এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "councilor"

ভোটে না দাঁড়াতে পারা, 31 টি পৌরসভার চেয়ারম্যানকে নিয়ে নয়া ভাবনায় মমতা

  পৌরসভা ভোট নিয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অন্দরেই এতদিন প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু ভোটের আগে ওয়ার্ড সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার আগেই যেন সেই প্রস্তুতি কিছুটা হলেও থিতিয়ে পড়েছে। কেননা ওয়ার্ড সংরক্ষণের তালিকায় সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এক্ষেত্রে দেখা গেছে, রাজ্যের অনেক পৌরসভায় তৃণমূলের চেয়ারম্যান,

তৃণমূলের 10 হেভিওয়েট নেতার বিপদসংকুল অবস্থা! গুঞ্জন তুঙ্গে

  এতদিন পৌরসভা নির্বাচনে কিভাবে জেতা যাবে, তা নিয়ে চিন্তা ছিল তৃণমূলের। আর এবার পৌরসভা নির্বাচনের একধাপ পর্ব এগোতেই সেই চিন্তা প্রবল পরিমাণে বৃদ্ধি পেল। তবে এবার জয় নিয়ে আর চিন্তা নেই। এবার চিন্তা টিকিট পাওয়া নিয়ে। আর সেই চিন্তাতেই পড়তে দেখা গেল হুগলির শাসক দলের হেভিওয়েট দশজন নেতা-নেত্রীকে। প্রসঙ্গত, হুগলি

শিয়রে পুরভোট, তৃণমূলী কাউন্সিলরদের কোন্দলে ঘুম ছুটছে পিকের

কদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতাদেরকে রাজ্য নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল, বছরের শুরুতেই পৌরসভা ভোট এবং বছরের শেষে বিধানসভা ভোট ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। কিন্তু মালদা জেলার দলীয় নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এখন তৃণমূলের সেই ভোট প্রস্তুতি দুরস্ত বলেই দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি গত মঙ্গলবার মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার বোর্ড মিটিং ভেস্তে

সামান্য মেলা-উৎসব নিয়েও এখন আড়াআড়ি বিভক্ত তৃণমূল! অস্বস্তি ক্রমশ প্রকট শাসকদলে

  ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলার মানুষকে উৎসবের মধ্য দিয়ে আনন্দ দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শীতকালে বিভিন্ন উৎসবের মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আনন্দানের চেষ্টা করেছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সেই উৎসব পালনে কোনোরূপ কার্পন্য করা না হলেও শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল এবার সেই উৎসবে দ্বিধাবিভক্ত ভাবই সামনে চলে

দলীয় কর্মী খুনে ফুঁসছে বিজেপি! তৃণমূল কাউন্সিলরের বাইকই পুড়িয়ে দিল প্রতিবাদে!

  প্রায় তিন দিন পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও বিজেপি কর্মী আমির আলি খানের খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে আরামবাগ। বস্তুত, গত রবিবার সকালে আরামবাগের কালিপুর চৌমাথায় আমীর আলি খান নামে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করা হয়। যার পর থেকেই এলাকা থমথমে হয়ে রয়েছে। আর এই খুনের ঘটনার পর থেকেই বিজেপির

ভাইস চেয়ারম্যানের “টোপ” দিয়ে আটকে রাখা কাউন্সিলররা কি এবার “অন্য” পদক্ষেপ নেবেন? জল্পনা চরমে

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি বিপ্লব মিত্র বিজেপিতে যোগদান করার পর থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় যেন ঘোরালো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রথমে গঙ্গারামপুর পৌরসভা নিয়ে শুরু হওয়া জটিলতা এখন আবার চাগাড় দিতে শুরু করেছে। বিপ্লববাবু বিজেপিতে যোগদান করার পরই জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী অর্পিতা ঘোষ সেই বিপ্লব মিত্রের ভাই প্রশান্ত মিত্রকে

পুজোর মধ্যেই ধর্না নাটকের শাসক দলকে ব্যতিব্যস্ত করে তুললেন দলীয় বিধায়ক-কাউন্সিলর!

এমনি সময় প্রায় বিভিন্ন জায়গাতেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু পুজোর সময় যেখানে সৌজন্যের বাতাবরণের মধ্যে দিয়ে শারদ উৎসব পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী, সেখানে তা না করে ফের শাসকদলের কোন্দলের ছাপ পড়ল সেই দুর্গাপুজোতেও। মহা ষষ্ঠীর দিনে মায়ের বোধনে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে

কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না “বিদ্রোহী” কাউন্সিলরদের, বেজায় চটেছে তৃনমূলের রাজ্য নেতৃত্ব

বাম আমলেও দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল পশ্চিমবাংলার উত্তরের মালদা জেলা। গৌড়বঙ্গে কোনদিনই কাস্তে- হাতুড়ি-তারা সেই ভাবে তাদের প্রতিপত্তি বিস্তার করতে পারেনি। পরবর্তীতে পশ্চিমবাংলার পরিবর্তনের কান্ডারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার ডাক দিলেও মালদা জেলা কিন্তু কংগ্রেসীদেরই রয়ে গেছিল। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনের আগের থেকে দল ভাঙিয়ে জেলা পরিষদ দখল থেকে

মিড ডে মিল পরিদর্শনে বিস্ফোরক তথ্য! খোদ তৃনমূল কাউন্সিলারের স্কুলেই একাধিক অনিয়ম!

সম্প্রতি রাজ্যের একটি স্কুলে মিড ডে মিলে নুন ভাত দেওয়ার ঘটনায় তীব্র আলোড়ন পড়ে যায়। আর তারপরই সরকারের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কিন্তু এবার মিড ডে মিলের বিতর্কের মাঝেই ফের আরও এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আসতে শুরু করল। জানা যায়, বিভিন্ন এলাকার কাউন্সিলররা স্কুলের শিক্ষিকা হওয়া সত্ত্বেও খড়্গপুরের

কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে এবার গণপিটুনির শিকার তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার ভাই, জোর চাঞ্চল্য

"জনতার মার কেওড়াতলা পার" - এই শব্দটা অনেক ক্ষেত্রেই নানা সিনেমার দৌলতে আমরা শুনেছি। কিন্তু কখনও তা পরখ করা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু এবার কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে সেই জনতার হাতে বেধড়ক মার খেতে হল তৃণমূল নেতার ভাইকে। বস্তুত, লোকসভা নির্বাচনে দলের খারাপ ফলাফল হওয়ার পরই দুর্নীতিই যে এই খারাপ ফলাফলের পেছনে

Top
error: Content is protected !!