এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "govt"

বড়সড় খেতাব পেলো মমতা সরকার, জেনে নিন

বড়সড় খেতাব পেলো মমতা সরকার ,সদ্য প্রকাশিত ২০১৮ ন্যাশনাল ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে কলকাতাই সবচেয়ে নিরাপদ শহর। জানা যাচ্ছে এই রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরাধের সংখ্যা যেখানে কম তার যে তালিকা রয়েছে তাতে প্রথমে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা। এরপর রয়েছে হায়দরাবাদ, পুনে এবং মুম্বই ও অন্যান্য শহর। তবে সুখবরের পাশাপাশি

সরকারি মেলায় উদ্বোধনে ব্রাত্য সাংসদ, উঠছে প্রশ্ন

  2011 সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় আসার পর জেলায় জেলায় গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক বৈঠক করেন। কিন্তু অনেক জেলাতে বিরোধী দলের বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও, তাদের সেই বৈঠকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ উঠেছিল সেই রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। যার কারণে রাজ্য সরকারের বিমাতৃসুলভ আচারণ তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছিল। কিন্তু লোকসভা ভোটে

এবার সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন কলেজ অধ্যক্ষরা, কেন! জেনে নিন বিস্তারিত!

  দীর্ঘদিন ধরেই এরাজ্যের সরকারের বিরুদ্ধে বেতন নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। বকেয়া বর্ধিত বেতন না পাওয়ার ক্ষোভ আগে থেকেই ছিল কলেজের অধ্যক্ষদের মধ্যে। আর এবার কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংশোধিত বেতনক্রমের আদেশ বেরোনোর পর থেকেই সেই ক্ষোভ আরও বাড়তে শুরু করেছে।   কিন্তু কি আছে সেই আদেশনামায়! জানা গেছে, সেই আদেশনামা

জোট সরকারের শপথ গ্রহণের বিরোধীদের ভিড়, তবে জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী জোটের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন!

শুরুটা হয়েছিল 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে। দ্বিতীয়বারের জন্য মোদি সরকার যাতে কেন্দ্রের ক্ষমতায় না আসে তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সীতারাম ইয়েচুরি, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে সমস্ত নেতা নেত্রীরা চেষ্টা করেছিলেন বিজেপিকে আটকাতে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, বিরোধীদের যে কোনো অনুষ্ঠানে সমবেত

মোদি সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ মধ্যবিত্ত থেকে প্রবীণ নাগরিক, জেনে নিন কারণ!

  2014 হোক বা 2019, দুবার ক্ষমতায় আসার আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ভারতবর্ষের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আচ্ছে দিন আনার বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। কিন্তু বারেবারেই স্বল্প সঞ্চয়ে সুদ কমিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার ফলে দেশের মধ্যবিত্ত থেকে প্রবীণ নাগরিকরা কিছুটা হলেও ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছে কেন্দ্রের

বিজেপিকে তৃণমূল সরকার ফেলে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মমতার মন্ত্রী

  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জোর প্রচার শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মিছিল, মিটিংয়ের মধ্যে দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে ঘাসফুল শিবির। তবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন হওয়ার পর থেকেই যেভাবে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়েছে, তাতে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের হুঁশিয়ারি জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন, রাজ্যে যদি এভাবে

পর্ষদের জন্য সরকার টাকা দিলেও তার সুফল পাচ্ছেন না মন্দিরের পুন্যার্থীরা! ক্ষোভ মহারাজের

  পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য তীর্থস্থানগুলির মধ্যে একটা তারকেশ্বর ধাম। প্রতিবছর বাবা তারকনাথের কাছে লক্ষ লক্ষ মানুষ পুণ্য লাভের জন্য জমায়েত হন। আর এবার সেই তারকেশ্বর উন্নয়ন পর্ষদের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য সরকার টাকা খরচ করলেও, মন্দিরের পুণ্যার্থীরা সুফল পাচ্ছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্বয়ং তারকেশ্বর মঠের মহারাজ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত শনিবার তারকেশ্বর মাঠের

রাজ্যপাল বনাম সরকারের সম্পর্কের তিক্ততা নিয়ে নতুন কৌশল বিজেপির, জোর শোরগোল

  কথায় আছে, বোবার কোনো শত্রু নেই। আর এবার রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সম্পর্কের তিক্ততায় সেই নীরবের ভূমিকাতেই অবতীর্ণ হতে দেখা যাবে ভারতীয় জনতা পার্টিকে। বস্তুত, রাজ্যের সাংবিধানিক পদে শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকারের সাথে বিভিন্ন ইস্যুতে দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করে রাজ্য সরকারের। জিয়াগঞ্জ কান্ড থেকে শুরু করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

মহারাষ্ট্র তুমি কার? ক্ষমতা ভাগাভাগি অংকে এখনও বিশবাঁও জলে সরকার গঠন!

নদীর স্রোতের মতো সময় প্রবহমান। কিন্তু রাজনীতিবিদেরা নাকি বেশিক্ষণ সময় নষ্ট করে না। তবে সরকার গঠন নিয়ে নেতাদের মধ্যে যেভাবে অধীর আগ্রহ অপেক্ষা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রবল জল্পনা তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্র। প্রথম থেকেই ঠিক ছিল, শিবসেনা- বিজেপি জোট মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করবে। কিন্তু মন্ত্রিত্বের ফিফটি-ফিফটি ফর্মুলায় শিবসেনার শর্ত

উদ্ধব ঠাকরেকে মুখ্যমন্ত্রী করে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের ফর্মুলা প্রায় করে ফেলল সেনা- এনসিপি-কংগ্রেস

  কথা ছিল, বিজেপি-শিবসেনাই জোট করে সরকার গঠন করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যেভাবে নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হল, তাতে তা সম্ভব হয়নি। আর এবার মহারাষ্ট্রে অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে তিন রাজনৈতিক দলের বৈঠক তীব্র জল্পনা বাড়িয়ে দিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই শরদ পাওয়ারের দল এনসিপি, কংগ্রেস এবং শিবসেনা এক সঙ্গে বৈঠক সেরে নিয়েছে।

Top
error: Content is protected !!