এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "by election"

বাংলার উপনির্বাচনের ফল নিয়ে মুখ খুললেন মুকুল রায়, প্রায় মিলে গেল প্রিয় বন্ধুর সমীক্ষার সঙ্গে

গত ২৫ তারিখ বাংলার ৩ আসন কালিয়াগঞ্জ, করিমপুর ও খড়্গপুর-সদরে হয়ে গেল উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ফলাফল আগামীকাল - কিন্তু তার আগে এই ৩ আসনের ফলাফল নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা অব্যাহত। কেননা ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের হিসাবে এই ৩ টি আসন যথাক্রমে - কংগ্রেস, তৃণমূল ও বিজেপির দখলে ছিল। আবার ২০১৯ এর

মেয়ের বিয়ের ঢালাও আয়োজনের সঙ্গেই ভোটের প্রচার! উপনির্বাচনের ভোটবাক্সে পড়বে প্রভাব?

  একদিকে প্রত্যাশা, অন্যদিকে বিষাদ। তবে চাপ দুটোতেই আছে। আর সেই প্রবল পরিশ্রমের ফসল কি পাবেন কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী কমল চন্দ্র সরকার? এখন এই প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে সর্বত্র। বস্তুত, কংগ্রেসিদের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের বিজেপির প্রার্থী করা হয়েছিল সাদামাটা মানুষ বলে পরিচিত কমল সরকারকে। শনিবার

রাষ্ট্রের স্বার্থেই এনআরসি দরকার! উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী

  অসমের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি তালিকা প্রকাশ্যে আসার পরেই সারা দেশে এনআরসি হবে বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। অসমের পর বাংলার বিজেপি নেতারা দাবি করতে শুরু করেছিল, এবার তারা বাংলাতে এনআরসি করবেন। কিন্তু বরাবরই এনআরসির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকতে কখনই এনআরসি হবে না বলে

উপনির্বাচনের আগে আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী, প্রকাশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল, অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির

  আগামী 25 নভেম্বর করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। তৃনমূলের দখলে এই কেন্দ্র থাকায় সেখানে তৃণমূলকে বিপাকে ফেলে বিজেপি ব্যাপক প্রচার শুরু করেছে। কিন্তু প্রচার শুরু করলেও যদি দলের অন্দরে কোন্দল থাকে, তাহলে কোনোমতেই জয় সম্ভব নয়। ইতিমধ্যেই অতীতের বেশ কয়েকটা নির্বাচনে তৃণমূলের অবস্থাতেই তা প্রমাণিত হয়ে গেছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।

উপনির্বাচনে তৃণমূলের “দিদিকে বলো” কি পারবে বিজেপির উত্থান আটকাতে! জোর শোরগোল

  লোকসভা নির্বাচনে অনেক সিটে তৃণমূলের হারের পেছনে মূল কারণ ছিল, দলীয় নেতাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অভাব এবং নেতৃত্বদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়ার ঘটনা। অর্থ্যাৎ ক্ষমতায় আসার পর তৃনমূল নেতাদের চালচিত্র দেখে এবারের নির্বাচনে ভোটবাক্সে তাদের বিরুদ্ধে মতামত জানিয়েছে সাধারন মানুষ। যার কারণে 42 এ 42 এর স্লোগান তুলে

কৃষক ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে উপনির্বাচনে বিজেপিকে নক-আউট করতে কোমর বাঁধছে তৃণমূল

  হাতে আর মাত্র কিছুদিন বাকি। তারপরেই করিমপুর বিধানসভা উপনির্বাচন। প্রায় 39 বছর পর গত 2016 সালের এই কেন্দ্র থেকে জিতে বিধানসভায় গিয়েছিলেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তিনি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হওয়ায় তার ছেড়ে যাওয়া এই করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার উপনির্বাচন হচ্ছে। যেখানে তৃণমূলের

উপনির্বাচনের আগে উড়ছে টাকা? নাকা চেকিংয়ে ধরা পরল 18 লক্ষ টাকা, বাড়ছে উত্তেজনা

  প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই টাকার খেলা হয় বলে অভিযোগ বিরোধীদের। কিন্তু শাসকের বিরুদ্ধে তোলা এই অভিযোগকে বারবারই অস্বীকার করা হয়েছে সেই শাসকদলের তরফে। কিন্তু উপনির্বাচন থেকে লোকসভা, লোকসভা থেকে বিধানসভা, বিধানসভা থেকে পঞ্চায়েত, প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই টাকা দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত

সন্তর্পনে কিভাবে উপনির্বাচনে বাজিমাত? তৃণমূল কর্মীদের বড় বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর

  লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল ভালো হয়নি। আগামী 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এবার শাসক-বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছেই অ্যাসিড টেস্ট হিসেবে চলে এল তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ইতিমধ্যেই বিজেপি 3 কেন্দ্রে পদ্মফুল ফোটাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে পিছিয়ে নেই তৃণমূল কংগ্রেসও। দলের হেভিওয়েট নেতা তথা মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে দিয়ে ইতিমধ্যেই

লোকসভায় চূড়ান্ত সফল “মহুয়া মডেল” দিয়েই উপনির্বাচনে বাজিমাত করার পরিকল্পনায় ঘাসফুল শিবির

  সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল অনেক আসন হারালেও কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র তাদের দখলেই ছিল। যেখানে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছেন মহুয়া মৈত্র। জানা যায়, তিনি নিজের ক্যাপাবিলিটিতেই বিভিন্ন জায়গায় সমীক্ষা করে নিজের জয় নিশ্চিত করেছিলেন। তবে মহুয়াদেবীর কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার উপনির্বাচন হওয়ায় তিনি ফের "ওয়ার রুম" তৈরি

ফাঁস হয়ে যাচ্ছে স্ট্র্যাটেজি! ঘুম উড়েছে তৃণমূলের! উপনির্বাচনের আগে বড়সড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

  নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে সব রাজনৈতিক দলেরই রননীতি থাকে। আসন্ন বাংলার 3 বিধানসভা উপনির্বাচনে সেই রণনীতি নিয়েই এগোচ্ছে শাসক-বিরোধী সব রাজনৈতিক দল। কিন্তু যদি কোনো রাজনৈতিক দলের স্ট্র্যাটেজি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে পৌঁছে যায়, তাহলে তা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে খড়গপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের অবস্থা ঠিক

Top
error: Content is protected !!