এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "cpim"

এবার সিপিএমকে লোক দিয়ে সাহায্য করতে চান দাপুটে তৃণমূল নেতা! চূড়ান্ত বিভ্রান্ত দলীয় কর্মীরা

  অনেকে বলেন, তৃণমূলের গঠনটাই হয়েছিল বাম বিরোধিতার মধ্যে দিয়ে। 2011 সালের আগে রাজ্যের তৎকালীন শাসক দল বাম সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল তারা। পরবর্তীতে 13 মে ঐতিহাসিক রায়ের পর 21 মে 2011, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে প্রায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিগত বাম সরকারের বিরুদ্ধে

জল্পনা বাড়িয়ে এক মঞ্চে হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ! জানুন বিস্তারিত

  লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থান দেখার পরই বাংলায় সকল দলকে এক হওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের শত্রু হিসেবে পরিচিত বামফ্রন্টকেও পাশে পাওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল তৃণমূলের সর্বাধিনায়িকার গলায়। রাজনৈতিক মহলের তরফে এই বিষয়টি তুলে ধরে কেউ কেউ তাঁর চরম নিন্দাও করেছিলেন। তবে বাম এবং কংগ্রেস বরাবরই

দলের নতুন রাজ্য কমিটি নিয়ে বড়সড় “বিস্ফোরণের” অপেক্ষায় সিপিএম? জানুন বিস্তারিত

  সম্প্রতি সংগঠনের হাল-হকিকত ফেরাতে নবীনতন্ত্রের উপর গুরুত্ব দিয়েছে মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টি। বৃদ্ধতন্ত্রকে সরিয়ে তরুণ-যুবকদের দলে ঠাঁই দিলে যে অনেকটাই উপকার হবে, তা উপলব্ধি করতে শুরু করেছে সিপিএম। কিন্তু সংগঠনের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সিপিএমের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও দলের সর্ববৃহৎ গণসংগঠন কৃষক সভা থেকে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে ঠাই না হওয়াকে

 উলটপুরান, নির্বাচনে বিজেপির ফল খারাপ হতেই দল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ শুরু, ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বাম শিবির

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। আর একদম শেষের সারিতে চলে গেছে একদা বাংলার শাসন ক্ষমতায় থাকা বামফ্রন্ট। এবারের নির্বাচনে একটি আসনও নিজেদের দখলে রাখতে পারেনি তারা। তবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট উঁকিঝুঁকি মারলেই শুনতে পাওয়া যায়, বিজেপি তাদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়ালেও আদতে লাভ হবে

নিষ্ক্রিয় ও অদক্ষ নেতাকর্মীদের ছেঁটে ফেলার কাজ শুরু দলে, জোর জল্পনা রাজ্যজুড়ে

অনেকদিন ধরেই আলিমুদ্দিনের অভ্যন্তরে দাবি উঠেছিল, ভালো ফল করতে গেলে বৃদ্ধতন্ত্রকে সরিয়ে নবীনতন্ত্রকে আনতে হবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে চুল পাকানো আলিমুদ্দিনের ম্যানেজারদের পদ থেকে সরে যাওয়া নিয়ে দ্বিধাবোধই হোক, বা নতুনদের সংগঠনে না আসাই হোক, যে কোনো একটা কারণে যত দিন যাচ্ছিল, ততই যেন ভেঙে পড়তে শুরু করেছিল রাজ্যের একদা ক্ষমতাসীন

নিজের গড়ে শব্দবাজি ফাটিয়ে এবার সিপিএমের হাতে বেধড়ক মার খেলেন তৃণমূল প্রধান!

রাজ্যে এখন প্রায় যতগুলো ঘটনাই ঘটে থাকে, আর সেগুলো যদি রাজনৈতিক ঘটনা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে সংঘর্ষ জড়াতে দেখা যায় শাসক দল তৃণমূল এবং বিরোধী দল বিজেপিকে। সেদিক থেকে একদা রাজ্যের দোর্দণ্ডপ্রতাপ শক্তিশালী দল বলে পরিচিত বামফ্রন্টকে সেভাবে আর খবরের শিরোনামে উঠে আসতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার শব্দ বাজি ফাটানোর

নবান্নে ছুটলেন সিপিআইএম নেতা, মন্ত্রীর সাথে বৈঠক-জোট না যোগদান, তোলপাড় রাজনৈতিকমহল

সিপিএম কে সরিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। তৎকালীন তৃণমূলের সঙ্গে সিপিআইএমের সম্পর্ক ছিল সাপে-নেউলে যা 2016 বিধানসভা ভোটের সময় পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। কিন্তু এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। রাজ্যে ক্রমশ বিজেপির উত্থান হয়েছে আর যার জেরে বর্তমানে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলে পরিণত হয়েছে বিজেপি। লোকসভা ভোটের পর চিত্রটা

বিজেপিকে নিয়ে এবার বড়সড় দ্বন্দ্বে নামল তৃণমূল- সিপিআইএম, শুরু একে অপরকে তীক্ষ্ণ আক্রমণ

বঙ্গ রাজনীতিতে এখন বিজেপি যেন সকলের মধ্যমণি হয়ে গিয়েছে। শাসকদল তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হচ্ছে, সিপিএমের জন্যই রাজ্যে বিজেপির এই বাড়বাড়ন্ত। অন্যদিকে একই ভাবে বামেদের তরফে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে আক্রমন করা হচ্ছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণনীতির কারণেই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তি বিজেপির এই উত্থান ঘটেছে। আর বিজেপিকে মাঝখানে রেখে তৃণমূল বনাম

বাড়ছে বিজেপির চাপ! বামফ্রন্টের দখল করা বামফ্রন্টের দখল করা পার্টি অফিস ফেরাতে মরিয়া হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়ক

কথায় আছে, শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু। বঙ্গ রাজনীতিতে লোকসভা নির্বাচনের পরে বিজেপির প্রভাব বাড়তে শুরু করলে এককালে তৃণমূলের প্রধান শত্রু হিসেবে পরিচিত সিপিএমই যেন এখন তাদের বন্ধু হতে শুরু করল। সূত্রের খবর, এবার সিপিএমের পার্টি অফিসের চা খেয়ে "দিদিকে বলো" ফোন নম্বরের কার্ড বিলির পর সিপিএমের দখল করা পার্টি অফিস

 তৃণমূলের শক্তি কমছে, আতঙ্কিত উনি দিল্লি ছুটছেন, লড়াই করতে পারবেন না: বামফ্রন্টের বিশ্লেষণ

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চিরকালের চিরন্তন দুই প্রতিপক্ষ তৃণমূল ও সিপিএম হলেও সম্প্রতি রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণ অনেকটাই পাল্টে গেছে। একদিকে যেমন 35 বছরের বামফ্রন্টের রাজত্ব ধ্বংস করে বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরদিকে তেমনই বিরোধী আসন থেকেও বামফ্রন্টকে অনেকটা পিছিয়ে দিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠেছে

Top
error: Content is protected !!