এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "didike blo"

আগে নিজেদের সমস্যা মেটান, তারপর আমাদের মেটাবেন! দিদিকে বলোর প্রচারে গিয়ে ক্ষোভের মুখে নেতারা

লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর দলকে জনসংযোগে পাঠাতে প্রশান্ত কিশোরের পরিকল্পনা মাফিক "দিদিকে বলো" প্রকল্প চালু করেছিল তৃণমূল। যে প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে কিছু কিছু নেতাদের দায়িত্ব দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শোনার চেষ্টা করেছিল ঘাসফুল শিবির। কিন্তু সাধারণ মানুষের অন্যান্য অভাব অভিযোগ অপেক্ষা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলই যে সাধারণ মানুষকে আরও

দিদিকে বলো নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব দুই দাপুটে তৃণমূল নেতার! মাথার উপর শাস্তির খাড়া?

সদ্য তৃণমূলের রাজ্য দপ্তরে জনসংযোগ কর্মসূচি হিসেবে "দিদিকে বলোর" দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা পর্ব শেষ হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, যে জায়গায় যে নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা সকলকে নিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু জনসংযোগ কর্মসূচিতেও যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল বজায় থাকবে, তা তৃণমূলের ভাবনার মধ্যে

“দিদিকে বলো” সফল না অসফল? উত্তরের আগেই বিজেপিকে আটকাতে ফের নয়া কর্মসূচি হাজির তৃণমূলের

2011 সালে ক্ষমতায় আসার আগে জনসংযোগকে হাতিয়ার করে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত গড়ে তুলেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ফল হিসেবেই সেই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যে দিয়ে 2011 সালের 20 শে মে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতা দখলের পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতার স্বাদ

নারদা-সারদা, মুখ্যমন্ত্রী ও মুকুল রায় নিয়ে বিস্ফোরক শতাব্দী রায়

রাজ্যের বর্তমান সরকারের নামে একাধিকবার অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। একদিকে যেমন সারদা কেলেঙ্কারির জেরে মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে পদাতিক শ্রেণীর তৃণমূল নেতা পর্যন্ত জর্জরিত হয়ে পড়েছে গোটা দলটাই, অন্যদিকে তেমনই নারদাখ্যাত ম্যাথু স্যামুয়েলের স্টিং অপারেশনের জেরে একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রী, সাংসদ থেকে শুরু করে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতারা পর্যন্ত জড়িয়ে পড়েছেন। কিন্তু

রাজীব কুমারকে নিয়ে “দিদিকে বলো”তে পোস্ট -ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়,

অনেকদিন ধরেই কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে এই রাজ্যে। বর্তমানে রাজীব কুমারকে নিজেদের বাগে নেওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিরোধীদের অভিযোগ, আসলে এই রাজীব কুমার হলেন তৃণমূলের প্রাণভোমরা। তাকে সিবিআই গ্রেপ্তার করলেই তৃণমূলের আসল দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে। আর তাতেই বিপাকে পড়বে রাজ্যের

দিদিকে বল কর্মসূচির সাফল্য নিয়ে ধন্দে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা – জানুন বিস্তারিত

তৃণমূল দলকে দুর্নীতির আঁতুরঘর বলে বর্ণনা করেছে বিজেপি। একের পর এক অভিযোগে রীতিমত কোণঠাসা তৃণমূল। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত তার ওপর আছে গোষ্ঠীদ্বন্দ। যা কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ হচ্ছেনা, তৃণমূল সুপ্রিমোর সাবধানবাণীও সেক্ষেত্রে কোন ফল দিচ্ছেনা। ঘটনার প্রমাণ আরো একবার পাওয়া গেল উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়কের গলায়। এদিন উত্তর পাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল

দিদিকে বল কর্মসূচিতে দেখা নেই অভিষেকের কেন্দ্রের হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়কের! জোর গুঞ্জন শাসক দলে – জেনে নিন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই পায়ের তলার জমি শক্ত করতে শাসকদল শুরু করেছে পিকে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দিদিকে বল জনসংযোগ কর্মসূচি। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় জেলায় কার্যকর করা হচ্ছে এই কর্মসূচি। রাজ্যের মন্ত্রী থেকে স্থানীয় নেতা প্রত্যেকেই পথে নেমে জনসংযোগ করছেন। তবে এদিন 'দিদিকে বল' কর্মসূচি নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হল তৃণমূল শাসক দলেরই

দিদিকে বলোতে অভিযোগের ভিত্তিতে এবার সিপিএমের পার্টি অফিস উদ্ধারে চললেন হেভিওয়েট তৃণমূল মন্ত্রী

গত 2011 সালে রাজ্যে পরিবর্তনের পরেই সিপিএমের অনেক পার্টি অফিস তৃণমূল দখল করেছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তবে এবার সেই সমস্যার সমাধান করতে দেখা গেল খোদ তৃনমূল বিধায়কককেই। বস্তুত, লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ধাক্কা খাওয়ার পরই দিদিকে বলো প্রকল্প গড়ে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ সমস্ত কিছু জমা হচ্ছে তৃণমূল নেত্রীর দরবারে। আর

দিদিকে বলোতে অভিযোগের ভিত্তিতে এবার সিপিএমের পার্টি অফিস উদ্ধারে চললেন হেভিওয়েট তৃণমূল মন্ত্রী

গত 2011 সালে রাজ্যে পরিবর্তনের পরেই সিপিএমের অনেক পার্টি অফিস তৃণমূল দখল করেছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তবে এবার সেই সমস্যার সমাধান করতে দেখা গেল খোদ তৃনমূল বিধায়কককেই। বস্তুত, লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ধাক্কা খাওয়ার পরই দিদিকে বলো প্রকল্প গড়ে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ সমস্ত কিছু জমা হচ্ছে তৃণমূল নেত্রীর দরবারে। আর

কর্মসূচির ভারে দলের সাথে যুক্ত বলতে নেতাদের অস্বীকার থেকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, জেরবার তৃণমূল

প্রভাব বাড়িয়ে তাদের সমানে সামনে চলছে বিজেপি এই রাজ্যে একথা লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল নেতৃত্ব কিছুতেই মানতে চাননি। দেখেও না দেখার ভান করেছেন শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে দলীয় কর্মীরা। কিন্তু লোকসভা ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে রাজ্যে তাদের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। আর তারপরেই নড়েচড়ে বসেছে তৃণমূল নেতৃত্ব আর ফের

Top
error: Content is protected !!