এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "সোমেন মিত্র"

লোকসভার লড়াই: ডায়মন্ড হারবার লোকসভা ও অন্তর্গত বিধানসভার সর্বশেষ জনমত সমীক্ষার ফলাফল

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বাংলার ৪২ টি লোকসভা আসনের সাম্ভাব্য ফলাফল কি হতে পারে – প্রতিটা বিধানসভা ধরে ধরে আমরা আপনাদের সামনে তুলে আনার চেষ্টা করছি। এর আগে আমরা পর্যায়ক্রমে ৩ টি সমীক্ষা আপনাদের সামনে তুলে ধরি – লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এটি আমাদের চতুর্থ স্যাম্পল সার্ভে। এরপর প্রার্থী তালিকা

সোমেন মিত্রের নেতৃত্ত্বে ঘুরছে কি চাকা? এবার তৃণমূল ছেড়ে কয়েকশো কর্মী ফিরে গেলেন কংগ্রেসে

অধীর রঞ্জন চৌধুরীর জায়গায় সোমেন মিত্রকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ত্ব দেওয়ার পরেই - সোমেনবাবু ঘোষণা করেছিলেন, কংগ্রেস ছেড়ে যাঁরা অন্যদলে গেছেন, তাঁরা সেখানে ভালো নেই বলে খবর পেয়েছি। পুরোনো কংগ্রেসীদের ঘরে ফেরানো হবে এবং অন্যান্য দলে যাঁরা সম্ভবনাময় তাঁদেরও কংগ্রেসে শামিল করার চেষ্টা হবে। কথা রাখছেন সোমেনবাবু - যেখানে কংগ্রেস ছেড়ে

এবার কি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন রাজ্যের এই প্রাক্তন হেভিওয়েট সাংসদ? জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনের আগে আর হাতে গোনা কয়েকটা মাস - কিন্তু এখন থেকেই সেই নির্বাচনকে লক্ষ্যে রেখে পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। আর, তারই অন্যতম অঙ্গ হিসাবে রাজ্য-রাজনীতির বিভিন্ন হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীর দলবদলের খবর আসছে প্রায়শই। তবে, এতদিন এই দলবদলের খবরের দুই মুখ্য চরিত্র ছিল রাজ্যের দুই যুযুধান

গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র – জানুন বিস্তারিত

অসুস্থ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সৌমেন্দ্রনাথ মিত্র। রবিবার শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে এই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে। বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন সোমেনবাবু বলে সূত্রের খবর। তাঁর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে যে বুকে সর্দি বসেছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই, পরে সেটাই বাড়াবাড়ি হয়ে শ্বাসকষ্ট হতে দেখা গেলে, আর

গো-বলয়ের জয় দিয়েছে নতুন অক্সিজেন, বঙ্গ রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়াতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ হাত শিবিরের

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর কাছে পরাভূত হওয়ার পর গোটা দেশের রাজনীতিতেই যেন হঠাৎ করে কংগ্রেস ক্ষয়িষ্ণু শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। এই রাজ্যও তার ব্যতিক্রম ছিল না - ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে বাংলায় প্রধান বিরোধী দলের তকমা জুটলেও - একের পর এক দলীয় নেতা-বিধায়ক হারিয়ে ক্রমশ 'সাইনবোর্ড'

রাহুলের যোগ্যতাকে ছোট করে দেখছেন মমতা- ফের কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতার কটাক্ষের মুখে তৃণমূল নেত্রী

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ম্যান অব দ্য ম্যাচের খেতাব ছিনিয়ে নিল কংগ্রেস। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো - সাজো সাজো রব হাত শিবিরে। জয়ের আনন্দে ভাসছেন রাহুলবাহিনী। গোটা দেশেই যেন ফের একবার উৎসবের মরশুম শুরু হল কংগ্রেসীদের। তাছাড়া অভাবনীয় জয়ের সাফল্য উদযাপনে পিছিয়ে নেই প্রদেশ কংগ্রেসও।

সোমেন জমানায় ঘুরতে শুরু করলো চাকা? বাম জমানার হেভিওয়েট সংখ্যালঘু মন্ত্রী এবার কংগ্রেসে

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে যখন অধীর চৌধুরী তাঁর দায়িত্ব সামলেছিলেন, তখন একের পর এক দলীয় বিধায়ক থেকে নেতারা কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। যার জেরে প্রবল ধ্বস নেমেছিল রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবনে। কিন্তু এবারে প্রদেশ সভাপতি হিসেবে সোমেন মিত্র দায়িত্ব নেওয়ার পরই অবশেষে কি সেই কংগ্রেস ছেড়ে

পিবি এক্সক্লুসিভ: এই মুহূর্তে লোকসভা ও বিধানসভা ভোট হলে কি হবে ডায়মন্ড-হারবারের চিত্র?

এগিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন - আর তার সাথেই বাড়ছে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ। একদিকে যখন তৃণমূল নেত্রীর ৪২-এ-৪২ করার ডাক, অন্যদিকে তখন গেরুয়া শিবিরের রাজ্য থেকে ২২ টি আসন জয়ের দাবি। পিছিয়ে নেই বামফ্রন্ট বা কংগ্রেসও, ২০১৬ বিধানসভার মত আবারো জোট করে তৃণমূল-বিজেপির সব অঙ্ক তারা গুলিয়ে দেবে? প্রশ্ন অনেক -

কংগ্রেসের অন্যতম শাখা সংগঠনের সর্বভারতীয় শীর্ষপদে এক বাঙালির বসা আটকাতেই কি শুরু হয়েছে নতুন ‘খেলা’

আজ কলামন্দিরে কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসির একটি সভা আয়োজিত হতে চলেছে - যার উদ্বোধন করতে চলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। এই সভায় সারা বাংলা থেকেই কংগ্রেসের শ্রমিক নেতারা অংশগ্রহণ করতে চলেছেন - যেখানে বর্তমান পরিস্থিতিতে চাকরির সুরক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, গ্র্যাচুইটির কিছু অসুবিধা - এই সব নিয়েই আলোচনা হতে চলেছে। কিন্তু

বেদনাতুর দীর্ঘ যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে এবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত লড়াইয়ের পথে রাজ্যের হাজার হাজার শিক্ষাবন্ধু

যতদিন যাচ্ছে ততই যেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উপচে পড়ছে রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীদের মধ্যে। এতদিন রাজ্য সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলে বড়সড় আন্দোলনের পথে হেঁটেছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা। আর এবার রাজ্য সরকারের অস্বস্তি বহুগুন বাড়িয়ে তীব্র আন্দোলনের পথে রাজ্যের হাজার হাজার শিক্ষাবন্ধুরা। আজ ও আগামীকাল -

Top
error: Content is protected !!