এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "কোচবিহার"

ধর্মঘট সমর্থনকারী ব্যাঙ্ককর্মীদের “CPI(M)-র চামচা” বলে কটাক্ষ তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীর, জোর বিতর্ক রাজ্য জুড়ে

সমর্থনকারী ব্যাঙ্ককর্মীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। বনধের দিন সকালে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সামনে গিয়ে দেখেন ব্যাঙ্ক বন্ধ। এবং ব্যাঙ্কের সামনে কয়েক গ্রাহক ব্যাঙ্কে খোলার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। এই দৃশ্য দেখে মেজাজ বিগড়ে যায় মন্ত্রীর। প্রকাশ্যেই বনধ সমর্থনকারীদ ব্যাঙ্ক কর্মীদের 'CPI(M)-র চামচা' বলে কটাক্ষ

দলনেত্রীর নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে দলীয় সংসদ ‘কাক’ হলেন হেভিওয়েট মন্ত্রীর কটাক্ষে!

গোষ্ঠী কোন্দল কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না শাসকদলের। এদিকে বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট - রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু বহুদিন আগেই সাফ নির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন গোষ্ঠী কোন্দল রোখার। এমনকি রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে অভিযুক্তদের ক্ষমতার পরোয়া না করেই দল থেকে ছাঁটাই করতে তিনি দুবার ভাববেন না। লোকসভা ভোটের

তৃণমূলের আক্রমণ থেকে দলকে বাঁচাতে ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে গেরুয়া শিবিরের লাঠিধারী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে গিয়ে প্রায়শই রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলে থাকেন, "আঘাত করতে আসলে প্রত্যাঘাত হবে"। আর এবারে দিলীপবাবুর সেই কথা মতই কোচবিহারের গ্রামেগঞ্জে চোখে পড়তে শুরু করেছে বিজেপির লাঠিধারী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার কোচবিহারের ঝিনাইডাঙ্গায় মঞ্চ রক্ষা ও জমি পাহারার কাজ পালনের মূল

সরকারের ঘুম উড়িয়ে পৃথক রাজ্যের দাবিতে জানুয়ারি থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের জন্য এক ছাতার তলায় আসছে বহু সংগঠন

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের পৃথক রাজ্যের দাবিতে একজোট হতে চলেছে গ্রেটারের ২ গোষ্ঠী। আর সেই ঘটনায় এখন প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ছে গোটা কোচবিহার জেলাজুড়ে। সূত্রের খবর, গত কাল গ্রেটারের দুই গোষ্ঠী সহ বিভিন্ন সমমনোভাবাপন্ন সংগঠন একজোট হয়ে আগামী জানুয়ারি মাস থেকে ফের কোচবিহার জেলা

আদালতের রায়ে এখনই হচ্ছে না রথযাত্রা – তাই রথ বাঁচাতে আপাতত বাংলার বাইরে পাঠিয়ে ও থামিয়ে দেওয়া হল রথকে

স্বপ্ন ছিল, আশাও ছিল প্রচুর। কিন্তু আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে এই বাংলায় গেরুয়া ঝড় তুলতে উদ্যোগী বিজেপির রথযাত্রা কর্মসূচি অবশেষে একপ্রকার ভেস্তেই গেল কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বিজেপির এই রথযাত্রা নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বকে একটি আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আলোচনা চললেও বাংলায় এই রথযাত্রার সম্ভাবনা

ঝিনাইডাঙ্গা নিয়ে মুকুল-কৈলাশদের বিরুদ্ধে এফআইআর, সঙ্গে গোবর-গঙ্গাজলের ব্যবস্থা – তৃণমূলের ‘অভিনব’ পদক্ষেপ

বিজেপির রথযাত্রার পরের দিন রাজ্যের সূচিতা ফিরিয়ে আনতে পবিত্র যাত্রা করার পরিকল্পনার কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলো তৃণমূল। সুযোগ বুঝে সেই পবিত্রযাত্রার ক্ষুদ্র সংস্করণ আগেই দেখিয়ে দিল এদিন শাসকদল। রথযাত্রায় আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তাই ৭ ডিসেম্বর পূর্ব পরিকল্পিত রথযাত্রার সূচনা করতে পারল না বিজেপি। তার পরিবর্তে কোচবিহারে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে জনসভায়

নামেই ঝুলছে সিসিটিভি – রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কাজ করে না পরিবহন সংস্থার বাসে, যাত্রী সুরক্ষায় মিলবে না সমাধান

নামেই ঝুলছে সিসিটিভি - রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কাজ করে না পরিবহন সংস্থার বাসে, যাত্রী সুরক্ষায় মিলবে না সমাধান। এবার উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের বাস গুলিতে চালু করা অত্যাধুনিক ক্যামেরাও অকেজো হওয়ার ঘটনায় খবরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। বেসরকারি এক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, জেএনএনআরইউএম প্রকল্পে এই অত্যাধুনিক বাসগুলির সামনের দিকে চালকের মাথার উপর

ভাঙচুর আটকাতে “রথ” থাকবে গোপনেই, দলীয় কর্মীদের ভাবাবেগ সামাল দিতে দিলীপ ঘোষের “ধন্যবাদ” দাওয়াই

স্বপ্ন ছিল অনেক। কিন্তু অবশেষে সেই স্বপ্নকে ভঙ্গুর করে না রথ দেখা না কলা বেচা - কিছুই হল না বাংলায় গেরুয়া নেতাদের। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের পর থেকেই বিজেপির কেন্দ্রও রাজ্য নেতাদের মনে প্রবলভাবে এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছিল যে, আদৌ কি বাংলায় তাদের প্রস্তাবিত রথের চাকা ঘুরবে? আর এই

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরও প্রায় চার মাস হতে চললেও এখনো গড়া যায়নি বেশ কিছু পঞ্চায়েত ও সমিতির বোর্ড – ক্রমশ কড়া হচ্ছে প্রশাসন

এই রাজ্যে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন নিয়ে যেন কিছুতেই টালবাহানা কমছে না। গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশের শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে এই রাজ্যের সব পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করা যাবে বলে নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্যের বেশ কিছু পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতিতে সেই বোর্ড গঠনের কাজ সম্পন্ন হয়নি। ফলে প্রবলভাবে বাধা পাচ্ছে উন্নয়ন।

Top
error: Content is protected !!