এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "পঞ্চায়েত নির্বাচন"

বঙ্গ বিজেপির নবাগতরা কি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাবেন? পেলেও কে কোন আসন থেকে পেতে পারেন?

একদা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত দুনম্বর নেতা মুকুল রায় দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন। আর গেরুয়া শিবিরে পদার্পন করেই তিনি হুঙ্কার ছেড়েছিলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন আদতে নাকি উইয়ের বাসা! সময় এলেই দেখা যাবে তা ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ছে! যদিও মুকুল রায়ের সেই হুঙ্কারে কোনো রকম পাত্তা দেয় নি তৃণমূল

তৃণমূল ভাঙিয়ে কংগ্রেসের বড় শক্তি বৃদ্ধি করেই অধীর চৌধুরীর হুঙ্কার – তিনে তিন, তৃনমূলকে কবর দিন!

মুর্শিদাবাদ জেলা ও অধীর রঞ্জন চৌধুরী যেন একে অপরের সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। নিজের 'গরীবের রবিনহুড' ভাবমূর্তি নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলাকে কার্যত 'কংগ্রেসের-গড়' করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর পরিকল্পনা করতেই যেন - তাঁকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ায় মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় শাসকদলের। মুর্শিদাবাদ

বাংলা বিজয়ে মোদী-শাহের ভরসার মুখ হতে চলেছেন কি মুকুল রায়ই? নতুন পদক্ষেপে জল্পনা চরমে

মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেও বিজেপি নিজেদের ধারা মেনে দীর্ঘদিন মুকুলবাবুকে দলের একজন সাধারণ কর্মী করেই রেখেছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড দলে এলেও পদ মেলে নি - কেননা বিজেপির বক্তব্য ছিল পরিষ্কার। ভারতীয় জনতা পার্টি একটি সর্বভারতীয় দল - এখানে এলেই 'ততকাল' পদ মেলে না -

লোকসভার আগে শক্তিবৃদ্ধি – শাসকদলে যোগ দিলেন হেভিওয়েট প্রাক্তন বাম বিধায়ক

সমস্ত জল্পনা কল্পনার আবাসন ঘটিয়ে আজ হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে শাসকদলে যোগ দিলেন মালদা জেলার মালতীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের আরএসপি দলের প্রাক্তন বিধায়ক রহিম বক্সী। তাঁর শাসকদলে যোগদান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা কল্পনা চলছিল, বিশেষ সূত্রের খবর অনুযায়ী তাঁর দলবদল একপ্রকার পাকাই হয়ে

লোকসভা নির্বাচনের আগে আরও বড় দায়িত্ত্ব অনুব্রত মন্ডলের কাঁধে – জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে কোনো জনপ্রতিনিধি না হয়েও সব সময়েই যিনি খবরের শিরোনামে থাকেন তিনি আর কেউ নন, বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। কিছুদিন আগেও যিনি বিখ্যাত ছিলেন - পুলিশের উপর বোমা মারার নিদান দিয়ে, বা বিরোধীদের গুড়-বাতাসা বা ঢাকের চরাম চরাম বোলের জন্য। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে অবশ্য উনি বিশেষ

নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না হলে লোকসভা ভোটে ভোটকর্মী হিসাবে ভোট নিতে যাবেন না শিক্ষক শিক্ষাকর্মীরা

লোকসভা নির্বাচনে ভোটকর্মী হিসাবে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে গতকাল পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা শাসকের নিকট ডেপুটেশন দিল শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চ। ঐক্যমঞ্চের ১১ জনের এক প্রতিনিধিদল জেলাশাসকের এডিএম প্রতিমা দাসের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই দেখা হবে। স্পর্শকাতর বুথ গুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর পাশাপাশিই তিনি জানান,

তৃণমূলের ‘প্যাঁচে’ তৃণমূলেরই ‘ঘুম ওড়াতে’ দিল্লিতে বড়সড় পরিকল্পনায় মুকুল রায় – জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে ইদানিং দুটি কথা খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। এক - রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন আর দুই, বাংলায় গণতন্ত্র নেই! বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল প্রথম 'রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়ানোর' তত্ত্ব বলেন। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয় নি সেই সময়! অনুব্রতবাবু নিজের ব্যাখ্যায় জানিয়েছিলেন -

বিধানসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজস্থানে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে জয়ের সরণীতে বিজেপি

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনে গো-বলয়ে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে গেরুয়া শিবির। হাতে থাকা তিন রাজ্য মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড় গেছে কংগ্রেসের দখলে। আর এর পরেই কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধীদের দাবি - বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদির 'আচ্ছে দিন' শেষ! তৃণমূল কংগ্রেস তো দাবিই করে বসে - ২০১৯, বিজেপি ফিনিশ! কিন্তু, এই হারে

গো-বলয়ে বিজেপি ধরাশায়ী হতেই বাংলায় গেরুয়া নেতা-কর্মীরা ঘাসফুলে পা বাড়াচ্ছেন – দাবি শাসকদলের

বিধানসভা নির্বাচনে গো-বলয়ে বিজেপির কোনঠাসা অবস্থার বড়সড় প্রভাব পড়েছে বাংলায় বলে দাবি শাসকদলের। সম্প্রতি, নদীয়ার বিজেপি সংগঠনের ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে - বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্ম চিহ্নে লড়াই করে বেশ কয়েকজন জয়ী প্রার্থী শাসকদলে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন জেলা নেতাও নাকি তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে

লোকসভার আগে নতুন করে আজ পাঞ্জাবের রায় জানতে মুখিয়ে সব রাজনৈতিক দল – কি হবে শেষ ফলাফল?

লোকসভা নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই - সূত্রের খবর, ফেব্রুয়ারী মাসের শুরুতেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বাজেট পেশ হয়ে গেলেই ভোটের দামামা বাজিয়ে দিতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ফলে, ভিতরে ভিতরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। প্রসঙ্গত, ২০১৪-এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নেমে গিয়েছিল ৪৪-এ। নতুন

Top
error: Content is protected !!