এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "bjp leader"

গড়বেতা থেকে বাগনান! বিজেপি নেতা কর্মীদের দোকানে ভাঙচুর আগুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

  রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বলে মাঝেমধ্যেই সরব হতে দেখা যায় বিজেপি নেতাদের। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির রাজ্যে উত্থানের পর গেরুয়া শিবিরের প্রতি শাসক দলের নেতাকর্মীরা প্রতিহিংসাবশত আচরণ করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে বরাবরই শাসকদলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে। আর এবার গড়বেতা থানার চন্দ্রকোনা রোড এলাকায় করসা 2 নম্বর

ঝাড়খণ্ডের খুনের মামলায় অভিযুক্তের বাইক-মোবাইল মিলল বাংলার বিজেপির দাপুটে নেতার বাড়িতে!

  জনমানসে যখন বিজেপির সম্পর্কে সদ্ভাবনা জন্মাচ্ছে, ঠিক তখনই একের পর এক নেতার কুকীর্তিতে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ছে গেরুয়া শিবির। এবার ঝাড়খণ্ডের খুনের মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বাইক এবং মোবাইল জামুড়িয়ার বিজেপির জেলা সম্পাদকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। বস্তুত, ঝাড়খণ্ডের মিহিজাম থানা এলাকার বাসিন্দা স্করপিও গাড়ির মালিক প্রভাত কুমার গত

খড়গপুরে দলীয় প্রার্থীর প্রচার এসে মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন মুকুল রায়

  একসময় তিনি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গীও বলা হত তাঁকে। আর ঘাসফুল শিবিরে থাকার সময় তৃণমূল দলের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজের হাতে সামলাতেন মুকুল রায়। তবে প্রায় অনেকদিন হয়ে গেল তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে একের পর এক হেভিওয়েট নেতাকে যেমন গেরুয়া

দল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরছেন বিজেপি সাংসদ! তীব্র বিতর্ক গেরুয়া শিবিরে

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সাফল্য পাওয়ার পর আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করেছে তারা। আর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বিজেপি এখন নিজেদের দলের মধ্যে যেমন স্বচ্ছতা আনতে চাইছে, ঠিক তেমনই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চাইছে। ইতিপূর্বেই নানা ঘটনায় বিজেপি নিজেদের শৃঙ্খলার প্রমান দিতে অনেককেই দল থেকে বরখাস্ত করেছে। কিন্তু বিজেপির জেলা নেতৃত্ব থেকে

এনআরসি নিয়ে তৃণমূলের তীব্র প্রচারের পাল্টা দিতে বিজেপি নেতাদের প্রশিক্ষনে আসছেন কেন্দ্রীয় নেতারা

  লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থান ছিল চোখে পড়ার মত। 2 থেকে 18 টি আসন দখল করে বিজেপি কার্যত তাক লাগিয়ে দিয়েছে। উত্তরবঙ্গে 7 টি আসন দখল করে তৃণমূলকে কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে লোকসভায় বিজেপির উত্থান ঘটলেও, যত দিন যাচ্ছে ততই যেন বিজেপি প্রভাব কমতে শুরু

তৃনমূলের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন এই বর্তমান বিজেপি নেতা, জল্পনা ছড়াতেই শোরগোল রাজ্যে

বিগত বছর দুই ধরেই খবরের শিরোনামে শোভন চট্টোপাধ্যায়। কখনো তাঁর ব্যক্তিগত বৈবাহিক জীবন ও বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে চর্চা, তো কখনো আবার দলবদলের গুঞ্জন। সব সময়েই যেন বিতর্ক তাড়া করে বেরিয়েছে রাজ্য-রাজনীতির এই হেভিওয়েট নেতাকে। আর এবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেও বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল নেত্রীর কাছে ভাইফোঁটা

নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরির প্রতিবাদ করায় বিজেপি নেতাকে প্রাণে মারার হুমকি তৃণমূলের

  একসময় বিগত বাম সরকারের আমলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হতে দেখা যেত তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। আর আশ্চর্যজনকভাবে তখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করলেই বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হত বলে বামেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলত তৃণমূল। কিন্তু এখন সময় অনেক বদলেছে। বামেদের সরিয়ে ক্ষমতায় বসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তৃণমূল ক্ষমতায় বসার

তৃণমূলেই ফিরছেন শোভন এমনটাই মনে করছেন বিজেপি নেতা, মন্তব্য করে বাড়ালেন জল্পনা

  এক সময় তিনিও তৃণমূলের সাংসদ ছিলেন। লোকসভা ভোটের অনেক আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের আগে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে তার হাজির হওয়াকে ঘিরে তীব্র জল্পনা ছড়ায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন করতে শুরু করে, এবার হয়ত বিজেপি ছেড়ে

তৃণমূল নেতার হুংকার উড়িয়ে পুজোর উদ্বোধনে রাজ্যপালই, সঙ্গী হেভিওয়েট বিজেপি নেতা

  রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে জগদীপ ধনকারের। কখনও যাদবপুর, কখনও জিয়াগঞ্জ, আবার কখনও বা দুর্গাপুজোর কার্নিভাল, বিভিন্ন ঘটনায় রাজ্যপালের মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়েছে সরকার পক্ষ। পাল্টা সরকারের তরফ থেকে হেভিওয়েট মন্ত্রীরা ময়দানে নেমে সাংবিধানিক প্রধানের বিরুদ্ধে এমন সব মন্তব্য করেছেন, যা রাজ্য রাজনীতিতে সত্যিই নজিরবিহীন

বাংলায় বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব কি বদলাচ্ছে? নভেম্বরে অমিত শাহের বৈঠকের পরই চূড়ান্ত চিত্র

  এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির 18 টা আসন পাওয়ার পেছনে দিলীপ ঘোষের যথেষ্ট অবদান রয়েছে বলে মনে করেন বিজেপির নেতা কর্মীরা। 2015 সালে বঙ্গের রাজ্য সভাপতি হিসেবে দিলীপ ঘোষ দায়িত্ব পাওয়ার পরই তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হতে দেখা যায় তাঁকে। আর যার পরে ধীরে ধীরে এক পা দু পা

Top
error: Content is protected !!