এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "জেলা পরিষদ"

বিস্ফোরক উত্তরবঙ্গের তৃনমূলের হেভিওয়েট নেতা, বিজেপি যোগের জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল এবার উত্তরবঙ্গে একটি আসনও নিজেদের দখলে রাখতে পারেনি। আটটার মধ্যে সাতটা আসনে বিজেপি এবং একটিতে কংগ্রেস জয়লাভ করেছে। আর উত্তরবঙ্গে দলের ভরাডুবিতে রীতিমত আতঙ্কিত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস, দলীয় সংগঠনকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে শুরু করেছে। তবে সংগঠনকে ঢেলে সাজালেও ভাঙ্গন কিছুতেই রোখা যাচ্ছে না তৃণমূলের। কিছুদিন

৪০ বিধায়ক যোগে মোদীর প্রার্থীপদ বাতিল হলে দল ভাঙানোয় মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত, দাবি বিজেপির

প্রিয় বন্ধু বাংলা এক্সক্লুসিভ - বাংলায় ক্রমশ জমে উঠছে ভোটযুদ্ধ - আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাকযুদ্ধ। চতুর্থ দফার নির্বাচন সবে শেষ হয়েছে, এখনো বাকি তিন দফার ভোটগ্রহণ। আর এই সময়ে এই বাকযুদ্ধ যে ক্রমশ আরও বাড়বে - তার ইঙ্গিত স্পষ্ট করছে যুযুধান দুই প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে উপেক্ষা করেই মাধ্যমিকের মাঝেই হেভিওয়েট মন্ত্রীর সভায় তারস্বরে মাইক! তীব্র সমালোচনা বিরোধীদের

নিয়মের তোয়াক্কা না করে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন ধুপগুড়িতে অডিটোরিয়ামের জমির শিলান্যাস অনুষ্ঠানে জোরে মাইক বাজানোর অভিযোগ উঠল ধুপগুড়ি পৌরসভার বিরুদ্ধে। ওদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। গতকাল দুপুর দুটো নাগাদ ধুপগুড়ি ২ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন পৌরসভার জমি তথা অডিটোরিয়ামের প্রস্তাবিত জমির আনুষ্ঠানিকভাবে শিলান্যাসের পাশাপাশি ভূমিপুজোও করেন।

মুর্শিদাবাদে অধীর-ম্যাজিক অব্যাহত, এবার তাঁর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন হেভিওয়েট বিধায়ক

মুর্শিদাবাদ জেলা ও অধীর রঞ্জন চৌধুরী যেন একে অপরের সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। নিজের 'গরীবের রবিনহুড' ভাবমূর্তি নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলাকে কার্যত 'কংগ্রেসের-গড়' করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর পরিকল্পনা করতেই যেন - তাঁকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ায় মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় শাসকদলের। মুর্শিদাবাদ

মুকুল রায়ের থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ মমতা ব্যানার্জির দিকে ছুঁড়ে দিলেন অধীর চৌধুরী

লোকসভা নির্বাচনের যত দিন এগিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে রাজ্য রাজনীতি। বাংলায় এক দিকে যখন ৪২ এ ৪২ করে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উস্কে দিচ্ছে - তখন গেরুয়া শিবির বাংলা থেকে অন্তত ২৩ টি আসন জিতে রাজ্যে তৃণমূলী শাসনের পতনের হুঙ্কার ছাড়ছে। আর এর মাঝেই যেন কোথাও গিয়ে

তৃণমূল ভাঙিয়ে কংগ্রেসের বড় শক্তি বৃদ্ধি করেই অধীর চৌধুরীর হুঙ্কার – তিনে তিন, তৃনমূলকে কবর দিন!

মুর্শিদাবাদ জেলা ও অধীর রঞ্জন চৌধুরী যেন একে অপরের সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। নিজের 'গরীবের রবিনহুড' ভাবমূর্তি নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলাকে কার্যত 'কংগ্রেসের-গড়' করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর পরিকল্পনা করতেই যেন - তাঁকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ায় মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় শাসকদলের। মুর্শিদাবাদ

শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে আরও এক হেভিওয়েট প্রাক্তন বাম বিধায়ক শাসকদলের পথে

নতুন বছরের শুরুতেই মজবুত হতে চলছে মালদহের তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন। বহুদিনের জল্পনাকে সত্যি করে প্রাক্তন বাম বিধায়ক রহিম বক্সি আগামীকাল তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। ১৯'এর ব্রিগেড সমাবেশকে নজরে রেখেই জেলাস্তরের দলীয় কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে দুদিনের সফরে আজ মালদহে আসতে চলেছেন জেলা তৃণমূল পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ, পুরাতন মালদহে

বিধানসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজস্থানে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে জয়ের সরণীতে বিজেপি

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনে গো-বলয়ে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে গেরুয়া শিবির। হাতে থাকা তিন রাজ্য মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড় গেছে কংগ্রেসের দখলে। আর এর পরেই কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধীদের দাবি - বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদির 'আচ্ছে দিন' শেষ! তৃণমূল কংগ্রেস তো দাবিই করে বসে - ২০১৯, বিজেপি ফিনিশ! কিন্তু, এই হারে

গো-বলয়ে বিজেপি ধরাশায়ী হতেই বাংলায় গেরুয়া নেতা-কর্মীরা ঘাসফুলে পা বাড়াচ্ছেন – দাবি শাসকদলের

বিধানসভা নির্বাচনে গো-বলয়ে বিজেপির কোনঠাসা অবস্থার বড়সড় প্রভাব পড়েছে বাংলায় বলে দাবি শাসকদলের। সম্প্রতি, নদীয়ার বিজেপি সংগঠনের ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে - বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্ম চিহ্নে লড়াই করে বেশ কয়েকজন জয়ী প্রার্থী শাসকদলে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন জেলা নেতাও নাকি তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে

মুখ্যমন্ত্রী প্রাণের চেয়েও প্রিয় কন্যাশ্রীদের জন্য এবার প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি দেবে জিন্দাল গোষ্ঠী – জানুন বিস্তারিত

তৃনমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরই রাজ্যের মেয়েদের স্বনির্ভর করতে তৈরি করা হয়েছে কন্যাশ্রী প্রকল্প। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তৈরি এই কন্যাশ্রী প্রকল্প আজ শুধু বাংলা নয়, গোটা বিশ্বে সমাদৃত বলে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের। আর এবারে মুখ্যমন্ত্রীর সেই স্বপ্নের কন্যাশ্রীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে এল জিন্দাল গোষ্ঠী। সূত্রের খবর, পশ্চিম

Top
error: Content is protected !!