এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "babul supriyo"

বাবুল হেনস্থাকারীকে মারধরের দায়ে গ্রেপ্তার ৯, দেবাঞ্জনকে বিশেষ পুলিশি পাহারা!

বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্থার ঘটনায় বেশ কিছুদিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। আর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনার আঁচ এসে পড়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই ঘটনা ততই বাঁক নিতে শুরু করেছে। জানা যায়, বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্তার ঘটনায় যে দেবাঞ্জন বল্লভের নাম জড়িয়েছিল, এবার সেই দেবাঞ্জন বল্লভকে

বাবুলকে যাদবপুরে হেনস্থা করা দেবাঞ্জনকে তার নিজের এলাকায় বাস থেকে নামিয়ে নিগ্রহের অভিযোগ

ঘটনার পর এত দিন পেরিয়ে গেলেও যাদবপুর ঘটনার স্থায়িত্ব কিন্তু এখনো রয়ে গেছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি যাদবপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ছাত্রদের দ্বারা নিগৃহীত হন। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার পরেও তিনি যখন ছাত্র-ছাত্রীদের ঘেরাওয়ের হাত থেকে মুক্তি পান না, সেসময় তাকে মুক্ত করতে ময়দানে নামেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। যা নিয়েও চূড়ান্ত

এবার বেফাঁস মন্তব্য কেন্দ্রীয় বিজেপি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র,বাড়লো বিতর্ক

বিতর্কিত মন্তব্য করে কিংবা ইতিহাসের বিকৃতি ঘটিয়ে বারবার সংবাদমাধ্যমের শিরোনামের আসা রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের কাছে প্রায় রোজকার ব্যাপার। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের এমন মন্তব্য বারবার বারবার শোনা গেছে। বাংলায় মুখমন্ত্রী থেকে শুরু করে দলের অন্য নেতা নেত্রী কিংবা বিজেপির রাজ্য সভাপতি কেউই কম জানা। এবার তাদের সাথেই যুক্ত হলো অন্য

যাদবপুরের হেনস্থা কাণ্ডের পর এসএফআইয়ের নতুন পদক্ষেপে বাড়ল বিতর্ক! আরো চাপে বামফ্রন্ট?

গতরাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছিল রাজনৈতিক যুগের একটি কালো দিন‌। ন্যাক্কারজনক ভাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হেনস্থা করায় রাজ্যের সমস্ত দলগুলি থেকে উঠেছে নিন্দার ঝড়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এদিন বাবুল সুপ্রিয়র অনুষ্ঠান ঘিরে এক নজিরবিহীন নৈরাজ্যের কালো দিন দেখল পশ্চিমবঙ্গ। সেদিন বেশ কয়েকটি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সমর্থকদের হাতে বেনজির ভাবে হেনস্থা হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

BIG BREAKING –কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় । জানা যাচ্ছে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় গেটে যাওয়া মাত্রই তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা হেনস্থা করতে থাকেন তাঁকে। এখনো বিক্ষোভ চলছে। বার বার শান্তভাবে বিষয়টি হাতের মধ্যে রাখতে চেয়ে উপাচার্য বাবুল সুপ্রিয়কে ও ছাত্রছাত্রীদের শান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু বিক্ষোভ অব্যাহত। বাবুল

বিজেপি সাংসদের সঙ্গে মন্দিরে গিয়ে একসাথে পুজো দিয়ে জল্পনা বাড়ালেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের তৃণমূলের অনেক হেভিওয়েট নেতা, বিধায়ক গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেছেন। যার ফলে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের মুকুট থেকে একের পর এক পালক খসে পড়েছে। আর এবার ফের এক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা ছড়িয়ে পড়ল। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার লোকসভা নির্বাচনের আগে মন্তেশ্বরে চামুণ্ডা মন্দিরে করা মানতের

দুর্গাপুজো নিয়ে এবার তীব্র তরজা শুরু বাবুল সুপ্রিয়-পার্থ চ্যাটার্জির – জানুন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ভালো ফলাফল করার পরই সেলেব মহল, ক্রীড়া জগতের পর বাংলার প্রাণের উৎসব দুর্গাপূজাকে পাখির চোখ করেছিল তারা। পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ার আগেই একাধিক পুজো কমিটি নিজেদের বাগে আনার চেষ্টা করতে শুরু করেছিল গেরুয়া শিবির। যা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে শাসক-বিরোধী তরজা চরম আকার ধারণ করেছিল। তবে বিজেপি বাংলার

নিজের কেন্দ্রে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, জেনে নিন

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই কেন্দ্রের তরফে ভারতীয় রেলে বেসরকারি বিনিয়োগের উদ‍্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজেটে রেলকে 'পিপিপি' মডেল বা 'পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ'-এর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সেই অনুযায়ী ইতিমধ্যে রেলের সাতটি প্রোডাকশন ইউনিটে বিলগ্নিকরনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর মধ‍্যে চিত্তরঞ্জনের রেল ইঞ্জিন কারখানা অন‍্যতম। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে সমর্থন করে আসানসোলে বিক্ষোভের

উলটপুরাণ বাংলায়! হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগ! উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

লোকসভা নির্বাচনে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 42 এ 42 এর ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সেই স্লোগান পূর্ণ হয়নি। উল্টে বিজেপি বাংলা থেকে 18 টি আসন নিজেদের দখলে নিয়ে তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে। আর দলের এই খারাপ ফলাফলের পরই ফলাফল পর্যালোচনা বৈঠকে কি কারণে এই খারাপ ফলাফল হল, তা নিয়ে

“ওনার মাথা নয়, বয়স কথা বলছে” অমর্ত্য সেনকে বেনজির তোপ বিজেপি সাংসদের, জানুন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই বঙ্গ রাজনীতির অন্দরমহল যেন ধর্মযুদ্ধে পরিণত হয়। দিকে দিকে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়া হলে তা নিয়ে প্রবল বিরোধিতা করতে দেখা যায় তৃণমূলকে। যা নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বিভিন্ন মহলের সমালোচনার শিকার হতে হয়। কেননা জয় শ্রীরাম স্লোগান দিলেই কেন সেটাকে রাজনৈতিক

Top
error: Content is protected !!