এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "কৈলাশ বিজয়বর্গীয়"

বিগ ব্রেকিং নিউজ – বাংলা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হচ্ছেন কোন পাঁচ জন? দেখে নিন একনজরে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঠিক হয়ে গেল বাংলা থেকে নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে চলেছেন কারা। বাংলা থেকে এবার বিজেপির পক্ষে রেকর্ড সংখ্যক ১৮ জন সাংসদ দিল্লিতে গেছেন, ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই অন্তত ৪ জন মন্ত্রীসভায় ঠাঁই পাবেন বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু, বাংলার মত বড়

গুরু মুকুল ভাঙছেন মাদার, প্রিয় শিষ্য শঙ্কুদেব দায়িত্ব নিয়েছেন ছাত্র-যুবর

বাংলার রাজ্য-রাজনীতি এখন এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে - তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে এসে সুচতুর রাজনৈতিক পরিকল্পনায় মুকুল রায় বাংলা থেকে গেরুয়া শিবিরকে দলীয়স্তরে রেকর্ড সংখ্যক ১৮ টি আসন এনে দিয়েছেন। আর তারপরেই কার্যত অস্তিত্বের সঙ্কটে পরে গেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ শিবিরের। মুকুল রায়ের

বিজেপির জয় নিশ্চিত, বহু আসনে তৃণমূল তৃতীয়! সুনীল দেওধরের গোপন রিপোর্টে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে

এবারের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে পুনরায় ক্ষমতার ফেরার পাশাপাশি বাংলায় দুর্দান্ত ফলাফল করার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের বহু দিন আগে থেকেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দাবি করে আসছিলেন, বাংলা থেকে এবারে নাকি গেরুয়া শিবির কমপক্ষে ২২-২৩ টি আসন জিততে চলেছে। কিন্তু, বাংলায় বিজেপির সংগঠন এখনও সেভাবে পোক্ত হয়

লোকসভার লড়াই: বনগাঁ লোকসভা ও অন্তর্গত বিধানসভার সর্বশেষ জনমত সমীক্ষার ফলাফল

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বাংলার ৪২ টি লোকসভা আসনের সাম্ভাব্য ফলাফল কি হতে পারে – প্রতিটা বিধানসভা ধরে ধরে আমরা আপনাদের সামনে তুলে আনার চেষ্টা করছি। এর আগে আমরা পর্যায়ক্রমে ৩ টি সমীক্ষা আপনাদের সামনে তুলে ধরি – লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এটি আমাদের চতুর্থ স্যাম্পল সার্ভে। এরপর প্রার্থী তালিকা

কাট-আউটে গোবর ল্যাপা থেকে পোস্টার ছেঁড়া – অমিত শাহের সভার আগে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ

আজ থেকে বাংলায় 'পরিবর্তনের পরিবর্তন' করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপের পথে গেরুয়া শিবির। আর তারই প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহকে দিয়ে মালদায় জনসভা করাতে চলেছে বঙ্গ-বিজেপি। এমনিতেই অমিত শাহের শারীরিক অসুস্থতার কারণে - তাঁর এই জনসভা একাধিকবার পিছোতে হয়েছে। তার উপরে অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনিক অসহযোগিতার। কখনও জনসভার জন্য জমি বা

১৯শে ব্রিগেডে’র চমক – দেশের ১৪/১৫ জন ভাবী প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আসছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়!!

রাত পোহালেই ১৯ শে জানুয়ারী কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহাসমাবেশ করতে চলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সমাবেশে রেকর্ড জমায়েতের পাশাপাশি - কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে হঠাতে মরিয়া একঝাঁক আঞ্চলিক ও জাতীয় দলের শীর্ষনেতারাও হাজির থাকতে চলেছেন। তৃণমূল শিবিরের দাবি, এই সমাবেশ থেকেই 'প্ৰথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী' হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে

কে কোথায় টিকিট পাবেন বড় কথা নয়, একমাত্র লক্ষ্য তৃণমূল কংগ্রেসকে আড়াআড়ি ভাঙা – স্পষ্ট করলেন বিজেপি নেতা

বিজেপির কেন্দ্রীয় অধিবেশন উপলক্ষে বাংলা বিজেপির সমগ্র রাজ্য নেতৃত্ব তো বটেই, এমনকি জেলা নেতৃত্বও আপাতত দিল্লিতে। কিন্তু, তার মাঝেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিট প্রাপ্তি নিয়ে। এ বারে নজিরবিহীনভাবে লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপির টিকিট পাওয়া নিয়ে চাহিদা তুঙ্গে। রাজ্যের প্রতিটি লোকসভা আসনের জন্য গড়ে

শীর্ষ নেতৃত্ব চাইলে এক মুহূর্তেই রাজ্য সরকার বদলে দিতে পারেন বলে বড়সড় দাবি কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে - গো-বলয়ের তিন রাজ্য থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের কাছে ছত্তিশগড়ের ফলাফল হতাশাজনক হলেও, গো-বলয়ের বাকি দুই রাজ্য মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে কংগ্রেসের সঙ্গে সমানে সমানে টক্কর দিয়েছে বিজেপি। কিন্তু, কড়া টক্কর দিলেও গেরুয়া শিবিরকে বসতে হয়েছে বিরোধী আসনেই। রাজস্থানে অশোক গেহলতের পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবরকে মান্যতা দিয়ে মৌসুমী চ্যাটার্জি ও সৌমিত্র খাঁ বিজেপিতে – এরপর কারা?

একদা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত দুনম্বর নেতা তথা অধুনা বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হাত ধরে দু-দুজন হেভিওয়েট গত কয়েকদিনের মধ্যে বিজেপিতে যোগদান করলেন। প্রথমে যোগদান করলেন অভিনেত্রী মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় ও আজকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান

তৃণমূলের ‘প্যাঁচে’ তৃণমূলেরই ‘ঘুম ওড়াতে’ দিল্লিতে বড়সড় পরিকল্পনায় মুকুল রায় – জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে ইদানিং দুটি কথা খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। এক - রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন আর দুই, বাংলায় গণতন্ত্র নেই! বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল প্রথম 'রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়ানোর' তত্ত্ব বলেন। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয় নি সেই সময়! অনুব্রতবাবু নিজের ব্যাখ্যায় জানিয়েছিলেন -

Top
error: Content is protected !!