এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "er ei choray utrai"

অর্জুনকে নিয়ে এতদিন পরে মুখ খুললেন নেত্রী, কি বললেন প্রাক্তন সৈনিককে নিয়ে -জেনে নিন

ভাটপাড়ার বিধায়ককে 'নাম না করে 'গদার' বলে আক্রমণ শানালেন নেত্রী। তৃণমূলে 'গদ্দার 'কথাটির সূচনা হয় সেদিন - যেদিন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে মুকুল রায় যোগ দিয়েছিলেন। তৃণমূলের নেতা নেত্রীরা প্রকাশ্য সভাতে মুকুল রায় এর নাম করে, কখনো নাম না করে 'গদ্দার 'বলেছেন। অভিষেক ব্যানার্জিও প্রকাশ্য সভা থেকে মুকুল রায়কে 'গদ্দার' বলে আখ্যায়িত

ফ্লেক্স-দেওয়াল লিখন এখন অতীত – তৃণমূল-বামফ্রন্ট-বিজেপি সকলেরই ভরসা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার!

এতদিন যে কোনো নির্বাচনেই দেওয়াল লিখন কিংবা পোস্টারের উপর ভরসা করেই জোর প্রচারের পক্ষে সওয়াল করত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো। কিন্তু মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে ততই উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। আর তাই নব্য যুগের এই নব্য প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে নিজেদের দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আবেদন

মাদার-যুবর মান-অভিমান-দ্বন্দ্ব ভুলিয়ে বিজেপিকে হারাতে বড়সড় প্রচেষ্টা শুরু হেভিওয়েট মন্ত্রীর

প্রায়শই তৃণমূলের যুব সংগঠনের সাথে মাদার সংগঠনের লড়াইয়ে সারা রাজ্যের মধ্যে রণক্ষেত্র আকার ধারণ করতে দেখা গিয়েছিল কোচবিহারের দিনহাটাকে। এমনকি যুব বনাম মাদারের এই গন্ডগোল দমাতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বারে বারে কোচবিহারের তৃনমূল নেতাদের সতর্ক করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিন্তু এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজার সাথে

কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ভয় নেই, বিধানসভার “পিছিয়ে থাকার অংক” মেলাতেই বেশি ব্যস্ত অনুব্রত মণ্ডল

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রায় অনেক দিন ধরেই গোটা বীরভূম জেলা জুড়ে বিভিন্ন বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। প্রায় প্রতিটি বুথে গিয়েই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলের পদাধিকারীরা ঠিক কত লিড দিতে পারবেন তা নিয়ে বিভিন্ন কর্মী-সমর্থকদের কাছে জবাব চেয়েছেন মমতা

80 পেরিয়ে গেলেও মথুরাপুরে শাসকদলের ভরসা চৌধুরী মোহন জাটুয়াই, আর তাঁর ভরসা শিবের আশীর্বাদ

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে আশিঊর্ধ্ব মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়াকে এবার তৃণমূল প্রার্থী করবে কিনা তা নিয়ে নানা মহলে জল্পনা চললেও ফের সেই চৌধুরী মোহন জাটুয়ার উপরই ভরসা রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তার নামই ঘোষণা করেন নেত্রী। আর নাম ঘোষণার সাথে সাথেই প্রচারে নেমে

চা বাগানের ভোটব্যাঙ্কেই আলিপুরদুয়ারে বাজিমাত করতে চান তৃণমূল প্রার্থী দশরথ তিরকে

চা বাগানের ভোটব্যাঙ্ককে করায়ত্ত্ব করেই আলিপুরদুয়ারে ফতেহ হাসিল করতে চান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ভূমিপুত্র দশরথ তিরকি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা করায় খুশির জোয়ারে ভাসছেন মাদারিহাটের বান্দাপানি থেকে কুমারগ্রামের সংকোশ চা বাগানের শ্রমিকরা। মহল্লায় ইতিমধ্যে রব উঠতে শুরু করেছে 'রাউরি মনকর দশরথ' অর্থাৎ আমাদের দশরথ। ভোটযুদ্ধের ময়দানে দশরথ

বাবুল সুপ্রিয়কে হারাতে ভরসা মুনমুন সেন, দায়িত্বে দুই হেভিওয়েট মন্ত্রী

লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হতেই গতকাল তড়িঘড়ি করে ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিল তৃণমূল। শিল্পশহর আসানসোলে বাবুল সুপ্রিয়কে টক্কর দিতে তৃণমূলের ভরসা এবার মুনমুন সেন। আগামী ১৭ মার্চ রাজ্যের দুই হেভিওয়েট মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং মলয় ঘটককে সঙ্গে নিয়ে আসানসোলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারে নামছেন মুনমুন সেন। এই প্রচার কর্মসূচিতে কেন্দ্রের সমস্ত

বিজেপির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে সোমবার রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বে

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এই বাংলাকেই পাখির চোখ করেছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকা এই বাংলায় বাড়তি নজর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বারে বারেই বঙ্গ সফর করে গেছেন। এদিকে বাংলা থেকে প্রার্থী হতে চেয়ে একাধিক আবেদনপত্র পৌঁছেছে বঙ্গ বিজেপি সদর দপ্তরে।

এবার অনুব্রত মন্ডলের লোকের বাড়ির পাঁচিল-ছাদ তত্ত্ব নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু জেলার রাজনীতিতে

লোকসভা ভোটের মুখে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে ফের বিতর্কিত মন্তব্যে জড়ালেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মুরারইয়ের কর্মী সম্মেলনে যোগ দিয়ে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেই দিলেন,'কার পাঁচিলে উঠবি না কার ছাদে, আমার দেখার দরকার নাই। আমার লিড চাই।' তবে নির্বাচন কমিশনের কোপ থেকে বাঁচতে এদিন আবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা

কাজ না করেই টাকা! মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথের রোষের মুখে ঠিকাদার সংস্থা

এদিন কোচবিহার এমজেএন স্টেডিয়ামের মাঠ সংস্কারের কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়েই মেজাজ বিগড়ে যায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলে দলীয় কর্মীদের ধমক দিয়ে বসেন মন্ত্রী। তবে সন্তোষজনক কাজ করার জন্যে ১৫ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন তিনি। এবং এই নির্দিষ্ট দিনের মধ্য কাজ সম্পূর্ণ না হলে সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত

Top
error: Content is protected !!