এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "councilor"

মিড ডে মিল পরিদর্শনে বিস্ফোরক তথ্য! খোদ তৃনমূল কাউন্সিলারের স্কুলেই একাধিক অনিয়ম!

সম্প্রতি রাজ্যের একটি স্কুলে মিড ডে মিলে নুন ভাত দেওয়ার ঘটনায় তীব্র আলোড়ন পড়ে যায়। আর তারপরই সরকারের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কিন্তু এবার মিড ডে মিলের বিতর্কের মাঝেই ফের আরও এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আসতে শুরু করল। জানা যায়, বিভিন্ন এলাকার কাউন্সিলররা স্কুলের শিক্ষিকা হওয়া সত্ত্বেও খড়্গপুরের

কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে এবার গণপিটুনির শিকার তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার ভাই, জোর চাঞ্চল্য

"জনতার মার কেওড়াতলা পার" - এই শব্দটা অনেক ক্ষেত্রেই নানা সিনেমার দৌলতে আমরা শুনেছি। কিন্তু কখনও তা পরখ করা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু এবার কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে সেই জনতার হাতে বেধড়ক মার খেতে হল তৃণমূল নেতার ভাইকে। বস্তুত, লোকসভা নির্বাচনে দলের খারাপ ফলাফল হওয়ার পরই দুর্নীতিই যে এই খারাপ ফলাফলের পেছনে

বিজেপি কাউন্সিলর হয়ে তৃণমূলকে সমর্থন, কড়া পদক্ষেপের পথে গেরুয়া শিবির

এ যেন প্রবল সংকটে গেরুয়া শিবির। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবার ফের আরেক নতুন জটিলতা সামনে এল। বস্তুত, লোকসভা নির্বাচনের সময় তৎকালীন তৃণমূলের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন গঙ্গারামপুর পৌরসভার কাউন্সিলর অশোক বর্ধন। তবে নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে সেই বিপ্লব মিত্র বিজেপিতে যোগদানের

দলীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এবার এই পৌরসভায়, প্রবল অস্বস্তিতে শাসক দল

লোকসভা নির্বাচনে সারারাজ্যে তৃনমূলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পেছনে সেই দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রধানভাবে দায়ী ছিল। যা নিয়ে সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রোধ করতে একাধিকবার কড়া দাওয়াই দিতেও দেখা গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রীকে। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের অনেক আসনেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই দলের প্রার্থীকে হেরে যেতে হয়েছে। যা পরবর্তীতে ফলাফল পর্যালোচনা বৈঠকে

প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রণ পেলেন না দলীয় কাউন্সিলররা, জোর গুঞ্জন

2011 সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই সাধারণ মানুষের কাছে যাতে প্রশাসন পৌঁছে যায় তার জন্য জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তার দলের জনপ্রতিনিধিদের ডাকা হলেও বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ডাকা হয় না বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ করতে দেখা যেত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে। কিন্তু এবার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে বিধাননগর

বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে খুনের হুমকি পোস্টার,অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে- জোর চাঞ্চল্য

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। বিজেপির অভিযোগ, ভোটে সাফল্য না মেলাতেই বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর প্রতিহিংসাপরায়ণ ভাবে আক্রমণ করছে শাসক দল। তবে বরাবরই শাসকের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। কিন্তু বিতর্ক কমছে না কিছুতেই। এবার বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে খুনের হুমকির

ঘর ওয়াপসি নিয়ে নতুন তত্ব সামনে আনলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি! জেনে নিন

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যে তৃণমূলের হাওয়া ফিকে হতে শুরু করেছে। ফুটে উঠতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবিরের দাপট। একের পর এক বিধানসভার বিধায়ক, বিভিন্ন পৌরসভার কাউন্সিলরদের বিজেপিতে যোগদান তীব্র অস্বস্তি বাড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। শুরুটা হয়েছিল তৃণমূলত্যাগী বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের গড় কাঁচরাপাড়া, হালিশহর থেকে। আর এই দুই পৌরসভার একাধিক তৃণমূল

এবার তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা কি যাচ্ছেন বিজেপিতে, জল্পনা বাড়তেই আটকাতে আসরে মন্ত্রী

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খারাপ ফলাফল হওয়ার পরই দলের একাংশ বিদ্রোহ ঘোষণা করতে থাকে। দুর্নীতি, স্বজনপোষনের জন্যই এবারে দলের এই ভরাডুবি বলে সোচ্চার হন অনেক পুরনো তৃণমূল কর্মীরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায় যে, দল যখন ক্ষমতায় আসেনি, সেই সময় দলের হাল ধরা অনেক নেতা বিজেপির মুকুল রায়ের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে

আদালতের সবুজ সংকেত, তাহলে কি এবার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা কাউন্সিলরদের! জেনে নিন

দীর্ঘদিন ধরেই বনগাঁ পৌরসভায় চেয়ারম্যান বনাম কাউন্সিলরদের দ্বন্দ্ব চলছিল। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে এই বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রটি দখল করে বিজেপি। আর বনগাঁ পৌর এলাকায় তৃণমূল বিজেপির থেকে প্রায় কুড়ি হাজার ভোটে পিছিয়ে পড়ে। আর এরপরই বনগাঁ পৌরসভার তৃণমূলের কাউন্সিলররা চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাকে সরানোর জন্য সরব হন। শুধু

বিজেপি ছেড়ে ফের ঘরে ফিরেই দায়িত্ব কাঁধে তুলল কাউন্সিলররা, তাও পুরসভা নিয়ে বড়সড় দাবি মুকুল পুত্রের

এক সময় বঙ্গ রাজনীতির নজর কেড়েছিল সিঙ্গুর এবং নন্দীগ্রাম। কৃষিজমি বনাম শিল্পের দ্বন্দ্বে তখন উত্তাল বঙ্গসমাজ। রাজনীতির আনাচে-কানাচে কিংবা সুশীল সমাজের মধ্যে তখন ন্যায়-অন্যায়ের চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। আর এই সব কিছুর মধ্যেই সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন তদানীন্তন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী সেইসময় নির্ভীকভাবে কৃষকদের পাশে

Top
error: Content is protected !!