এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "বকেয়া ডিএ"

আজকের পর বাংলার সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক ভোটের রঙটা কি গেরুয়া হয়েই গেল? বাড়ছে জল্পনা

বর্তমান রাজ্য সরকারের উপর এই মুহূর্তে বোধহয় সবথেকে বেশি ক্ষিপ্ত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কর্মচারীরা। একের পর এক আন্দোলন ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলা সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। আর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকা নেতা তথা সরকারি কর্মচারী পরিষদের রাজ্য আহ্বায়ক দেবাশীষ

নতুন বছরের আতঙ্ক কাটিয়ে অবশেষে নিজেদের প্রাপ্যের মুখ দেখলেন এই সরকারি কর্মচারীরা

নতুন বছরে সবাই যখন নব আনন্দে মেতে - ঠিক তখনই দুশ্চিন্তায় দু চোখের পাতা এক করতে পারছিলেন না মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম বিশ্বস্ত ও অনুগত সৈনিক ফিরহাদ হাকিমের মন্ত্রীত্বে থাকা নগরোন্নয়ন দপ্তরের পেনশন ভোগীরা। কেননা যে ন্যায্য প্রাপ্য তাঁদের মাস পয়লায় পাওয়ার কথা সেই পেনশনের দেখা মাসের অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও পাচ্ছিলেন না

বকেয়া ডিএ ও বেতন কমিশনের পাশাপাশি এবার নতুন আতঙ্ক তাড়া করছে সরকারি কর্মচারীদের!

চাকরি থেকে অবসর নিলে সাধারণ মধ্যবিত্তের ভরসা বলতে মাসের প্রথমে হাতে পেনশনের কটা টাকা! রাজ্যের বিরোধী নেত্রী থাকার সময় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন - যে সরকার সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চনা করে, তাদের এক মুহূর্তও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই! আর তাই, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েই তিনি ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারী,

ডিএ, পে-কমিশন, পিআরটি স্কেলের ত্রহস্পর্শ্যে কি এক কোটি ভোট সঙ্কটে চলে গেল শাসকদলের? বাড়ছে জল্পনা

গতকাল বীরভূমের ইলামবাজারের জনসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন - জানুয়ারি মাসেই তিনি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেবেন। আর এই ঘোষণার পরে স্বাভাবিকভাবেই তীব্রভাবে জল্পনা শুরু হয়ে যায় রাজ্যের সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক মহল ও পেনশন প্রাপকদের মধ্যে। কেননা মুখ্যমন্ত্রী 'সব ডিএ' মিটিয়ে দেওয়ার কথা বললেও -

পিআরটি স্কেল ও অন্যান্য দাবিতে দিলীপ ঘোষের নেতৃত্ত্বে কলকাতার রাজপথে ঝড় তুলতে চলেছে বিজেপি শিক্ষক সেল

পশ্চিমবঙ্গের সমগ্র শিক্ষক সমাজ বর্তমান সরকারের শিক্ষার পরিকাঠামো ও বেতন বঞ্চনার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে। শিক্ষার হাল ফেরাতে ও শিক্ষকদের বেতন বঞ্চনার অবসান ঘটাতে সবসময় শিক্ষক সমাজের পাশে আছেন - এই বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপবাবুর নির্দেশে নতুন বছরের শুরুতেই পথে নামছে ভারতীয় জনতা

এখনো সময় আছে, সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকদের ন্যায্য প্রাপ্য মিটিয়ে দিন, অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন: দিলীপ ঘোষ

দীর্ঘদিন ধরেই বকেয়া ডিএ ও কেন্দ্রীয়হারে বেতন না পেয়ে ক্ষোভের পরিমান আকাশ ছুঁয়েছে রাজ্যের সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকদের। দিকে দিকে বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্নভাবে আন্দোলন করছে দলমত নির্বিশেষে। এমনকি, এই নিয়ে মুখ খুলে বদলি হতে হয়েছে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতাকে। বিরোধীদের অবস্থাও তথৈবচ। আর এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি

আজ ধর্মতলায় দিলীপ ঘোষের হাত ধরে মিলে যেতে চলেছে সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক আন্দোলন – জানুন বিস্তারিত

যত দিন যাচ্ছে ততই রাজ্য সরকারের 'বঞ্চনা' নিয়ে ক্ষোভ তীব্রতর হচ্ছে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকদের মধ্যে। একেই দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ডিএর পরিমান বাড়তে বাড়তে আকাশ ছুঁয়েছে - তার উপরে পে কমিশন নিয়ে রাজ্য সরকারের দীর্ঘসূত্রিতা ভেঙে দিয়েছে অতীতের সব রেকর্ড। এই অবস্থায় আজ ধর্মতলায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি

হাইকোর্টে ডিএ মামলার রিভিউ পিটিশন – কি দাঁড়াল আজকের শুনানির শেষে? জেনে নিন বিস্তারিত

ডিএ নিয়ে স্যাটের মামলায় নথি জমা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে কিনা সেই নিয়ে রাজ্য সরকারের করা রিভিউ পিটিশনের শুনানি ছিল আজ কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানি এইমাত্র শেষ হল। এই মামলার অন্যতম মামলাকারীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই নিয়ে বিস্তারিত জানালেন আমাদের। তাঁর কথামত, আজ

আজ ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারের রিভিউ পিটিশনের শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে, আশা-আশঙ্কার দোলাচলে সরকারি কর্মীরা

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর কলকাতা হাইকোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়ে দেয় ডিএ - রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সাংবিধানিক অধিকারের মধ্যে পরে। কোনোমতেই তা 'দয়ার দান' নয়। কিন্তু, সেই ডিএর হার কি হবে বা তা বছরে কবার করে দেওয়া হবে সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্ট স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যাল বা স্যাটকে

অতিরিক্ত বেতন পেয়ে থাকলে তা ফেরত দিতে হবে 20 শে ডিসেম্বরের মধ্যে, শিক্ষক মহলে চাঞ্চল্য

যত দিন যাচ্ছে ততই যেন শিক্ষকদের একের পর এক আন্দোলনে টালমাটাল হয়ে উঠছে রাজ্য-রাজনীতি। একে দেখা নেই পিআরটি স্কেলের, তার উপরে বকেয়া ডিএ ও কেন্দ্রীয় হারে বেতন না পেয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের ঝড়ের তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে। এমনকী ক্রীড়াক্ষেত্রে চাঁদা বয়কটের ক্ষেত্রেও তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। আর এবারে নতুন এক সিদ্ধান্তে

Top
error: Content is protected !!