এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "didike blo"

উপনির্বাচনে তৃণমূলের “দিদিকে বলো” কি পারবে বিজেপির উত্থান আটকাতে! জোর শোরগোল

  লোকসভা নির্বাচনে অনেক সিটে তৃণমূলের হারের পেছনে মূল কারণ ছিল, দলীয় নেতাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অভাব এবং নেতৃত্বদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়ার ঘটনা। অর্থ্যাৎ ক্ষমতায় আসার পর তৃনমূল নেতাদের চালচিত্র দেখে এবারের নির্বাচনে ভোটবাক্সে তাদের বিরুদ্ধে মতামত জানিয়েছে সাধারন মানুষ। যার কারণে 42 এ 42 এর স্লোগান তুলে

ভোট বড় বালাই! দিদিকে বলোতে এবার কৃষকের জমির আগাছাও পরিষ্কার করছে তৃণমূল!

  লোকসভা নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে তৃণমূলের রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোর "দিদিকে বলো" কর্মসূচি দেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। যার মাধ্যমে বর্তমানে গোটা তৃণমূল দল এই কর্মসূচিকে নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। আর এবার আলিপুরদুয়ারে এই "দিদিকে বলো" কর্মসূচির পাশাপাশি তৃণমূলের কৃষক সেল কিষান খেতমজুর সংগঠন কৃষকদের

তৃণমূলের ‘দিদিকে বলো’তে দিলীপ ঘোষ – প্রশান্ত কিশোরের স্ট্র্যাটেজিতে ঘুরলো মোর?

তৃণমূলের 'দিদিকে বলো' কর্মসূচিতে হাজির হলেন দিলীপ ঘোষ আর এই খবর সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গেছিল রাজনৈতিক মহলে ।হ্যাঁ ঠিকই পড়েছেন দিলীপ ঘোষ, তবে পরে জানা যায় তিনি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ নন, তিনি হলেন তৃণমূলের অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য তথা ঝাড়গাম জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য দিলীপ ঘোষ। জানা

BIG BREAKING –মমতার বাড়িতে শোভন-বৈশাখী, ফিরছেন কি তৃণমূলে জোর জল্পনা

দল ছেড়েছেন অনেক দিন তবুও দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে দেননি। আজ ভাইফোঁটা আর আজকেই বিশেষ বান্ধবী বৈশাখী বান্দ্যোপাধ্যাকে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির দিদির প্রিয়ভাই কানন। যা নিয়েই ঝড় রাজনৈতিকমহলে। শোভনের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর, ভাইফোঁটা উপলক্ষেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এ দিন গিয়েছেন তাঁরা।প্রতি বছরই ভাইফোঁটার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দিদিকে বলোতে মিলছে সুফল, বিজেপিকে আটকাতে “বিশেষ” রনকৌশল জেলা নেতৃত্বকে পাঠাচ্ছে তৃণমূল?

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল 42 এ 42 এর স্লোগান দিলেও বিজেপির চাপে তাদের 22 টি আসন দখল করেই থমকে যেতে হয়েছে। অন্যদিকে যে রাজ্যে বিজেপির বাতি টিমটিম করে জ্বলত, সেখান 2 থেকে বাড়িয়ে বিজেপি তাদের আসন সংখ্যা 18 করে নিয়েছে। আর দলের এই খারাপ ফলাফল হল কেন, তার কারণ খুঁজতে গিয়ে তৃণমূল

আস্থা নেই সরকার বা দিদিকে বলোতে? হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার পদক্ষেপ ঘিরে তীব্র জল্পনা

লোকসভা নির্বাচনে ফলাফল অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় জনসংযোগে যথেষ্ট ত্রুটি রয়েছে অনুধাবন করে একাধিক জনসংযোগ মূলক কর্মসূচি নিতে দেখা যায় তৃনমূল কংগ্রেসকে। "দিদিকে বলো" প্রকল্প করে যেমন তৃণমূলের নেতা থেকে জনপ্রতিনিধিদের মানুষের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে তাদের অভাব, অভিযোগ শুনতে চাইছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী নিজে, ঠিক তেমনই গ্রিভান্স সেলের মাধ্যমেও মানুষের অভিযোগ লিপিবদ্ধ

আগে নিজেদের সমস্যা মেটান, তারপর আমাদের মেটাবেন! দিদিকে বলোর প্রচারে গিয়ে ক্ষোভের মুখে নেতারা

লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর দলকে জনসংযোগে পাঠাতে প্রশান্ত কিশোরের পরিকল্পনা মাফিক "দিদিকে বলো" প্রকল্প চালু করেছিল তৃণমূল। যে প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে কিছু কিছু নেতাদের দায়িত্ব দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শোনার চেষ্টা করেছিল ঘাসফুল শিবির। কিন্তু সাধারণ মানুষের অন্যান্য অভাব অভিযোগ অপেক্ষা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলই যে সাধারণ মানুষকে আরও

দিদিকে বলো নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব দুই দাপুটে তৃণমূল নেতার! মাথার উপর শাস্তির খাড়া?

সদ্য তৃণমূলের রাজ্য দপ্তরে জনসংযোগ কর্মসূচি হিসেবে "দিদিকে বলোর" দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা পর্ব শেষ হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, যে জায়গায় যে নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা সকলকে নিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু জনসংযোগ কর্মসূচিতেও যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল বজায় থাকবে, তা তৃণমূলের ভাবনার মধ্যে

“দিদিকে বলো” সফল না অসফল? উত্তরের আগেই বিজেপিকে আটকাতে ফের নয়া কর্মসূচি হাজির তৃণমূলের

2011 সালে ক্ষমতায় আসার আগে জনসংযোগকে হাতিয়ার করে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত গড়ে তুলেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ফল হিসেবেই সেই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যে দিয়ে 2011 সালের 20 শে মে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতা দখলের পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতার স্বাদ

নারদা-সারদা, মুখ্যমন্ত্রী ও মুকুল রায় নিয়ে বিস্ফোরক শতাব্দী রায়

রাজ্যের বর্তমান সরকারের নামে একাধিকবার অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। একদিকে যেমন সারদা কেলেঙ্কারির জেরে মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে পদাতিক শ্রেণীর তৃণমূল নেতা পর্যন্ত জর্জরিত হয়ে পড়েছে গোটা দলটাই, অন্যদিকে তেমনই নারদাখ্যাত ম্যাথু স্যামুয়েলের স্টিং অপারেশনের জেরে একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রী, সাংসদ থেকে শুরু করে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতারা পর্যন্ত জড়িয়ে পড়েছেন। কিন্তু

Top
error: Content is protected !!