এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "central force"

বিজেপি প্রার্থীকে ধাক্কা মেরে বুথ থেকে বার করল কেন্দ্রীয় বাহিনী, জোর জল্পনা

বেলা বাড়তেই উত্তেজনা ছড়ালো করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নথিডাঙার ২১, ২২ ও ২৩ নম্বর বুথে। জন্য যাচ্ছে সেখানে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করে বিজেপি প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদার। এরপর শাসকদলের তরফ থেকে অভিযোগ ওঠে তিনি ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। সেই নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে অভিযোগ করলেই তাঁকে ভোট কেন্দ্র থেকে ধাক্কা মেরে বের করে

90% বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ওয়েব কাস্টিং থেকে মাইক্রো অবজার্ভার – সাজো সাজো রব করিমপুরে

  আগামী 25 নভেম্বর রাজ্যের 3 কেন্দ্রের উপনির্বাচন। যার মধ্যে খড়গপুর, কালিয়াগঞ্জ এবং করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। প্রথম থেকেই এই করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নানা মহলে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। শাসক দলের দখলে থাকা এই কেন্দ্রে এবার সন্ত্রাস হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল বিরোধীদের একাংশ। আর এই পরিস্থিতিতে প্রথম থেকেই

রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই! উপনির্বাচনও কেন্দ্রীয়বাহিনীর কড়া পাহারায়!

আগামী 25 শে নভেম্বর খড়গপুর, করিমগঞ্জ ও করিমপুর বিধানসভায় উপনির্বাচন হতে চলেছে। ইতিমধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়ে গেছে। লোকসভা ভোটে তৃণমূল বিজেপির কাছে কোণঠাসা হবার পর এবার তাঁদের কাছে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ তাঁরা কতটা কাজে লাগায় তা এই উপনির্বাচনে বোঝা যাবে। অন্যদিকে, এই উপনির্বাচন থেকেই 2021

কেন্দ্রীয় বাহিনী দায়িত্ব নিতেই এলাকাছাড়া স্থানীয় “দাদারা”, মালদার “সন্ত্রস্ত” এলাকায় শান্তিতে ভোট

প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই মালদহের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসের আচ পাওয়া যায়। এবারেও তেমন আচই পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে তৃতীয় দফার ভোটে সেই মালদহের সন্ত্রাস কবলিত এলাকাগুলিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র গন্ডগোলের দৃশ্যটুকুও দেখা গেল না। যা দেখে অনেকেই বলছেন, কতদিন পর যে মালদহের এই কালিয়াচকের মোজামপুর থেকে বৈষ্ণবনগর শ্মশানি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ

দ্বিতীয় বারের জন্য মোদী প্রধানমন্ত্রী শপথ নিতেই কেশিয়াড়িতে পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করবে বিজেপি দাবি দিলীপ ঘোষের

কার্তিক গুহ :- এরাজ্যে কি সরকার চলছে মানুষ তা বুঝে গেছেন , আরো ভালোভাবে বুঝেছেন কেশিয়াড়ির মানুষ । এই সরকার এখনো বিজেপিকে পঞ্চায়েত সমিতি গঠন করতে না দিয়ে ইচ্ছে করে এলাকার উন্নয়নকে আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করলেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার কেশিয়াড়িতে কর্মীসভায় যোগ দিয়ে তিনি বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই ,

বিরোধীদের চাপে আরও আঁটোসাঁটো ভোট – দ্বিতীয় দফায় প্রায় 80 শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী

গত 11 তারিখে প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচনে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের প্রায় সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় যে সমস্ত বুথে রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ ছিল, সেই সমস্ত বুথে শাসকদলের বিরুদ্ধে বুথ দখলের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। আর পরবর্তী দফাগুলিতে যাতে কোনো বুথে রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ দিয়ে ভোট না করা হয়

দ্বিতীয় দফাতেও সব বুথে নেই কেন্দ্রীয় বাহিনী – ছাপ্পার আশঙ্কায় ক্ষুব্ধ সম্মিলিত বিরোধীরা

প্রথম দফার ভোট এরাজ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হলেও সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোট লুট এবং সন্ত্রাসের অভিযোগে শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। আর এবার দ্বিতীয় দফার ভোটে যাতে সেই শাসক দল কোনোরূপ সন্ত্রাস এবং বুথ দখল ও ছাপ্পা ভোট না দিতে পারে তার জন্য ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের প্রতি কেন্দ্রীয়

বাংলায় প্রথম দফার ভোটে বড় অশান্তি না হলেও “ছাপ্পা” রুখতে সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জোরালো হল

বড় কোনো অশান্তির ঘটনা না হওয়ায় বেশ শান্তিপূর্ণভাবেই সমাপ্ত হল রাজ্যের প্রথম দফায় আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। এদিন কোচবিহার শহর, কোচবিহার উত্তর, নাটাবাড়ি ও তুফানগঞ্জে কার্যত উৎসবের পরিবেশেই এই সাধারন মানুষদের ভোটদান করতে দেখা যায়। তবে বাংলায় নির্বাচন হচ্ছে, আর বিক্ষিপ্ত অশান্তি হবে না তা কি কখনও হয়!

রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট চাইতে তৃণমূল, ছাপ্পা আটকাতে 100% বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি বিজেপির

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের প্রতিটি বুথেই যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করানো যায়, তার জন্য প্রথম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে আবেদন করা হলেও গতকাল প্রথম দফার নির্বাচনে কোচবিহার জেলায় প্রায় অনেক বুথেই সেই কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র দোষারোপ করতে শুরু করল শাসক দল তৃণমূল

সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত না হলেও, সব বুথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে কমিশন

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের প্রায় সমস্ত বুথেই যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায়, তার জন্য ইতিমধ্যেই ভোটকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলেরা তাদের দাবি জানাতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফেও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করে ভোটকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য দাবি

Top
error: Content is protected !!