এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "jote"

বিজেপি-তৃনমূলকে টপকে পিছন থেকে বাজিমাত করবেন না তো জোট প্রার্থী? “ব্যাক্তিগত ইমেজ” ভাবাচ্ছে

  গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে জয়জয়কার হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। মমতা জড়ে রীতিমতো উড়ে গিয়েছিল বাম-কংগ্রেস গণতান্ত্রিক জোটের প্রার্থীরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজ্যের বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস জোটবদ্ধ ভাবে লড়াই করলেও এই অসম জোটকে যে বাংলার মানুষ মেনে নিতে পারেনি, তার প্রমাণ পাওয়া গেছে, 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে। কিন্তু সেই ঝড়ের মধ্যেও

দলীয় বিধায়ক ভাঙ্গানোর আশঙ্কায় শিবসেনা, এখনও অব্যাহত জোট

  অনেকদিন হল মহারাষ্ট্রে ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকার গঠন নিয়ে দর কষাকষি চলছেই। বস্তুত, এবারে মহারাষ্ট্রে ফলাফল খুব একটা ভাল হয়নি গেরুয়া শিবিরের। সরকার গঠন করবার জন্য যত সংখ্যা লাগে, তা তাদের কাছে নেই। যার ফলে শিবসেনার দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে বিজেপিকে চাপে রাখতে পাল্টা কৌশল করে

মহারাষ্ট্রে শিবসেনা-বিজেপি বিবাদ চরমে, জোট ভাঙতে চলেছে মহারাষ্ট্রে?

  ফল ঘোষণার পর থেকেই সমস্যা চলছে। এককভাবে বিজেপি সরকার গঠন করতে না পারায় শিবসেনার ভূমিকা কী হবে, সেই ব্যাপারে তৈরি হয়েছে প্রশ্নচিহ্ন। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের সরকার গঠন নিয়ে গেরুয়া শিবির বনাম শিবসেনার মধ্যে বিবাদ চরমে উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই বিজেপির উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন শিবসেনার সঞ্জয় রাউত। যা নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে

বরফ গলার স্পষ্ট ইঙ্গিত! আজই কি মহারাষ্ট্রে বিজেপি- শিবসেনার জোট সরকারের ঘোষণা?

  অবশেষে কি জটিলতা কাটতে চলেছে মহারাষ্ট্রের! শিবসেনা এবং বিজেপির যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা কি অবশেষে শেষের মুখে! এখন এইসব প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে সর্বত্র। সূত্রের খবর, আজ অবশেষে বৈঠকে বসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি এবং শিবসেনা। আর এই বৈঠকেএই দুইপক্ষ একটা ঐকমত্যে আসতে পারে বলে মনে করছেন একাংশ। জানা গেছে,

বাকিদের প্রার্থী ঘোষণা হলেও এখনও প্রার্থী নিয়ে অথৈ জলে বিজেপি, হতাশা ক্রমশ বাড়ছে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে

  লোকসভা নির্বাচনে সাফল্যের পর 2021 এ বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতা দখলের কথা বারবার উঠে এসেছে বিজেপি নেতাদের গলায়। তবে বাংলায় কোন রাজনৈতিক দলের ভিত কতটা শক্ত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে তা প্রমাণের জন্য এবার এক সুবর্ণ সুযোগ চলে এসেছে সকলের কাছেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী 25 শে নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজ্যের

উপনির্বাচনের আগে বাম- কংগ্রেস জোট হচ্ছেই, তবে মাঝে মাথা তুলছে অনেক বাধা!

  শেষবার গত 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোট প্রত্যক্ষ করেছেন সাধারণ মানুষ। আর এরপর বহু চেষ্টা করা সত্ত্বেও কোনো নির্বাচনেই রাজ্যে জোট করতে পারেনি হাত এবং কাস্তে-হাতুড়ি শিবির। 2019 এর সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে জোটের কথা ভাবলেও বিভিন্ন আসন নিয়ে জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে সেই লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর

তৃণমূল-বিজেপির হাওয়া একযোগে কেড়ে নিতে উপনির্বাচনের আগেই বাম- কংগ্রেস জোট নিয়ে বড় ভাবনা

এক সময় রাজ্যে লাল পার্টিদের বাড়বাড়ন্ত ছিল চোখে পড়ার মত। কিন্তু 2011 সালে ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই আলিমুদ্দিনের রং যেন খসে পড়তে শুরু করে। রাজ্যের শাসন ক্ষমতায় তৃণমূল আসার পর বামফ্রন্ট বিরোধীদলের আসন দখল করলেও যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, প্রায় সব নির্বাচনেই অস্তিত্ব বিপন্ন হয়েছে তাদের। পরবর্তীতে 2016 সালের তৃণমূল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা

সামনের উপনির্বাচন থেকেই কি বাংলায় জোট করে লড়তে শুরু করলো বাম-কংগ্রেস? বামেদের সিদ্ধান্তে জল্পনা

  সামনেই রাজ্যে তিনটি উপনির্বাচন হতে চলেছে। আর সেই নিয়েই বামেদের সিদ্ধান্ত ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে আগামী বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের সাথে জোট বেঁধে লড়া নিয়ে।তৃণমূলকে হটাতে ২০১৬ বিধানসভা ভোটে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল এককালের দুই প্রতিপক্ষ দল কংগ্রেস-সিপিআইএম। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। ফের ক্ষমতায় এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু লোকসভা ভোটের আগে

রাজ্যে বাম – কংগ্রেস জোট কি আবারও বিশ বাঁও জলে? সিপিএমের পদক্ষেপে বাড়ছে জল্পনা!

গত 2016 সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের সময় জোট বদ্ধ হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছিল কংগ্রেস-বামফ্রন্ট। তবে একদিকে যেমন নীতির প্রশ্নে এই সোনার পাথরবাটি জোটকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা, অন্যদিকে তেমনই জনতার রায়ে মুখ থুবরে পড়তে হয় এই কংগ্রেস-বামফ্রন্ট জোটকে। সেবারের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস-বামফ্রন্ট জোট শুধু যে তৃণমূলের কাছে

পুরসভা নির্বাচন দিয়েই কি একসাথে পথ চলা শুরু বাম-কংগ্রেসের!হেভিওয়েট নেতার মন্তব্যে জল্পনা

শেষ গত 2016 বিধানসভা নির্বাচনে তারা হাতে হাত ধরে লড়াই করেছিল। যার ফল খুব একটা ভালো না হলেও একসাথে লড়াই করলে যে ভবিষ্যতে ভালো জায়গায় যাওয়া যাবে, তা অনুধাবন করতে পেরেছিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট এবং বিধান ভবনের নেতারা। আর সেইমত সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনেও বাংলায় হাতে হাত ধরে লড়াই করে শাসক

Top
error: Content is protected !!