এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "রাজনৈতিক দল"

বলিউডের নামী বাঙালি অভিনেত্রী এবার বাংলা থেকে বিজেপির টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে? জল্পনা চরমে

আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে সব রাজনৈতিক দলই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছে। কোন দলের হয়ে কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন - সেই জল্পনায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তবে বাংলার ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি আগ্রহ দুটি দলকে নিয়ে - তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি। আর সেটাই স্বাভাবিক - কেননা একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেত্রী হুঙ্কার দিয়েছেন বাংলায়

কলকাতার নামী সংবাদপত্রের হেভিওয়েট সাংবাদিক কি এবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায়? জল্পনা চরমে

লোকসভা ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থী তালিকা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। বাংলার ৪২ টি আসনের মধ্যে গতবার ৩৪ টি আসনই গিয়েছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। তা সত্ত্বেও, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সবথেকে বেশি জল্পনা শাসকদলের প্রার্থী তালিকা ঘিরেই। কারণ, শাসকদলের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, গতবারের বিজয়ী

দক্ষিণের রাজনীতির ‘শূন্যস্থানের’ দখল নিতে আসরে হেভিওয়েট অভিনেতা, নতুন দলের জোট ভবিষ্যৎ নিয়ে জিইয়ে রাখলেন ধোঁয়াশা

২০১৬ সালে তামিলনাড়ুর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা মারা যাওয়ার পরই শূন্যতা সৃষ্টি হয় সেখানকার রাজনৈতিক মহলে। আর সেই শূন্যস্থান পূরণে সেখানকার প্রায় সিংহভাগ মানুষই চাইছিলেন যে, আম্মার রাজ্যে নতুন কোন মুখ উঠে আসুক।সেইমতো কিছুদিন আগেই সেই তামিলনাড়ুতে নিজের তৈরি রাজনৈতিক দল "মাক্কাল নিধি মাইয়ম" কে প্রতিষ্ঠা করে সকলকে চমক লাগিয়ে দেন

দিলীপ-রাহুল-সুব্রতদের অমিত শাহের দিল্লিতে জরুরি তলব – জল্পনা বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে, বিশেষ করে গো-বলয়ে কংগ্রেসের কাছে ধরাশায়ী হতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। ফলে, সম্মিলিত বিরোধী শক্তি আরও বলীয়ান হয়ে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ঝাঁপাবেই। এই পরিস্থিতিতে, কেন্দ্র দ্বিতীয়বারের জন্য নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ত্বাধীন সরকার গড়া বেশ কঠিন - মেনে নিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আর তাই, পশ্চিম ও মধ্যে ভারতের যে আসন সংখ্যা গেরুয়া

শিক্ষক আন্দোলনের বড় সাফল্য – শিক্ষকের ঐক্যের কাছে পিছু হটে অবশেষে অনুমোদিত এই ফান্ড – জানুন বিস্তারিত

যত দিন যাচ্ছে ততই যেন সুসংহত অথচ দৃঢ় প্রত্যয়ী পথে রাজ্য-রাজনীতিকে আন্দোলনের পথ দেখাচ্ছেন রাজ্যের শিক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বিপুল পরিমান ডিএ, পে কমিশনও নজিরবিহীনভাবে দীর্ঘসূত্রিতার রেকর্ড ভেঙে সাড়ে তিন বছরের মেয়াদের দিকে এগোচ্ছে। এদিকে, রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগ্যতা চার বছরের বাড়াতে বাধ্য করে কেন্দ্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়ে নিলেও দেখা

Top
error: Content is protected !!