এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়"

রেজ্জাক-পুত্রের পর এবার আরেক হেভিওয়েট-পুত্রের ‘কাটমানি’ কাণ্ডে তীব্র অস্বস্তিতে তৃণমূল

বাংলায় বিজেপির তীব্র উত্থানের পর তৃণমূল কংগ্রেস নিজের ভুলত্রুটি নিয়ে আলোচনায় বসে সিদ্ধান্তে আসে স্থানীয় স্তরে নেতাদের দুর্নীতি - এই ভরাডুবির অন্যতম বড় কারণ। মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক প্রকল্প যা সাধারণ মানুষকে বড়সড় সুবিধা দিতে পারত, সেখানে তৃণমূল নেতারা মাঝখান থেকে 'কাটমানি' নেওয়ায়, সাধারণ মানুষ নাকি যথাযথ পরিষেবা পান নি।

বড় ধাক্কা কংগ্রেসের! একযোগে ১০ বিধায়কের যোগ বিজেপিতে

বাংলায় এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করেছিল - ৪২ এ ৪২, একইসঙ্গে তাদের দাবি ছিল - প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার থেকে নরেন্দ্র মোদিকে সরিয়ে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু গত ২৩ শে মে ফলাফল বেরোলে দেখা যায় সেসব কিছুই হয় নি, উল্টে একাই ৩০৩ টি আসন

পুলিশ কর্মীদের জন্য সুখবর, বড়সড় নির্দেশিকা জারি নবান্ন থেকে – জেনে নিন বিস্তারিত

এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খারাপ ফলাফল হওয়ার পেছনে সরকারি কর্মীদের সমর্থন যে অনেকাংশেই কম ছিল, তা বুঝতে বাকি নেই কারোরই। কেননা দীর্ঘদিন ধরেই মহার্ঘ ভাতা না দেওয়ার ফলে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের মনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। আর সরকারি কর্মীদের সেই ক্ষোভ প্রশমিত না হলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন যে

বিস্ফোরক উত্তরবঙ্গের তৃনমূলের হেভিওয়েট নেতা, বিজেপি যোগের জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল এবার উত্তরবঙ্গে একটি আসনও নিজেদের দখলে রাখতে পারেনি। আটটার মধ্যে সাতটা আসনে বিজেপি এবং একটিতে কংগ্রেস জয়লাভ করেছে। আর উত্তরবঙ্গে দলের ভরাডুবিতে রীতিমত আতঙ্কিত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস, দলীয় সংগঠনকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে শুরু করেছে। তবে সংগঠনকে ঢেলে সাজালেও ভাঙ্গন কিছুতেই রোখা যাচ্ছে না তৃণমূলের। কিছুদিন

বিধানসভায় ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি, দলীয় বিধায়কদের কড়া নির্দেশিকা তৃণমূলের

বেশ কিছুদিন আগেই তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে দলীয় বিধায়কদের বিধানসভায় হাজিরা দেওয়ার ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিতে দেখা যায় তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু নেত্রীর সেই নির্দেশ যে দলীয় বিধায়কদের কানে এখনও পৌঁছায়নি তা ফের স্পষ্ট হয়ে গেল। লোকসভা নির্বাচনের পর যখন বাংলায় বিজেপির শক্তি দিনকে দিন বৃদ্ধি হচ্ছে,

গ্রেপ্তার হবেন অর্জুন সিং? ভাটপাড়ায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের দাবি ঘিরে তীব্র জল্পনা রাজ্যজুড়ে

লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই খবরের শিরোনামে ভাটপাড়া তথা ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল। সাংসদ হওয়ার মনোস্কামনা নিয়ে ভাটপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গেলে তিনি তাঁকে নিরাশ করেন। আর এরপরেই অর্জুনবাবু বিজেপিতে যোগ দিয়ে গেরুয়া শিবিরের টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন। ব্যারাকপুরের হেভিওয়েট তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীকে পরাভূত করে

মুকুল-শঙ্কুর হাত ধরে এবার খোদ কলকাতার বুকে তৃণমূলের যুব সংগঠনে বড়সড় ভাঙন ধরালো বিজেপি

লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপি ১৮ টি আসন জেতার পরেই, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক লেগেছে। রাজনৈতিক গুরু মুকুল রায় যখন তৃণমূলের মাদার সংগঠনকে ভেঙে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছেন, তখন প্রিয়তম শিষ্য শঙ্কুদেব পণ্ডা একই দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছেন তৃণমূলের ছাত্র ও যুব সংগঠনে থাবা বসাতে। এতদিন, শঙ্কুদেব পণ্ডার

মমতা ব্যানার্জিকে তীব্র কটাক্ষ, শুভেন্দু অধিকারীর উচ্চ প্রশংসা! জল্পনা বাড়ালেন মুকুল রায়

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরই ফলাফল পর্যালোচনায় বৈঠক করে সংগঠনকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে বাড়তি দায়িত্ব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দায়িত্ব পেয়েই বিভিন্ন জেলায় চষে বেড়াতে শুরু করেন তিনি। ইতিমধ্যেই লোকসভা ভোটে খারাপ ফলাফল হওয়া জঙ্গলমহলে দলীয় সংগঠনকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য জনসংযোগ যাত্রার মাধ্যমে সেখানে ঝড় তুলছেন

শাসকদলের অস্বস্তি বাড়িয়ে শুভেন্দু-অভিষেককে ঘিরে দ্বিধাবিভক্ত কর্মীরা? তীব্র হচ্ছে জল্পনা

দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের অন্দরে শুভেন্দু অধিকারী বনাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কের চোরাস্রোত বইছে বলে শুনতে পাওয়া যায়। একাংশ অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো বলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের শীর্ষস্থানে বসিয়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে ব্রাত্য করে রাখা হয়েছে। যার জেরে দীর্ঘ বাম আমলে লড়াই আন্দোলন করে আসা শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে সওয়াল করতেও দেখা

আবার বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের বিধায়কদের বেতন, ক্ষোভ সরকারি কর্মী ও শিক্ষকমহলে

রাজ্যে যখন বাম শাসন ছিল, তখন প্রধান বিরোধী নেত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের আন্দোলনে গিয়ে বলেছিলেন, যে সরকার সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য দিতে পারে না, তাদের অধিকার নেই এক মুহূর্তও ক্ষমতায় থাকার। রাজ্য সরকারি কর্মীরা ও শিক্ষকরা, এর পরে অনেক আশা নিয়ে দুহাত ভরে তাঁকে সমর্থন জানিয়েছিলেন ২০১১

Top
error: Content is protected !!