এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "bengal"

সদ্য হওয়া বিধানসভায় গেরুয়া ঝড়ের দাপটে বিরোধীরা কুপোকাত, বাংলা নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বিজেপি

2019 সালের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে গোটা ভারতবর্ষের প্রায় সকল বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি কার্যত এক মঞ্চে এসে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টির সরকারের বিরোধিতা করেছিলেন। দক্ষিণের চন্দ্রবাবু নাইডু থেকে শুরু করে শরদ পাওয়ার, পূর্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে কংগ্রেস অধ্যক্ষ সোনিয়া গান্ধী, সকলেই প্রায় এক সুরে এনডিএ সরকারের

বাংলাতে কখনই এনআরসি হতে দেব না, ফের হুংকার মমতার

অসমে জাতীয় নাগরিকপঞ্জির তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পরই দেখা যায়, অনেক বাঙালির নাম বাদ পড়েছে। যার পরে সেই ঘটনা নিয়ে অসম তথা গোটা ভারতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। আর এই বিষয় নিয়ে বিজেপি বিরোধী প্রায় সব কটা রাজনৈতিক দল বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনে গর্জে উঠলে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে গেরুয়া শিবির। তবে সেই অস্বস্তিকে

2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে কত আসন পেতে পারে বিজেপি, জেনে নিন

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় তাদের হিম্মত দেখিয়ে দিয়েছে। 2 থেকে বাড়িয়ে একেবারে 18 টি আসন দখল করে তৃণমূলের ঘাড়ে ক্রমাগত নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে তারা। তবে বরাবরই বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, লোকসভা নির্বাচন তাদের কাছে সেমিফাইনাল ম্যাচ। আর বিধানসভা নির্বাচন তাদের কাছে ফাইনাল ম্যাচ। তাই আগামী 2021 এর

রাজ্য বিজেপির দাবি মেনে নিলেন রাজ্যপাল, ফের সংঘাতের পথে কেন্দ্র-রাজ্য-রাজ্যপাল

দূরত্ব কি আরও বাড়ল! যত দিন যাচ্ছে, ততই যেন রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সম্পর্কের তিক্ততা বেড়েই চলেছে। শুরুটা হয়েছিল, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকারের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। পরবর্তীতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্তার ঘটনায় রাজ্যপালের উপস্থিতি এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের কিছুটা সমালোচনা করে রাজভবনের প্রধান

ভোটার তালিকা যাচাইয়ের সঙ্গে এনআরসির কি সম্পর্ক? স্পষ্ট করলেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার

অসমে এনআরসি চালুর পর বাংলাতেও এনআরসি হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল। তবে প্রথম থেকেই এই ব্যাপারে সাধারণ মানুষের মনের আতঙ্ক কাটাতে বাংলায় তিনি কোনোভাবেই এনআরসি হতে দেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিজেপি নেতাদের একাংশের এনআরসির স্বপক্ষে দাবি এবং গোদের উপর বিষফোঁড়া

খামোখা মিথ্যা বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন পার্থবাবু? রাজ্যপাল-শিক্ষামন্ত্রী সংঘাত চরমে

কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর পর নতুন রাজ্যপাল হিসেবে জগদীপ ধনকার রাজভবনের কর্তা হওয়ার পরই যত দিন যেতে থাকে, ততই তার সাথে রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। অনেকে বলছেন, বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের তরফ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর রাজ্যপাল বিরোধী মন্তব্য রাজভবন বনাম নবান্নের সম্পর্কের তিক্ততা দিনকে দিন বাড়িয়ে দিচ্ছে। এবার

স্বয়ং নরেন্দ্র মোদির হাত থেকে বড়সড় পুরস্কার পেতে চলেছে বাংলার একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত-পরিষদ

2018 সালে বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিজেপি-তৃণমূল দ্বৈরথ লক্ষ্য করা গেছে। তারপরে গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ব্যাপক উত্থান- হয়েছে বিজেপির। 18 টি আসন লাভ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজ্য রাজনীতির পেক্ষাপটে এখন বিজেপি তৃণমূল তরজা চরমে। রাজ্য সরকারে তৃণমূল আর কেন্দ্র সরকারে বিজেপি থাকার

বাংলাকে “কৃতজ্ঞতা” জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে নভেম্বরের শেষেই ভোটের দামামা বিজেপির?

মানুষ সাফল্য পেলে তাদের আশা আরও বেড়ে যায়। বাংলায় বিজেপির ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে টেক্কা দিয়ে ও তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলে বাংলার 42 টি আসনের মধ্যে 18 টি আসন নিজেদের দখলে রেখেছে গেরুয়া শিবির। যার পরে বিজেপি নেতাদের মুখে বারেবারেই শোনা গেছে আত্যপ্রত্যয়ের কথা। আগামী বিধানসভা নির্বাচন তাদের কাছে

পুলিশি রিপোর্টই বলছে বাংলা বর্তমানে মাদক পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য!

আইনশৃঙ্খলায় বাংলা প্রত্যন্ত বাজে জায়গায় রয়েছে বলে মাঝেমধ্যেই সরব হতে দেখা যায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ তোলার পাশাপাশি এবার ভিন রাজ্যের নিষিদ্ধ মাদক পাচারের অভিযুক্তদের একটা বড় অংশ এই বাংলায় আশ্রয় নিচ্ছে বলে রিপোর্টে প্রকাশ পেল। জানা গেছে, পাঞ্জাবে মাদক পাচারে যে সমস্ত অভিযুক্তদের এখনও হদিশ পাওয়া যায়নি,

নিজের কাঁধেই দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গ-বিজয় পরিকল্পনায় অমিত শাহ

2014 সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় ভারতীয় জনতা পার্টি তার কাঁধে উত্তরপ্রদেশে দলের বিজয় সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। সেই সময় ভারতীয় জনতা পার্টি খুব ভালোমতো জানতেন, দিল্লি যাওয়ার রাস্তা লখনউ হয়েই যায়। দলের আশা ভরসা 100 শতাংশ রক্ষাও করেছিলেন তিনি। উত্তরপ্রদেশ থেকে তদানীন্তন রাজ্যের শাসক দল সমাজবাদী পার্টি, প্রধান বিরোধীদল বহুজন সমাজবাদী

Top
error: Content is protected !!