এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "central minister"

বাংলা দখল করতে এই অন্যায় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার, বড়সড় অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর

  2014 সালে বিজেপি সরকার আসার পর এবং নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বারে বারে বাক স্বাধীনতা হরণ হচ্ছে বলে মন্তব্য করতে দেখা গেছে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অতীতে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ফোনে আড়িপাতার অভিযোগও তুলেছেন। আর এবার ফের এই ব্যাপারে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, শনিবার

 কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট লুটবে তৃণমূল, মদতে কিছু পুলিশ! বিজেপির বিস্ফোরক রিপোর্ট!

  "রাজ্যে গণতন্ত্র নেই" বলে মাঝেমধ্যেই দাবি করতে দেখা যায় বিজেপি নেতাদের। পঞ্চায়েত থেকে বিধানসভা, প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই রাজ্য পুলিশের প্রতি ভরসা না-রেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে যাতে নির্বাচন করানো যায়, তার জন্য দাবি জানিয়ে আসছে তারা। কিছুদিন আগেই সমাপ্ত হওয়া লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া নিয়ে বিজেপির দাবিতে

কালীপুজোর আবহে আসানসোলে জোর টক্কর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বনাম মেয়রের

  লোকসভা নির্বাচনের সাফল্য পাওয়ার পর বাংলা ও বাঙালির প্রিয় উৎসবকে হাতিয়ার করার কথা ভেবেছিল গেরুয়া শিবির। আর সেই মত সদ্যসমাপ্ত দুর্গাপুজোয় বেশিরভাগ ক্লাব উদ্বোধনের টার্গেট নিয়েছিল তারা। তবে সেই সময় বিজেপির আশা অতটা পূর্ণ হয়নি। কিন্তু শক্তির দেবী মা কালীর আরাধনায় তৃণমূলকে টেক্কা দিয়ে, যাতে তারা বেশি ক্লাবের পূজো উদ্বোধন

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এলাকাতেই দিনের পর দিন সংকল্প যাত্রায় “ফ্লপ শো”! ক্ষোভ বাড়ছে দলের যাত্রা

উত্তরবঙ্গে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপকভাবে উত্থান ঘটেছে ভারতীয় জনতা পার্টির। দার্জিলিং থেকে মালদহ পর্যন্ত 8 টি লোকসভা আসনের মধ্যে 7 টি লোকসভা আসনেই পদ্মফুল ফুটেছে। কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। আবার অন্যদিকে কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নরেন্দ্র মোদি। আর বাংলার ক্ষেত্রে 18 টি আসন লাভ করা

এনআরসি নিয়ে বিরোধী- অপপ্রচার রুখতে ডিসেম্বরেই বড়সড় “মাস্টারস্ট্রোক” দিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার

এনআরসি নিয়ে বরাবরই ভারতীয় জনতা পার্টিকে কাঠগড়ায় তুলে আসছে অসম পশ্চিমবঙ্গ সহকারে রাজ্যের এবং দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। যার মূলে ছিল, জাতীয় নাগরিকপঞ্জীর কারণে বাদ পড়ে যাওয়া মানুষদের স্থিতি কিন্তু অসমবাসী দাবিদাওয়া মোতাবেক অনেক আগে থেকেই এনআরসির রূপরেখা স্থির হয়ে গিয়েছিল।তাই বিরোধীরা যাই বলুক না কেন, নিজেদের অবস্থান থেকে সরে

কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনে আবার ধর্নায় বসতে চলেছে তৃণমূল – এবার 48 ঘণ্টা!

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তিনি যে তার আন্দোলন চালিয়ে যাবেন, তা ফের আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ রাজ্য বনাম কেন্দ্রের সম্পর্কের বরফ অনেকটাই গলল বলে মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায়

দাড়িভিট কাণ্ড নিয়ে এবার বড়সড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর, আশার আলো দেখছে নিহতের পরিবার

সারা রাজ্যে এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভালো প্রভাব ছিল। তবে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির জেতার পেছনে মূল কৃতিত্ব যদি কাউকে দিতে হয়, তাহলে তা দাড়িভিট ইস্যু। আর এবার এই দাড়িভিট নিয়ে আশাব্যঞ্জক কথা শোনালেন রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। সূত্রের খবর, শুক্রবার দাড়িভিট কান্ডের বর্ষপূর্তিতে বিকেলে

দিলীপ নয় মুকুলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় নেতা, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেস দলে একদা সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের দায়িত্বে ছিলেন মুকুল রায়‌। ঘাসফুল শিবিরে তার প্রতিপত্তি ছিল প্রচুর। যার ফলে দলের কর্তা-ব্যক্তিরা তৃণমূল কংগ্রেসকে তৃণমুকুল কংগ্রেস বলত। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ আস্থাভাজন ছিলেন প্রবাদপ্রতীম এই নেতা। কিন্তু পরবর্তীতে দলনেত্রীর সঙ্গে বিবাদের জেরে এবং দলীয় পরিস্থিতিতে কোণঠাসা হয়ে পড়েন মুকুলবাবু। অনেকেই মনে করেছিলেন, তিনি হয়ত

স্কুলে গিয়ে পড়ুয়াদের বড় নেতা হবে উপায় বাতলে দিয়ে বড়োসড়ো বিতর্কে মন্ত্রী – জেনে নিন

এবার আবার একবার বিতর্কে জড়ালেন ছত্রিশগড়ের শিল্প ও আবগারি দপ্তরের মন্ত্রী কংগ্রেসের কাওয়াসি লাখমা। বেফাঁস মন্তব্যে রীতিমতন অস্বস্তিতে পড়লেন তিনি। আর তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে রীতিমতো চরম অস্বস্তি কংগ্রেস শিবিরে। এর আগেও লাকমা বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন জেলায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে। সেখানে তিনি দেখিয়েছিলেন, ইলেক্ট্রিক শক খেলে কি রকম লাগে। তিনি বলেছিলেন,

৩৭০ ধারা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা জেনে নিন

সম্প্রতি সকলকে মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে সংবিধানের 370 ও 35 এ ধারা প্রত্যাহার করে জম্মু-কাশ্মীরে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আর বিজেপি সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাতে দেখা গেছে দেশের সিংহভাগ মানুষকে। তবে এর বিরুদ্ধে নানা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও তৈরি হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর তরফে গোটা ঘটনাটিকে অসাংবিধানিক বলে এই বিলের

Top
error: Content is protected !!