর উলুখাকরার প্রাণ যায়। এও ঠিক তেমনটাই। কেন্দ্র রাজ্যের লড়াই এর মাঝে বলি হতে হয় সাধারণ মানুষকে। বিরোধিতার ফলে জনসাধারণের সুযোগ-সুবিধা দেখা হয়না। নির্বাচনী প্রতিনিধিরা নিজেদের লড়াইয়ে এতটাই মত্ত হয়ে যায়, যে তাঁরা ভুলে যান সাধারণ মানুষের ভোটের ভিত্তিতেই তাঁরা ক্ষমতায় এসেছেন। পরবর্তীতে সাধারণ

এবার পুজোয় বিশেষ আকর্ষণ ছিল “কাউন্সিলর” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো – জানুন বিস্তারিত

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নামেই নাম তার। রায়গঞ্জের রবীন্দ্রপল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবছর তার এই পুজো মহাসমারোহে পালিত হয়। কিন্তু রাজ্য সরকার পুজো উদ্যোক্তাদের এতদিন 10 হাজার টাকা করে দিলেও রায়গঞ্জের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ক্লাব সেই অনুদান পায়নি। যেখানে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল, তাহলে কি প্রশাসনিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মমতা

Top
error: Content is protected !!