এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "maldah"

নিখুঁত জালনোটের কারবারে ছেয়েছে মালদা সীমান্ত! ঘুম উড়ছে গোয়েন্দা অফিসারদের

এক লক্ষ টাকার জাল নোটের বিনিময়ে ভারতীয় ৪৫ হাজার টাকা কারবারিদের দিতে হয়। কিন্তু নোটের গুণগত মান অবশ্য আসল ভারতীয় মুদ্রার পরিমাণ নির্ভর করে। জানা যায়, কাফিকুলকে জেরা করে এরকমই তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। তদন্তকারীরা জানান, নিখুঁত জাল নোটের উপর লেনদেন অনেকাংশে নির্ভর করে। তবে নিখুঁতভাবে ছাপানো এক লক্ষ টাকা মূল্যের

মালদহ নিয়ে আরও অশান্তি বাড়ছে তৃণমূলের সংসারে – জানুন বিস্তারিত

অশান্তি যেন কিছুতেই থামতে চাইছে না মালদহে। এবার তৃণমূল পরিচালিত পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষকে অপসারণ করতে না পারায় বিদ্রোহী কাউন্সিলারদের মধ্যে প্রবল কোন্দল শুরু হয়েছে। জানা গেছে, অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার করার নির্দেশ বিদ্রোহী কাউন্সিলারদের একাংশ মানতেই চাইছেন না। ফলে একে অপরের উপর দোষারোপের পালা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের

বাংলার বুকে জন্মাষ্টমীর পদযাত্রাই মিলিয়ে দিল বিজেপি-কংগ্রেসের তাবড় নেতাদের! জানুন বিস্তারিত

ভগবান কৃষ্ণই যেন মিলিয়ে দিলেন সকলকে। শুক্রবার পুরাতন মালদহে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শোভাযাত্রাই যেন সব রাজনৈতিক দলকে একত্রিত করে দিল। যেখানে মিছিলে একসঙ্গে হাঁটতে দেখা যেত তৃণমূল, বিজেপি, কংগ্রেসের নেতাদের। সূত্রের খবর, এদিনের এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদহ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু, পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের

দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই কড়া গেরুয়া শিবির! বহিস্কৃত হেভিওয়েট নেতারা

দুর্নীতিকে যে তারা কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে নাড় তা বিজেপির সাহসী সিদ্ধান্তে ফের আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল‌। এবার উজ্জ্বলা যোজনা গ্যাস পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে রতুয়া 1 ব্লকের দুই নেতাকে বহিষ্কার করল বিজেপি। সূত্রের খবর, এই ব্লকের 20 নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্রনাথ মন্ডল এবং

বড়সড় দুঃসংবাদ, মাথায় হাত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ! শুরু চরম উৎকণ্ঠা!

বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষমতায় আসার পরপরই সিভিক ভলেন্টিয়ার চালু করেছিল রাজ্যের মা-মাটি-মানুষের সরকার। তবে চলতি মাসেই প্রথম প্যানেলের সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে মালদহে। যার ফলে সেই সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে এখন তীব্র চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। জানা যায়, গত 2013 সালের 18 নভেম্বর দুটি প্যানেল মিলে

মালদায় ভোট মিটতেই হবিবপুরের উপনির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত সব দলই, প্রার্থীপদ নিয়ে শুরু তীব্র জল্পনা

গত 23 শে এপ্রিল মালদহ জেলার দুটি কেন্দ্রের লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। আর এই নির্বাচন শেষ হতে না হতেই এবার শূন্য হয়ে যাওয়া হবিবপুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের দামামা বেজে যাওয়ায় সমস্ত রাজনৈতিক দলের অন্দরেই প্রবল তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই এই হবিবপুর বিধানসভার সিপিএম বিধায়ক খগেন মুর্মু দলবদল করে

উত্তর মালদার বেশকিছু বুথে পুননির্বাচন চাইল বাম-কংগ্রেস, দক্ষিণ মালদা নিয়ে সবাই চুপ

গত মঙ্গলবারই তৃতীয় দফার ভোটপর্ব সম্পন্ন হয়েছে। মোটের উপর রাজ্যের যে সমস্ত লোকসভা কেন্দ্রে এই তৃতীয় দফায় ভোট হয়েছে সেখানে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে বলেই প্রায় স্বীকার করে নিয়েছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাই। সেইমতো গন্ডগোলের আশঙ্কা হতে পারে বলে সব মহল থেকে মনে করা হলেও সেইভাবে মালদহের দুটি লোকসভা কেন্দ্র উত্তর

মালদা উত্তরে ঘন্টা দুয়েক “অস্বাভাবিক ভোট বৃদ্ধি”, “ছাপ্পার” গন্ধে নতুন করে ভাবাচ্ছে সব দলকেই

বঙ্গ রাজনীতিতে প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলই ভোটের মরসুম আসার সময় একে অপরের বিরুদ্ধে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। মূলত শাসকের বিরুদ্ধেই এই অভিযোগ তুলতে দেখা যায় বিরোধীদের। ইতিমধ্যেই বাংলায় তিনটি দফায় মোট দশটি লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম দুই দফায় প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় গণতন্ত্র প্রহসনে পরিণত হয়েছে বলে

কেন্দ্রীয় বাহিনী দায়িত্ব নিতেই এলাকাছাড়া স্থানীয় “দাদারা”, মালদার “সন্ত্রস্ত” এলাকায় শান্তিতে ভোট

প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই মালদহের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসের আচ পাওয়া যায়। এবারেও তেমন আচই পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে তৃতীয় দফার ভোটে সেই মালদহের সন্ত্রাস কবলিত এলাকাগুলিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র গন্ডগোলের দৃশ্যটুকুও দেখা গেল না। যা দেখে অনেকেই বলছেন, কতদিন পর যে মালদহের এই কালিয়াচকের মোজামপুর থেকে বৈষ্ণবনগর শ্মশানি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ

গনি-মিথ ও বাম ভোটের স্যুইংয়ের অংকে মালদা দক্ষিণের সব সমীকরণ নির্ভর করছে, আশায় সব পক্ষই

প্রয়াত কংগ্রেস নেতা বরকত গনি খান চৌধুরীর গড় বলেই পরিচিত মালদা জেলা। কিন্তু এবারের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের দখলে থাকা এই মালদহের দুটি লোকসভা কেন্দ্র আদৌ হাত শিবির ধরে রাখতে পারে কি না তা নিয়ে বিভিন্ন মহলেই শুরু হয়েছে জোর বিশ্লেষণ। কেননা গত 2014 সালের লোকসভায় এই মালদহ জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্র

Top
error: Content is protected !!