এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "সিপিএম"

মন্ডল সভাপতি নির্বাচনের নামে চলছে স্বজনপোষণ! ক্ষোভে ফেটে পড়ছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরমহল

বীরভূম তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত। অনুব্রত মণ্ডলের দাপটে এখানে বিরোধীরা কার্যত নিশ্বাস ফেলতে পারেন না। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন জেলায় বিজেপি দাগ কাটলেও বীরভূমে তারা একটি আসনও দখল করতে পারেনি। তবে কিছু বুথে বিজেপির জয় লক্ষ্য করা গেছে। যা নিঃসন্দেহে অনুব্রত মণ্ডলের মত দক্ষ সংগঠকের কাছে অত্যন্ত চিন্তার কারণ।

বিজেপির ‘অফার’ ছিল, পছন্দ হয় নি! দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিলেন প্রাক্তন বিধায়ক

লোকসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যে বিজেপির প্রবল উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। গত ২০১৪ সালে তারা দুটি আসন পেলেও এবার তাদের দখলে এসেছে প্রায় ১৮ টি আসন। আর নির্বাচনে এই সাফল্যের পরই বাংলায় বিভিন্ন দল থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন। যার জেরে নিজেদের শক্তি দিনকে দিন বৃদ্ধি হতে

বিজেপি সেমিফাইনালে গো-হারা হেরেছে, ফাইনালে অল আউট হয়ে যাবে: শুভেন্দু অধিকারী

কার্তিক গুহ, পশ্চিম মেদিনীপুর:- ইংরেজি ক্যালেন্ডারের বর্ষবরণের দিনেই তৃণমূল কংগ্রেস ২১ থেকে ২২ শে পা দিলো - আর এদিনই কেশিয়াড়িতে দলীয় সভায় যোগ দিয়ে প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিজেপিকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, পাঁচ রাজ্যে ভোটে হেরে বিজেপি প্রমাণ করেছে সেমিফাইনালে তারা গো-হারা হেরেছে,

বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উস্কে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি বিজেপি-কংগ্রেস-সিপিএম এক হয়ে গেছে

তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে যতই বলুন - তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন না - তাঁর অনুগত সৈনিকরা কিন্তু সেই স্বপ্নে বিভোর। একইসঙ্গে সেই 'বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর' স্বপ্ন তাঁরা বঙ্গবাসীকেও দেখতে শুরু করে দিয়েছেন। গতকাল, ভরতপুর ২ নম্বর ব্লকের সালার বাসস্ট্যান্ডে ব্রিগেড কর্মসূচির প্রস্তুতিসভায় আরও একবার তা স্পষ্ট করে দিলেন

মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নে বড় বাধা! কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয় আটকানো পথে বামেরা – জানুন বিস্তারিত

ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিভিন্ন সময় রাজ্যের উন্নয়নে বিরোধীরা বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করতেন শাসকদলের নেতা মন্ত্রীরা। যদিও বা বিরোধীদের তরফ সেই অভিযোগকে বারবার নস্যাৎ করা হয়েছে। তবে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ব্যাপারে প্রবল বিরোধিতায় নামল রাজ্যের একদা ক্ষমতাসীন দল হিসেবে পরিচিত বামফ্রন্টের বড় শরিক

“কথা দিয়েও” তৃণমূল নেতারা কথা না রাখায় তৃণমূলকে হারাতে গিয়ে নিজেরাই হেরে গেল বিজেপি? বাড়ছে জল্পনা

সমস্ত কিছু ঠিকঠাকই ছিল - কিন্তু হঠাৎই অনাস্থা প্রস্তাবের ফলাফল প্রকাশ্যে আসাতেই কার্যত মুখ পুড়ল বিজেপির। সূত্রের খবর, রামজীবনপুর পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার ব্যাপারে প্রথমে একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলরদের সমর্থন পেলেও পরে অনাস্থা প্রস্তাবে মূল কাউন্সিলররা বিজেপির পক্ষে না থাকায় শেষপর্যন্ত ৬-৪ভোটে জয়লাভ করলেন তৃণমূলেরই চেয়ারম্যান নির্মল চৌধুরী। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১১

রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীর সামনেই জেলার হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাকে ‘হঠানোর’ দাবি! গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না সিপিএম-কংগ্রেসের চাল?

শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে একদা কংগ্রেস গড় মুর্শিদাবাদের ধীরে ধীরে ফুটতে শুরু করেছে ঘাসফুল। তবে, এখানে শাসকদলের দাপট বাড়লেও - পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও, বলে অভিযোগ বিভিন্ন মহলে। আর, এবার শুভেন্দু অধিকারীর রাণীনগরের সভাতেই জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি তথা ডোমকলের পুরপ্রধান সৌমিক হোসেনের বিরুদ্ধে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের একাংশ বিক্ষোভ

আগাম হুঁশিয়ারি দেওয়া সত্ত্বেও বিরোধী দল থেকে শাসকদলে এলেন না কেউ, কি বলছেন শুভেন্দু অধিকারী নিজে?

একের পর এক কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত জেলাগুলির সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়ে সেখানে ঘাসফুলের পতাকা ওড়াতে সক্ষম হয়েছেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানে একদমই ব্যতিক্রম নয় একদা কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর গড় বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদ জেলাও। এই জেলায় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিরোধী নেতা থেকে বিধায়কদের শাসকদলে যোগদান করিয়েছেন তিনি। আর

বিজেপিকে জেতাতে মোটা টাকা নিয়ে ভোট ভাগ করছে সিপিএম? প্রাক্তন বাম সাংসদের বিস্ফোরক অভিযোগে শোরগোল

রাজনৈতিক মতবাদের দিক থেকে দুটি দল - সিপিএম ও বিজেপি, সম্পূর্ণ বিপরীত দুই মেরুতে অবস্থান করে। অথচ, সেই বিজেপিকেই নাকি জেতাতে মোটা টাকার বিনিময়ে ভোটভাগের খেলায় নেমেছে সিপিএম। আর, সেই টাকার পরিমান রীতিমত চমকে দেওয়ার মত - ১০০ কোটি! এই বিপুল পরিমান টাকা নিয়ে দলের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট

পাঁচ রাজ্যে শূন্য থেকে শুরু করে চার আসন – শ্রমিক ও কৃষক আন্দোলনে ভর করে ঘুরে দাঁড়ানোর ভাবনায় বামফ্রন্ট

কৃষক এবং শ্রমিকদের দাবি দাওয়াকে নিয়ে আন্দোলন সংঘটিত করলেই যে তাঁদের ভোটব্যাঙ্ক মজবুত হবে তা পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল থেকেই কিছুটা আন্দাজ করতে পারল সিপিএম। বিশেষ সূত্রের খবর, এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে যে সমস্ত এলাকায় কৃষক ও শ্রমিক সংগঠনের নিয়মিত আন্দোলন কর্মসূচি করেছিল বামেরা, সেখানে কিছুটা হলেও মাথা তুলতে পেরেছে

Top
error: Content is protected !!