এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "cbi"

ফের প্রভাবশালী চিটফান্ড সংস্থার দুই কর্তাকে গ্রেফতার, সামনে আসতে পারে প্রভাবশালীর নাম

এবার চিটফান্ড কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। চিটফান্ড কান্ড নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শোরগোল ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে সামনে এলো আবার একটি চিটফান্ড সংস্থা সেবা কেলেঙ্কারি শিলিগুড়ি থেকে এই সংস্থাটি তার কার্যকলাপ চালাতো। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বহুদিন ধরে নজর ছিল সংস্থাটির ওপর। চিটফান্ড নিয়ে রাজ্য সরকারের ওপর এমনিতেই চাপ আছে। তাই নতুন করে

সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার আর এক চিটফান্ড কর্তা, জোর শোরগোল রাজ্যে

ফের সিবিআইয়ের জালে আর এক চিটফান্ড কর্তা। জানা যাচ্ছে আজ মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সিবিআই পৈলান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান অপূর্ব সাহাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে ১৫ হাজার কোটি টাকা তোলা হয়েছে বাজার থেকে। এই সংস্থা প্রথমে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করে তারপর বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে

সুদীপ্ত সেনকে সিবিআই জেরায় সামনে এল একাধিক প্রভাবশালীর নাম! বিস্ফোরক তথ্য সিটের বিরুদ্ধে?

সারদাকাণ্ডে বহু মানুষের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ নষ্ট হয়েছে। কষ্টার্জিত অর্থ একটি জায়গায় জমা করে তা দিয়ে কেউ মেয়ের বিয়ে, আবার কেউ বা বাড়ি করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু যেভাবে সেই সারদা কোম্পানি চিটফান্ডের আকার নিয়েছে, তাতে সেই মানুষগুলোর মাথায় বাজ ভেঙে পড়েছিল। যার পরেই এই চিটফান্ড কাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে পথে নামে সিবিআই। গ্রেপ্তার

রোজভ্যালি কাণ্ডে নয়া মোড় – এবার সিবিআই স্মরনাপন্ন হল দময়ন্তী সেনের

সারদা থেকে নারদা প্রায় প্রতিটি ঘটনাতেই আর্থিক কেলেঙ্কারির যোগসুত্র রয়েছে। আর সেখানেই রাজ্যের শাসকদলের দিকে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। তবে শাসকদলের পক্ষ থেকে বারবার সেই আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ খারিজ করে দিলেও তদন্তের বিভিন্ন সময় দেখা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজ্যের শাসক দল থেকেই

সিবিআইয়ের ডাক‌ পেতেই কি ফের বিজেপিতে ঘনিষ্ঠ শোভন-বৈশাখী, জোর জল্পনা

  দীর্ঘদিন তৃণমূলের সঙ্গে এক ছাতার তলায় রাজনীতি করলেও বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে যখন পার্টির অন্দরে শোরগোল করতে শুরু হয়েছিল, সেই সময় পার্টি ত্যাগ করার ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার একসময়কার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়। পারিবারিক জীবনে অশান্তি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক জীবনের টালমাটাল পরিস্থিতির পর্যন্ত,

বিজেপির সাথে দূরত্ব বাড়তেই কি সিবিআইয়ের ডাক পেলেন দুই হেভিওয়েট ! জোর জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে যখন তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তখন তৃণমূলের একাংশ দাবি তুলেছিল, দুর্নীতি থেকে পিঠ বাঁচাতেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সেই বিজেপি দলের সঙ্গে ঠিকমতো কাজ করতে দেখা যায়নি শোভনবাবুকে। বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারণে বিজেপির সাথে শোভনবাবুর দূরত্বের সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে বলে মনে করেছিল

শোভন-বৈশাখী ফের সিবিআই দফতরে, জল্পনা তুঙ্গে

2013 সালে সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি মামলা যখন আমজনতার সামনে এলো, ঠিক সেসময়ই নিখোঁজ হয়ে যান সারদা মালিক সুদীপ্ত সেন ও তার সহযোগী দেবযানী মুখোপাধ্যায় ও অন্যান্যরা। সারদা মালিকের খোঁজ পেতে পুলিশ হন্যে হয়ে তাদের খোঁজ চালাচ্ছিল। অবশেষে তাঁদের কাশ্মীর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে সুদীপ্ত সেনের জবানবন্দিতে উঠে আসে সারদাকাণ্ডে রাজনৈতিক

সিবিআইয়ের মামলায় জামিন মিললেও, এখনও আশঙ্কা কাটছে না চিদম্বরমের – জানুন বিস্তারিত

দীর্ঘ নাটকের অবসানের পর বেশ কিছুদিন আগে আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় সিবিআই এর হাতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম গত 21 আগস্ট গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। রীতিমতো সিবিআইকে নাজেহাল করার পর তিনি সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়েছিলেন। হাই কোর্টের সিদ্ধান্তে আপাতত তিহার জেলে চিদম্বরম। চিদাম্বরমকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সেই সময় দেশের রাজনৈতিক মহলে চরম উত্তেজনা

সারদাকাণ্ডে নয়া মোড়, লাল ডায়েরি রহস্য উদঘাটনে আরও একধাপ এগোলো সিবিআই

শারদোৎসব মেটার সাথে সাথেই আর্থিক কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সক্রিয় হতে দেখা গেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে। এবার জেলে গিয়ে সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেনকে জেরা করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। কিন্তু ঠিক কী কী বিষয় সুদীপ্তবাবুকে জেরা করা হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। বিশেষ সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এদিনের

রোজভ্যালি কাণ্ডে নয়া মোড়, এবার নবান্নে পৌঁছালো সিবিআই

সারদা থেকে নারদা, প্রায় প্রতিটি ঘটনাতেই বিশেষ করে যেখানে আর্থিক কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগ রয়েছে, সেখানে রাজ্যের শাসকদলের দিকে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। তবে শাসকদলের পক্ষ থেকে বারবার সেই অভিযোগ খারিজ করে দিলেও তদন্তের বিভিন্ন সময়েই দেখা গেছে যে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই আর্থিক কেলেঙ্কারির মত ঘটনায় শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের

Top
error: Content is protected !!