এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "leader"

নজিড়বিহীন! সাড়ে তিন কোটি টাকার ঋন খেলাপ! তৃণমূল নেতার বাড়ি ও জমি দখলের নোটিশ ঝুলল!

  রাজ্যের পঞ্চায়েতের শাসকদলের নেতাদের বিভিন্ন বিষয়ে দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে পড়া নতুন কিছু নয়। তবে ঋণ নিয়ে ঋণ শোধ করতে না পারায় ব্যাংকে নোটিশ ঝোলানোর মত ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন বলেই মনে করছে একাংশ। জানা যাচ্ছে, সুতাহাটা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তথা ব্লক তৃণমূলের কার্যকারী সভাপতি তাপস মাইতি তিন কোটি 58 লাখ

“সব মুকুল জানে, আমি জানি না” মন্তব্য তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার, কেন এমন বললেন? জেনে নিন

  এককালে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড নামে পরিচিত ছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে যখন তার ঘরের বাইরে দর্শন প্রার্থীদের লম্বা লাইন লেগে থাকত, তখন ক্বচিৎ কদাচিৎ 2-4 জন লোক দেখা করতে যেতেন বর্তমান তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এবং রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর ঘরে। কিন্তু কথায় রয়েছে, রাজনীতি এবং ক্রিকেট ম্যাচে শেষ পর্যন্ত

বিজেপি কার্যকর্তাদের জন্য সুখবর! আজ ঘোষণা হতে পারে মন্ডলস্তরের বিভিন্ন পদাধিকারীর নাম

  বিগত বাম সরকারের যখন বিদায় নেওয়ার সময় হয়েছিল, ঠিক তখনই সেই বামেদের অনেক নেতাকর্মীরা তৃণমূলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছিলেন। কারণ তারা বুঝে গিয়েছিলেন যে, এবার রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার গঠিত হবে। পরবর্তীতে 2011 সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার গঠন হলে তৃণমূলে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে প্রচুর নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে শুরু

এবার সিপিএমকে লোক দিয়ে সাহায্য করতে চান দাপুটে তৃণমূল নেতা! চূড়ান্ত বিভ্রান্ত দলীয় কর্মীরা

  অনেকে বলেন, তৃণমূলের গঠনটাই হয়েছিল বাম বিরোধিতার মধ্যে দিয়ে। 2011 সালের আগে রাজ্যের তৎকালীন শাসক দল বাম সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল তারা। পরবর্তীতে 13 মে ঐতিহাসিক রায়ের পর 21 মে 2011, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে প্রায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিগত বাম সরকারের বিরুদ্ধে

মহারাষ্ট্রে ফের বড়সড় নাটক, পদ খোয়ালেন নেতা, জেনে নিন বিস্তারিত

  দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে শনিবার সকালে মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ল ভারতীয় জনতা পার্টি। মন্ত্রীত্বের ব্যাপারে ফিফটি- ফিফটি ফর্মুলা দিয়ে প্রথমেই বিজেপিকে চাপে ফেলে দেয় শিবসেনা। তাই প্রথম থেকে শিবসেনার সঙ্গে বিজেপির জোটে এখানকার সরকার হবে বলে মনে করা হলেও পরবর্তীতে সেই জোট ভেস্তে যায়। আর এরপরই বেশ কিছুদিন ধরে রাষ্ট্রপতি শাসন

ভাবমূর্তি সহ্য করতে নয়া পদক্ষেপ তৃণমূলের, সরানো হচ্ছে হেভিওয়েট নেতাকে, জোর জল্পনা

  লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল খারাপের পেছনে দলের অনেক নেতার ভাবমূর্তি দায়ী বলে মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। বাংলা শান্তিপ্রিয় জায়গা হওয়ায় ডাকাবুকো নেতাদের দাপট এখানকার মানুষেরা পছন্দ করেন না। ফলে সেদিক থেকে সিপিএম আমলে যেমন অনেক নেতাকে কার্যত 2011 সালে পরাজিত হতে হয়েছে, ঠিক তেমনই 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে এসে অনেক

বিজয় উৎসবে বিজেপি নেত্রীর কি ‘ডিলে’ তৃণমূলকে সমর্থন ফাঁস করবেন শুভেন্দু অধিকারী!

  জমজমাট হয়ে উঠেছে রাজ্যের হেভিওয়েট কেন্দ্র খড়গপুর বিধানসভার উপনির্বাচন। এতদিন এই কেন্দ্রে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু বর্তমানে তিনি সাংসদ হয়ে যাওয়ায় তার ছেড়ে যাওয়া এই কেন্দ্রে এবার উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী 25 নভেম্বর এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই ইতিমধ্যেই জোর প্রচার শুরু হয়ে গেছে। বিজেপির তরফে প্রেমচাঁদ ঝাঁকে প্রার্থী

তৃণমূল নেত্রীর বৈঠকে গরহাজির হেভিওয়েট নেতা! পদ হারালেন একাধিক দাপুটে নেতা-নেত্রী!

  দক্ষিণপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি মালদহের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল অত্যন্ত খারাপ হয়েছে। লোকসভার আগে দলে নাম লিখিয়েছিলেন কংগ্রেসের মৌসম বেনজির নূর। আর তারপরই তাকে উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানে মৌসমদেবী জিততে পারেননি। যার পরবর্তীতে সেই মৌসাম বেনজির নূরকে মালদহ জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে

তৃণমূল নেত্রীর বৈঠকে ডাক পাবেন কারা! তীব্র জল্পনা শুরু শাসকদলের অন্দরেই!

  আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা। তারপরেই মালদহে প্রশাসনিক বৈঠক করতে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের এই মালদহ আগমনকে ঘিরে জেলা প্রশাসনের মধ্যে চূড়ান্ত তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মালদহ জেলা তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সফরকে ঘিরে বাড়তি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। কেননা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রশাসনিক

সদরে না করে দাপুটে বিজেপি নেতার খাসতালুকে প্রশাসনিক বৈঠক করেই কি গুরুত্ব বোঝাচ্ছেন মমতা?

  দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূল চালাতে একসময় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভরসা ছিল বর্তমান বিজেপি নেতা বিপ্লব মিত্র। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে অর্পিতা ঘোষ পরাজিত হওয়ার পর সেই বিপ্লব মিত্রকে জেলা তৃণমূল সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এর পরেই দীর্ঘদিনের নেত্রীর সংসর্গ ত্যাগ করে দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে গিয়ে

Top
error: Content is protected !!