এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "cpim"

কলকাতার রাজপথে মোদি গো ব্যাক প্ল্যাকার্ড হাতে ডাক্তার দেখাতে আসা বাংলাদেশি, শোরগোল রাজনৈতিকমহলে

কলকাতায় দুদিনের সফরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাম কংগ্রেসের তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রীকে বিক্ষোভ দেখানো হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে। সেই মতো কলকাতায় বিক্ষোভ কর্মসূচিও নেওয়া হয় বাম ও কংগ্রেসের তরফ থেকে। কলকাতা সফরের দ্বিতীয় ও অন্তিম দিনেও কলকাতায় মোদী-বিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত| সকালে কলকাতা বন্দরের অনুষ্ঠানে নেতাজী ইন্ডোর

বুধবারের বনধ নিয়ে সিপিএম এবং বিজেপির অভিযোগ মমতার দিকে, জোড়া ফাপড়ে তৃণমূল!

  কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বনধ। তাই প্রথম থেকেই এই বনধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থন করবেন বলে আশা করতে দেখা গিয়েছিল বাম কংগ্রেসের মতো দলগুলোকে। তবে তারা ভালই জানত, 2011 সাল থেকে ক্ষমতায় আসা তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে বন্ধের বিরোধিতা করেছে, তাতে তারা কেউ সমর্থন করবে না। আর শেষ পর্যন্ত তৃণমূল বনধকে সমর্থন না করার কথা

সিপিএমের সভায় বক্তা হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা, জোর গুঞ্জন রাজ্যে!

  নিজের জীবদ্দশায় তৃণমূলকে কখনও এমন দিন দেখতে হবে, তা আঁচ করতে পারেনি কেউই। কিন্তু নাগরিকত্ব সংশোধনী বিরোধী ইস্যুতে বাংলায় যে ঘটনাটি ঘটে গেল, তা নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 2011 সালের আগে বাম বিরোধিতার মধ্যে দিয়েই নিজেদের ক্ষমতার পথ প্রশস্ত করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা

কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধী আন্দোলনে দলের সংগঠন কতটা সক্রিয়! ময়দানে বাম নেতৃত্ব

  2011 সালে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকেই সিপিএমের করুণ দশা শুরু হয়েছে। যতগুলো নির্বাচন এসেছে, তার প্রায় সবক'টিতেই কার্যত পর্যুদস্ত হতে হয়েছে বাম শিবিরকে। তবে বর্তমানে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রীয় শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই জারি রেখেছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা যেভাবে অতীতে লড়াই করত, সেভাবে

বড়সড় যোগদান বিজেপিতে, জেনে নিন বিস্তারিত

  লোকসভা নির্বাচনে বামেদের ভোটব্যাঙ্ক তলানিতে ঠেকেছিল। যা দেখে অনেকে বলেছিল, বামেদের সম্পূর্ণ ভোট বিজেপিতে যাওয়ার কারণেই বিজেপি বাংলা থেকে 18 টি আসন দখল করেছে। তবে এনিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও এবং লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে অনেক দলবদল হলেও, সেভাবে সিপিএমের হেভিওয়েট নেতাদের দল বদল করতে দেখা যায়নি। তৃণমূল থেকে রাজ্য স্তরের

রাজ্যের দুই হেভিওয়েট নেতা-সাংসদের তরজায় উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া! জোর চাঞ্চল্য

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হবার পর থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠন বিদ্রোহ ঘোষণা করতে শুরু করেছে। সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন মঞ্চে দেবস্মিতা চৌধুরী নামে এক ছাত্রী নিজের ডিগ্রি নেওয়ার পর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিলিপি ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানান। যা নিয়ে তোলপাড় হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। জানা যায়, এই ঘটনার নিন্দা করে সম্প্রতি

বেজে গেল কি পৌরসভার দামামা? জেনে নিন বিস্তারিত

  ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশকিছু পৌরসভার মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে। আর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া পৌরসভাগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রশাসক। যা নিয়ে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অবিলম্বে পৌরসভা নির্বাচনের দাবিও জানানো হচ্ছে। এবার রাজ্যের বিভিন্ন পৌরসভার নির্বাচনের ব্যাপারে পাওয়া

এবার সিপিএমকে লোক দিয়ে সাহায্য করতে চান দাপুটে তৃণমূল নেতা! চূড়ান্ত বিভ্রান্ত দলীয় কর্মীরা

  অনেকে বলেন, তৃণমূলের গঠনটাই হয়েছিল বাম বিরোধিতার মধ্যে দিয়ে। 2011 সালের আগে রাজ্যের তৎকালীন শাসক দল বাম সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল তারা। পরবর্তীতে 13 মে ঐতিহাসিক রায়ের পর 21 মে 2011, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে প্রায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিগত বাম সরকারের বিরুদ্ধে

জল্পনা বাড়িয়ে এক মঞ্চে হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ! জানুন বিস্তারিত

  লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থান দেখার পরই বাংলায় সকল দলকে এক হওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের শত্রু হিসেবে পরিচিত বামফ্রন্টকেও পাশে পাওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল তৃণমূলের সর্বাধিনায়িকার গলায়। রাজনৈতিক মহলের তরফে এই বিষয়টি তুলে ধরে কেউ কেউ তাঁর চরম নিন্দাও করেছিলেন। তবে বাম এবং কংগ্রেস বরাবরই

দলের নতুন রাজ্য কমিটি নিয়ে বড়সড় “বিস্ফোরণের” অপেক্ষায় সিপিএম? জানুন বিস্তারিত

  সম্প্রতি সংগঠনের হাল-হকিকত ফেরাতে নবীনতন্ত্রের উপর গুরুত্ব দিয়েছে মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টি। বৃদ্ধতন্ত্রকে সরিয়ে তরুণ-যুবকদের দলে ঠাঁই দিলে যে অনেকটাই উপকার হবে, তা উপলব্ধি করতে শুরু করেছে সিপিএম। কিন্তু সংগঠনের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সিপিএমের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও দলের সর্ববৃহৎ গণসংগঠন কৃষক সভা থেকে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে ঠাই না হওয়াকে

Top
error: Content is protected !!