এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "বামফ্রন্ট"

বড় ধাক্কা কংগ্রেসের! একযোগে ১০ বিধায়কের যোগ বিজেপিতে

বাংলায় এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করেছিল - ৪২ এ ৪২, একইসঙ্গে তাদের দাবি ছিল - প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার থেকে নরেন্দ্র মোদিকে সরিয়ে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু গত ২৩ শে মে ফলাফল বেরোলে দেখা যায় সেসব কিছুই হয় নি, উল্টে একাই ৩০৩ টি আসন

বিগ ব্রেকিং নিউজ – এই সপ্তাহের মধ্যেই কলকাতা পুরসভার দখল নিতে চলেছে বিজেপি?

লোকসভা নির্বাচনের পরেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানোর ধুম পরে গেছে গোটা রাজ্য জুড়ে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক বিধায়ক তৃণমূল, বামফ্রন্ট বা কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। সেই বিধায়কদের সঙ্গে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিচ্ছেন একাধিক কাউন্সিলরও - ফলে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পুরসভার দখল নিয়েছে বিজেপি। আজ দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে প্রাক্তন তৃণমূল

আজকের পরে বাংলায় বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা কত দাঁড়াল? কে কে আছেন সেই তালিকায়? দেখে নিন একনজরে

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় রেকর্ডকালীন ভালো ফল করে তিন-তিনজন বিধায়ক পায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু, তারপর থেকেই দ্রুত বদলাতে থাকে বাংলার রাজনৈতিক পটচিত্র - বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দ্রুত প্রধান বিরোধী হিসাবে উঠে আসে বিজেপি। মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবার পরেই বিভিন্ন উপনির্বাচনে গেরুয়া শিবির বিশাল

বঙ্গ বিজেপির নবাগতরা কি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাবেন? পেলেও কে কোন আসন থেকে পেতে পারেন?

একদা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত দুনম্বর নেতা মুকুল রায় দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন। আর গেরুয়া শিবিরে পদার্পন করেই তিনি হুঙ্কার ছেড়েছিলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন আদতে নাকি উইয়ের বাসা! সময় এলেই দেখা যাবে তা ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ছে! যদিও মুকুল রায়ের সেই হুঙ্কারে কোনো রকম পাত্তা দেয় নি তৃণমূল

তৃণমূলের মহা-ব্রিগেডে রাহুল গান্ধীর অবস্থান সুবিধা করে দিল বিজেপির, হাত কামড়াচ্ছে কংগ্রেস-বামফ্রন্ট

বর্তমানে সাড়া দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন - বাংলার ক্ষেত্রে সমীকরণটা একদম সোজা। হয় তৃণমূল-পন্থী, নাহয় তৃণমূল বিরোধী। একদিকে যখন শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের দাবি বাম জামানায় রাজ্য যতখানি পিছিয়ে পড়েছিল, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে বিপুল ঋণের বোঝা মাথায় নিয়েও রাজ্যজুড়ে শুধুই উন্নয়ন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের পরিস্থিতি পুরোটাই

ব্রিগেডের আগেই বড় চমক, তৃণমূলে যোগ দিলেন হেভিওয়েট বাম বিধায়ক

এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের নয়নের মনি শুভেন্দু অধিকারী কিছুদিন আগেই হুঙ্কার ছেড়েছিলেন মুর্শিদাবাদে ১০ দিনের মধ্যে বড় উইকেট ফেলবেন। আর এবার নিজের দাবির স্বপক্ষে বাস্তবিকই তা করে দেখালেন তিনি। ব্রিগেডের প্রস্তুতি সভায় মুর্শিদাবাদে গিয়ে জলঙ্গির সিপিএম বিধায়ক আব্দুল রজ্জাককে তৃণমূলে নিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের নির্বাচনে গোটা বাংলা জুড়ে ঘাসফুলের

সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে দেওয়া ব্রিগেডের সফল রূপায়নে তৃণমূল নেত্রীর প্রধান ভরসা হতে চলেছেন যুবরাজই

হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। আর তারপরই দেশের সমস্ত বিরোধী নেতাকে এক মঞ্চে আনতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত আগামী ১৯ শে জানুয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ঐতিহাসিক জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। যে জনসভার মূল উদ্দেশ্যই হল, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে

মুকুল রায়ের থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ মমতা ব্যানার্জির দিকে ছুঁড়ে দিলেন অধীর চৌধুরী

লোকসভা নির্বাচনের যত দিন এগিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে রাজ্য রাজনীতি। বাংলায় এক দিকে যখন ৪২ এ ৪২ করে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উস্কে দিচ্ছে - তখন গেরুয়া শিবির বাংলা থেকে অন্তত ২৩ টি আসন জিতে রাজ্যে তৃণমূলী শাসনের পতনের হুঙ্কার ছাড়ছে। আর এর মাঝেই যেন কোথাও গিয়ে

বাংলা বিজয়ে মোদী-শাহের ভরসার মুখ হতে চলেছেন কি মুকুল রায়ই? নতুন পদক্ষেপে জল্পনা চরমে

মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেও বিজেপি নিজেদের ধারা মেনে দীর্ঘদিন মুকুলবাবুকে দলের একজন সাধারণ কর্মী করেই রেখেছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড দলে এলেও পদ মেলে নি - কেননা বিজেপির বক্তব্য ছিল পরিষ্কার। ভারতীয় জনতা পার্টি একটি সর্বভারতীয় দল - এখানে এলেই 'ততকাল' পদ মেলে না -

এনডিএ, ইউপিএ নাকি ফেডারেল ফ্রন্ট – ইন্ডিয়া টিভির সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী কে করবে বাজিমাত? রাজ্যওয়ারি ফলাফল

গতকাল আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে ইন্ডিয়া টিভি ও সিএনএক্সের যৌথ জনমত সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে। সেই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ২০১৪ সালের তুলনায় ক্ষমতাসীন এনডিএর আসন-সংখ্যা অনেকটাই কমছে - এমনকি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকছে না এনডিএ জোটেরও! যদিও ইউপিএর আসন সংখ্যা অনেকটাই বাড়তে চলেছে নতুন জোটসঙ্গীদের দৌলতে। তবুও, সরকার গড়ার চাবিকাঠি থাকছে আঞ্চলিক দলগুলির

Top
error: Content is protected !!