এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "left"

ঘুরে দাঁড়াতে এবার বামেদের নজর তৃণমূল ও বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের উপর !

দীর্ঘদিনের শত্রু হওয়া সত্ত্বেও, নীতি-আদর্শ কিছুটা দূরে সরিয়ে রেখে, গত 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচন থেকে বাম-কংগ্রেস জোট করে রাজ্যে প্রতিটা নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া শুরু করেছিল। সেদিক থেকে প্রায় প্রতি সময়ে বাম এবং কংগ্রেসের মূল টার্গেট ছিল, তৃণমূল এবং বিজেপি। প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই তারা এই দুই শক্তিকে হারানোর জন্য সাধারণ

মোদী-মমতার সাক্ষাৎকার নিয়ে কটাক্ষ হেভিওয়েট বাম নেতার!

  পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বামফ্রন্টের তরফ থেকে অতীতে বহুবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভারতীয় জনতা পার্টির "বি টিম" বলে অভিহিত করা হয়েছিল। আর এবার রাজ্যজুড়ে চলতে থাকা সংশোধিত নাগরিক আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের মধ্যেই একাধিক সরকারি কর্মসূচিতে কলকাতায় আসা ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ধর্মঘটে বামেরা, কেন্দ্রবিরোধী হলেও ধর্মঘট কি মানবে মমতা! সাঁড়াশি চাপে তৃণমূল

  প্রায় বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরোধিতায় সরব হতে দেখা যায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি থেকে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে পড়া, কেন্দ্রের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে নিজের দলকে রাস্তায় নামিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। বর্তমানে নাগরিকত্ব সংশোধনী ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব হতে দেখা গেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু

এবার কি বাংলার বিধানসভাতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাতিলের প্রস্তাব! বামেদের দাবি ঘিরে জল্পনা

  সম্প্রতি সংসদের দুই কক্ষে পাস হয়ে গিয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। যার পরেই সেই বিলে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। আর স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রপতি কোনো বিলে স্বাক্ষর করে দিলেই তা আইনে পরিণত হয়ে যায়। সেদিক থেকে এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সারা দেশজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেই তার বিরোধিতায় সরব হয় দেশের বিজেপি

বিজেপি বিরোধিতায় ধর্মঘটের ডাক বামেদের, পাল্টা ধর্মঘটের বিরোধিতায় তৃণমূল!

  2011 সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ধর্মঘটের বিপক্ষে মত পোষণ করতে দেখা গেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও, ধর্মঘট করে যে তা আদায় করা যায় না, তা বারেবারে জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ধর্মঘটের ডাক দিলেও, তা বানচাল করতে বাংলাকে

মমতা সরকারকে বড়সড় চ্যালেঞ্জ বামেদের, জেনে নিন

কেন্দ্রে নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ করে যখন উত্তাল হয়েছে গোটা দেশের বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো, সেইরকম আবহে অনুষ্ঠিত হয় ঝাড়খন্ড বিধানসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টিকে পরাজিত করে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাকে নিয়ে সরকার গঠন করেছ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন হেমন্ত সোরেন। আর এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিরোধী ঐক্য মঞ্চের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

রাজীব কুমারকে নিয়ে মোদী-মমতার গোপন আঁতাত ফাঁস করলেন হেভিওয়েট নেতা, জোর শোরগোল

  বর্তমানে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সঙ্গে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক প্রায় প্রত্যেকেই প্রত্যক্ষ করছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী ইস্যুতে ইতিমধ্যেই বাংলার স্বপক্ষে এবং বিপক্ষে থেকে মূল লড়াই শুরু হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। যে লড়াই চরম আকার ধারণ করেছে। তবে এই ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদী বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের মধ্যে দ্বৈরথ চরম

নাগরিকত্বের পক্ষে সওয়াল মোদীর, কটাক্ষ মমতা সমেত, বাম কংগ্রেসকেও

ইতিপূর্বেও কেন্দ্র সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জোরদার বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে। কিন্তু বারবারই নিজের ব্যক্তিত্বের দ্বারা এবং নিজের তীব্র ভাষাশৈলীর মাধ্যমে ধরাশায়ী করতে দেখা গেছে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রাণপুরুষ তথা ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। আর এবার যখন সংশোধিত নাগরিক আইন নিয়ে দেশের সর্বস্তরে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো

ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নে বুঁদ বাম-কং জোট প্রার্থীই দিতে পারল না! কতটা লড়াই থাকছে জল্পনা

  2011 সালে যে বামফ্রন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিগত আট বছরে 35 বছর ধরে ক্ষমতা ধরে রাখা বামফ্রন্ট কার্যত সাইনবোর্ডে পরিণত হবে, তা বিশ্বাস করতে পারেনি অনেকেই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ঘটনাই বারবার সামনে আসছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে লোকসভা নির্বাচন, প্রতিটা

আট বছর শাসন চালিয়ে এখনও পার্শ্বশিক্ষকদের হালের জন্য বাম আমলকেই হাতিয়ার শিক্ষামন্ত্রীর!

  বেশ কিছুদিন হয়ে গেল, রাজ্যে পার্শ্ব শিক্ষকদের অনশন চলছে। প্রচুর পার্শ্বশিক্ষক এবং শিক্ষিকা সেই অনশনে যোগ দিয়েছেন। বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষামূলক সংস্থাগুলো সেই পার্শ্ব শিক্ষকদের অনশন মঞ্চে গিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো বার্তা দিলেও এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সদর্থক বার্তা মেলেনি। যা নিয়ে

Top
error: Content is protected !!