এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "cm mamata banerjee"

আর্থিক সঙ্কটের রাজ্যে বিমানবন্দর থাকলেও মুখ্যমন্ত্রীর জন্য দুই পৃথক হেলিপ্যাড! সরব বিজেপি

  এবার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভাটি ঘিরেও তৃণমূল বনাম বিজেপির তরজা লক্ষ্য করা গেল। বস্তুত, আগামীকাল কোচবিহার জেলায় আসার কথা রয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাসমেলা পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে তার‌। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন এবং তৃণমূলের অন্দরে প্রবল তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে যখন সব

সমান্তরাল প্রশাসন চালানোর চেষ্টা! রাজ্যের ঘুম ওড়াচ্ছেন রাজ্যপাল? তীব্র ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর!

  যত দিন যাচ্ছে, ততই রাজ্য বনাম রাজ্যপালের দ্বন্দ্ব বাড়তে শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে জাগদীপ ধনকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন বিষয়ে তার মন্তব্য অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল রাজ্যের শাসকদলকে। কখনও যাদবপুরের ঘটনা, কখনও জিয়াগঞ্জ কান্ড, আবার কখনও বা দুর্গাপুজোর কার্নিভাল, সরকার বনাম রাজ্যপালের সম্পর্কের তিক্ততা ক্রমশই বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের তরফে কখনও পার্থ

হেভিওয়েট তিন মন্ত্রীকে তিরস্কার মুখ্যমন্ত্রীর, রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, জল্পনা তুঙ্গে

  সরকারি দপ্তরের কাজে যে তিনি টালবাহানা বরদাস্ত করবেন না, তা অতীতেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যতই কাছের লোক হোক না কেন, সরকারি দপ্তরের কাজে মানুষকে অসুবিধেয় ফেলা যে তার ডিকশনারিতে নেই, তা অতীতেও প্রমান করে দিয়েছেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। আর এবার নবান্ন সভাগৃহে বুলবুলের দাপটে ক্ষয়ক্ষতির পর্যালোচনা করতে বৈঠকে বসে

তৃণমূলের বদলে কাকে ভোট দেবে আমজনতা, নয়া পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

দীর্ঘদিন ধরেই দার্জিলিঙে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে সরব হয়েছে সেখানকার জনজাতিরা। তাদের একাংশ সরাসরি এই দাবিকে সমর্থন না করলেও বিভিন্ন সময় গোর্খাদের একাধিক দাবিকে সমর্থন জানিয়ে দার্জিলিংয় অর্জনে কিছুটা সক্ষম হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। 2009 সালে প্রথম দার্জিলিঙে ভারতীয় জনতা পার্টির টিকিটে জয়যুক্ত হয় যশোবন্ত সিংহ। পরবর্তীতে 2014 সালে সেখান থেকে এসএস

হাওড়া পুরসভা বড়সড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায়- জানুন বিস্তারিত?

সকলেই তাকিয়ে রয়েছেন, এন হাওড়া পৌরসভার পুনর্বিন্যাসের জন্য ঠিক কি সিদ্ধান্ত নেয় সরকার! বস্তুত, গত বছর 10 ডিসেম্বর এই হাওড়া পৌরসভার বিগত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে সেখানকার কমিশনারকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করে পুরসভা চালানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে রাজ্যের পুর দপ্তরের পক্ষ থেকে জেলার তিন মন্ত্রী, কমিশনার, বিদায়ী বোর্ডের মেয়র

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা – বাংলা এবার দ্বিতীয় শান্তিনিকেতন পেতে চলেছে – জানুন বিস্তারিত

প্রথম থেকেই আঁচ করা হচ্ছিল যে, বীরসিংহ গ্রামে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশত জন্মবার্ষিকীর উৎসব অনুষ্ঠানে এসে কোনো একটি চমকপ্রদ ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর যেমন ভাবা তেমন কাজ, মঙ্গলবার বীরসিংহ গ্রামে বিদ্যাসাগরের জন্মবার্ষিকী উৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই গ্রামে এডুকেশন হাব তৈরির কথা ঘোষণা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। জানা যায়, এদিন

মুখ্যমন্ত্রীর মিছিলে জনজোয়ার নিশ্চিত করতে সব বিধায়ক-কাউন্সিলারের উপস্থিতি নিশ্চিত সুদীপ

ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ময়দানে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরন ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরোধীতায় মিছিলের ডাক দিয়েছেন তিনি। জানা গেছে, দুপুর আড়াইটা থেকে এই মিছিল শুরু হওয়ার কথা। আর কেন্দ্রের বিরোধিতায় এনআরসি ইস্যুতে মমতা বন্দোপাধ্যায় রাজপথে নামায় সেই মিছিলকে সার্থক করতে ইতিমধ্যেই মরিয়া হয়ে উঠেছেন উত্তর কলকাতা

জবাবি সওয়ালে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নাকে হাতিয়ার করে রাজীব কুমারকে তীব্রভাবে ব্যাকফুটে ঠেলল CBI?

দীর্ঘদিন ধরেই তাকে নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন চলছে। আর এবার জবাবি সওয়ালে সোমবার সিবিআইয়ের তোপের মুখে পড়তে হল কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমারকে। এদিন তিনি নিজেকে সামান্য পুলিসকর্মী হিসেবে তুলে ধরতে চাইলেও, তাঁর জন্যই একসময় কলকাতার রাস্তায় ধর্নায় বসে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলে রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতে দেখা গেল

জল্পনা বাড়িয়ে রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ালেন সুজন চক্রবর্তী – জানুন বিস্তারিত

রাজ্যে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে মিড ডে মিল সমস্যা। মিড ডে মিল থেকে বিভিন্ন ছাত্রছাত্রীদের বঞ্চনার কথা উঠে আসছে। সম্প্রতি বিজেপি সাংসদ লকেট চ্যাটার্জ্জী চুচুঁড়া বাণীমন্দির স্কুলে গিয়ে সেখানে দেখেন বাচ্চাদের নুন ভাত খাওয়ানো চলছে। শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। এবার এই ব্যাপারে মুখ খুললেন সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি

স্কুলের মেনু দেখে হতবাক মুখ্যমন্ত্রী, তুললেন প্রশ্ন

সম্প্রতি চুঁচুড়া স্কুলের মিড ডে মিল খাওয়াকে ঘিরে যে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, তার নজর কেড়েছিল গোটা রাজ্যের মেনুতে। নুন, ভাত দেখে অনেকেই এই ধরনের ঘটনাকে ধিক্কার জানাতে থাকে। আর এই ঘটনার পরই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবারের নির্দিষ্ট মেনু বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। আর সেই মেনুকে অনুকরণ করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়

Top
error: Content is protected !!