এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "অনুব্রত মন্ডল"

লোকসভার লড়াই: বীরভূম লোকসভা ও অন্তর্গত বিধানসভার সর্বশেষ জনমত সমীক্ষার ফলাফল

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বাংলার ৪২ টি লোকসভা আসনের সাম্ভাব্য ফলাফল কি হতে পারে – প্রতিটা বিধানসভা ধরে ধরে আমরা আপনাদের সামনে তুলে আনার চেষ্টা করছি। এর আগে আমরা পর্যায়ক্রমে ৩ টি সমীক্ষা আপনাদের সামনে তুলে ধরি – লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এটি আমাদের চতুর্থ স্যাম্পল সার্ভে। এরপর প্রার্থী তালিকা

লোকসভার লড়াই: বোলপুর লোকসভা ও অন্তর্গত বিধানসভার সর্বশেষ জনমত সমীক্ষার ফলাফল

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বাংলার ৪২ টি লোকসভা আসনের সাম্ভাব্য ফলাফল কি হতে পারে – প্রতিটা বিধানসভা ধরে ধরে আমরা আপনাদের সামনে তুলে আনার চেষ্টা করছি। এর আগে আমরা পর্যায়ক্রমে ৩ টি সমীক্ষা আপনাদের সামনে তুলে ধরি – লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এটি আমাদের চতুর্থ স্যাম্পল সার্ভে। এরপর প্রার্থী তালিকা

দল থেকে বহিস্কৃত হয়ে প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী ও ‘কাকুকে’ বার্তা দিলেন অনুপম হাজরা – ঝড় রাজ্য-রাজনীতিতে

তৃণমূল কংগ্রেসের বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ রীতিমত বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে দল ছাড়ার পরেই তৃণমূল কংগ্রেস মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দেন যে সেদিন সকালেই নাকি সৌমিত্রবাবুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। দলীয় সাংসদকে দল থেকে বহিস্কার করা হল - অথচ তা নিয়ে কোনো প্রেস-মিট বা প্রেস-বিজ্ঞপ্তি হল না! এই নিয়ে যখন

সৌমিত্র খাঁয়ের বিজেপিতে যোগদানের রেশ মেলাতে না মেলাতেই দল থেকে বহিস্কৃত আরেক তৃণমূল সাংসদ!

আজ দুপুরের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল যে খবর তা হল - রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ সৌমিত্র খাঁ দল ছেড়ে মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন। গতকাল রাতেই নিজের ফেসবুক লাইভে তিনি বিষ্ণুপুরের এসডিপিও সুকমল দাসের বিরুদ্ধে তাঁকে হত্যার চক্রান্ত ও তাঁর

দিলীপ ঘোষের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের সম্ভবনা নিয়ে মুখ খুললেন হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেস নেতা

রাজ্য রাজনীতি আপাতত তুলকালাম প্রবল প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রধানমন্ত্রীর আসনে দেখার বাসনা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক। গত ৫ ই জানুয়ারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে দিলীপবাবু একেবারে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্শিতেই বসিয়ে দেন! দিলীপবাবু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলার যদি কারও প্রধানমন্ত্রী

লোকসভা নির্বাচনের আগে আরও বড় দায়িত্ত্ব অনুব্রত মন্ডলের কাঁধে – জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে কোনো জনপ্রতিনিধি না হয়েও সব সময়েই যিনি খবরের শিরোনামে থাকেন তিনি আর কেউ নন, বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। কিছুদিন আগেও যিনি বিখ্যাত ছিলেন - পুলিশের উপর বোমা মারার নিদান দিয়ে, বা বিরোধীদের গুড়-বাতাসা বা ঢাকের চরাম চরাম বোলের জন্য। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে অবশ্য উনি বিশেষ

তৃণমূলের ‘প্যাঁচে’ তৃণমূলেরই ‘ঘুম ওড়াতে’ দিল্লিতে বড়সড় পরিকল্পনায় মুকুল রায় – জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে ইদানিং দুটি কথা খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। এক - রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন আর দুই, বাংলায় গণতন্ত্র নেই! বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল প্রথম 'রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়ানোর' তত্ত্ব বলেন। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয় নি সেই সময়! অনুব্রতবাবু নিজের ব্যাখ্যায় জানিয়েছিলেন -

আটকাতে পারল না অনুব্রত মন্ডলের ‘উন্নয়ন মন্ত্র’, বিজেপির ‘ঘরের ছেলে ঘরে’ – জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে এই মুহূর্তে খবরের শিরোনামে থাকা অন্যতম জেলার নাম বীরভূম - আর তার সৌজন্যে তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। পঞ্চায়েত নির্বাচনে 'রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড় করিয়ে' বা 'মশারির ব্যবস্থা' করে গোটা জেলাকেই কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে রেখেছিলেন তিনি। তবে, হাতে গোনা যে কয়েকটা জায়গায় নির্বাচন হয়েছিল - সেখানে

অনুব্রত-গড়ে দাঁড়িয়েই দিদির ভাই কেষ্টকে ‘তীব্র আক্রমণ’ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের

শনিবার গনতন্ত্র বাঁচাও অনুষ্ঠানে রামপুরহাটের রেল ময়দানে হাজির ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। উল্লেখ্য, এদিনই দুপুরে তারাপীঠ থেকে গণতন্ত্র যাত্রা শুরু করার কথা ছিল বিজেপির। কিন্তু, শুক্রবার দুপুরে হাইকোর্টেরর রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার পর গেরুয়া শিবিরের তরফে সেই কর্মসূচি আর নেওয়া হয় নি। স্বাভাবিকভাবেই, গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা নিয়ে যে

পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ হেভিওয়েট তৃণমূল কাউন্সিলরের, তীব্র অস্বস্তি অনুব্রত-গড়ে

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বিজেপির উত্থান যত না মাথাব্যথার কারণ হবে তার থেকে অনেক বেশি গুন অস্বস্তি বাড়াবে দলীয় গোষ্ঠীকোন্দল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এই নিয়ে দলের শীর্ষনেতারা তো বটেই - স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বহুবার প্রকাশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু, সেই গোষ্ঠীকোন্দল কমার তো

Top
error: Content is protected !!