এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "cm"

আদিবাসী মনে এখনও যে তৃণমূল ফিরে আসেনি, মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই আবার প্রমাণ হয়ে গেল!

  বিরোধীনেত্রী থাকার সময় জঙ্গলমহলের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে দিনরাত এক করে থেকে সেখানকার মানুষের মন জয় করেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ক্ষমতায় আসার পর সেই আদিবাসীদের সমর্থন তৃনমূল কংগ্রেসের পাশে থাকলেও যতদিন গিয়েছে, ততই যেন সেই সমর্থন কমতে শুরু করেছে। লোকসভায় যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ দেখতে পেয়েছেন সকলেই। জঙ্গলমহলে আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে

মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় থাকছেন না একাধিক হেভিওয়েট! ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

  ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মিনি মহাকরন নিয়ে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করতে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সরকারের এই প্রশাসনিক বৈঠকে স্থানীয় বিরোধীদলের জনপ্রতিনিধিদের ডাকা হয় না বলে মাঝেমধ্যেই অভিযোগ ওঠে। এতদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সেই অভিযোগ না উঠলেও, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকের আগে সেই অভিযোগই সরকারের বিরুদ্ধে প্রকট

মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, নিলেন ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত

  আলু থেকে পেঁয়াজ, বেগুন থেকে পটল, সকালবেলা আড় ভেঙে মধ্যবিত্ত বাঙালি বাজারে গেলেই যেন তাদের চক্ষু ছানাবড়া হয়ে যায়। গৃহিনীর মান ভাঙাতে টাটকা সবজি নেবেন! কিন্তু পকেটের যে করুণ দশা! নিত্য প্রয়োজনীয় যে জিনিসেই হাত দিন না কেন, সেখান থেকেই আগুনের গোলা বেরোতে শুরু করবে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বর্তমানে এই নিয়ে

মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের আগেই জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ

  লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলই তাঁর কাল হয়েছিল। যার পরবর্তীকালে দলের সংগঠনকে মজবুত করতে জেলায় জেলায় যাতে গোষ্ঠী কোন্দল না হয়, তার জন্য রণনীতি তৈরি করে তৃণমূল। দলের তরফেও এই ব্যাপারে কড়া বার্তা দেওয়া হয়। যার পরে অনেকে ভেবেছিলেন, হয়ত বা তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল থেমে যাবে। কিন্তু নেতারা যে কোন্দল করতেই

উত্তরবঙ্গ সফর বাতিল করলেন মুখ্যমন্ত্রী, জেনে নিন কারণ

  প্রকৃতির রুদ্ররুপের কাছে সকলকে মাথানত করতে হয়। ভরা নীল আকাশে সাদা মেঘের ঝলমলে কড়া রোদ্দুর যেমন আমাদের অনেকটা অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়, ঠিক তেমনই কখনও আয়লা, কখনও ফনি, আবার কখনও বা বুলবুল আমাদের আশঙ্কাকে প্রবল পরিমাণে বৃদ্ধি করে। অতীতে অনেক নিম্নচাপ, অনেক দুর্যোগ আমাদের রাজ্যের উপর দিয়ে চলে গেছে। তবে কমবেশি প্রায়

অন্যদল ভেঙে বিধায়ক দলে টানতে ১০০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন মুখমন্ত্রী, বিস্ফোরক তথ্যে শোরগোল রাজ্যে

অন্য দল ভেঙ্গে বিধায়ক নিজের দলে টেনে মুখ্যমন্ত্রী হতে ১০০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা এমনটাই দাবি কর্নাটক বিধানসভায় বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়া নারায়ণ গৌড়ার। এদিন তিনি দাবি করেছেন নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র কৃষ্ণরাজপেটের উন্নয়নের জন্য তিনি ৭০০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন ইয়েদুরাপ্পার কাছে কিন্তু তাকে ১০০০ কোটি টাকা

পৌরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি কি শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, পদক্ষেপ ঘিরে জোর জল্পনা

  বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠান হলে যেমন গৃহকর্তার তৎপরতা দেখেই তাঁর আভাস পাওয়া যায়, ঠিক তেমনই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো নির্বাচন এলে শাসকের তৎপরতা দেখেই তা আঁচ করা যায়। বস্তুত, ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশ কয়েকটি পৌরসভার মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে। যেখানে বর্তমানে বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর দিয়ে সেই পৌরসভাগুলোর কাজ চালানো হচ্ছে। কিন্তু কেন সেখানে নির্বাচন করানো

পাঁচ বাঙালিকে পরিকল্পনামাফিক খুন, পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চাই – গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী

  বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বরাবরই "বাংলার জনগণের তিনি পাহাড়াদার" আবার বলে দাবি করে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তো দেশের কোনো প্রান্তে বাঙালিরা বিপদে পড়লেই যেমন সরব হতে দেখা যায় তাঁকে, ঠিক তেমনই দুর্গতদের উদ্ধার করতেও নিজের প্রশাসনকে কাজে লাগান তিনি। আর এবার বাংলা থেকে কাশ্মীরে কাজ করতে যাওয়া মুরসালিন শেখ, কামিরুদ্দিন

মুখ্যমন্ত্রী সবুজসংকেত দিলেই হাওড়া পুরনিগম নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে প্রশাসন

  হাওড়া পৌরসভা নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন পুর কর্তারা। সূত্রের খবর, উৎসবের আবহ শেষ হলেই সেই হাওড়া পৌরসভায় ডিলিমিটেশন হওয়ার কথা শুরু হয়েছে। যা নিয়ে পৌর দপ্তরে ইতিমধ্যেই একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আর ওই দপ্তর থেকে সেই প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী তা

মুখ্যমন্ত্রী “সাধারণ জীবনযাত্রা” সরেজমিনে দেখে “চোখ কপালে” স্বয়ং রাজ্যপালের

  বিরোধী দলনেত্রী থাকার সময় থেকেই অত্যন্ত সাধারণ জীবন-যাপন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 30বি, কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের টালির চালেই আজও বাস করেন তিনি। আর একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের জীবনযাপন ভারতবর্ষের অনেক রাজনীতিবিদকেই মুগ্ধ করেছে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনে দেখে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের

Top
error: Content is protected !!