এখন পড়ছেন
হোম > Posts tagged "অধীর রঞ্জন চৌধুরী"

লোকসভার লড়াই: বহরমপুর লোকসভা ও অন্তর্গত বিধানসভার সর্বশেষ জনমত সমীক্ষার ফলাফল

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বাংলার ৪২ টি লোকসভা আসনের সাম্ভাব্য ফলাফল কি হতে পারে – প্রতিটা বিধানসভা ধরে ধরে আমরা আপনাদের সামনে তুলে আনার চেষ্টা করছি। এর আগে আমরা পর্যায়ক্রমে ৩ টি সমীক্ষা আপনাদের সামনে তুলে ধরি – লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এটি আমাদের চতুর্থ স্যাম্পল সার্ভে। এরপর প্রার্থী তালিকা

মুর্শিদাবাদে অধীর-ম্যাজিক অব্যাহত, এবার তাঁর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন হেভিওয়েট বিধায়ক

মুর্শিদাবাদ জেলা ও অধীর রঞ্জন চৌধুরী যেন একে অপরের সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। নিজের 'গরীবের রবিনহুড' ভাবমূর্তি নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলাকে কার্যত 'কংগ্রেসের-গড়' করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর পরিকল্পনা করতেই যেন - তাঁকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ায় মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় শাসকদলের। মুর্শিদাবাদ

তৃণমূল ভাঙিয়ে কংগ্রেসের বড় শক্তি বৃদ্ধি করেই অধীর চৌধুরীর হুঙ্কার – তিনে তিন, তৃনমূলকে কবর দিন!

মুর্শিদাবাদ জেলা ও অধীর রঞ্জন চৌধুরী যেন একে অপরের সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। নিজের 'গরীবের রবিনহুড' ভাবমূর্তি নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলাকে কার্যত 'কংগ্রেসের-গড়' করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর পরিকল্পনা করতেই যেন - তাঁকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ায় মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় শাসকদলের। মুর্শিদাবাদ

সোমেন মিত্রের নেতৃত্ত্বে ঘুরছে কি চাকা? এবার তৃণমূল ছেড়ে কয়েকশো কর্মী ফিরে গেলেন কংগ্রেসে

অধীর রঞ্জন চৌধুরীর জায়গায় সোমেন মিত্রকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ত্ব দেওয়ার পরেই - সোমেনবাবু ঘোষণা করেছিলেন, কংগ্রেস ছেড়ে যাঁরা অন্যদলে গেছেন, তাঁরা সেখানে ভালো নেই বলে খবর পেয়েছি। পুরোনো কংগ্রেসীদের ঘরে ফেরানো হবে এবং অন্যান্য দলে যাঁরা সম্ভবনাময় তাঁদেরও কংগ্রেসে শামিল করার চেষ্টা হবে। কথা রাখছেন সোমেনবাবু - যেখানে কংগ্রেস ছেড়ে

বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উস্কে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি বিজেপি-কংগ্রেস-সিপিএম এক হয়ে গেছে

তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে যতই বলুন - তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন না - তাঁর অনুগত সৈনিকরা কিন্তু সেই স্বপ্নে বিভোর। একইসঙ্গে সেই 'বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর' স্বপ্ন তাঁরা বঙ্গবাসীকেও দেখতে শুরু করে দিয়েছেন। গতকাল, ভরতপুর ২ নম্বর ব্লকের সালার বাসস্ট্যান্ডে ব্রিগেড কর্মসূচির প্রস্তুতিসভায় আরও একবার তা স্পষ্ট করে দিলেন

রাজ্যসভাতে আটকাতেই হবে “তিন তালাক বিল”, বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করে হুইপ জারি তৃণমূলের

কেন্দ্রের পক্ষ থেকে মুসলিম মহিলাদের সুবিচারের জন্য "তিন তালাক বিল" আনা হলেও প্রথম থেকেই এর প্রবল বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তীব্র বিরোধিতা করেও লোকসভায় সেই বিলকে আটকাতে পারেনি তারা। লোকসভায় এই বিলের সংশোধনীর ব্যাপারে কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী, কেরলের এম কে প্রেমচন্দনরা সরব হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে তা পাস করাতে সক্ষম

আগাম হুঁশিয়ারি দেওয়া সত্ত্বেও বিরোধী দল থেকে শাসকদলে এলেন না কেউ, কি বলছেন শুভেন্দু অধিকারী নিজে?

একের পর এক কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত জেলাগুলির সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়ে সেখানে ঘাসফুলের পতাকা ওড়াতে সক্ষম হয়েছেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানে একদমই ব্যতিক্রম নয় একদা কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর গড় বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদ জেলাও। এই জেলায় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিরোধী নেতা থেকে বিধায়কদের শাসকদলে যোগদান করিয়েছেন তিনি। আর

মুর্শিদাবাদে তৃণমূলকে ‘কেক ওয়াক’ নয়, তিন আসন নিয়ে বড়সড় দাবি কংগ্রেসের ‘রবিনহুডের’, নাহলে রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস?

এককালে কংগ্রেস গড় বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদ জেলায় এখন ধীরে ধীরে ফুটতে শুরু করেছে ঘাসফুল শিবিরের দাপট। জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভেঙে পড়েছে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর গড় বলে দাবি শাসকদলের। কিন্তু নিজের গড় হাতছাড়া হয়েছে একথা এখনো মানতে রাজি নন রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি

পিবি এক্সক্লুসিভ: এই মুহূর্তে লোকসভা ও বিধানসভা ভোট হলে কি হবে বহরমপুরের চিত্র?

এগিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন - আর তার সাথেই বাড়ছে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ। একদিকে যখন তৃণমূল নেত্রীর ৪২-এ-৪২ করার ডাক, অন্যদিকে তখন গেরুয়া শিবিরের রাজ্য থেকে ২২ টি আসন জয়ের দাবি। পিছিয়ে নেই বামফ্রন্ট বা কংগ্রেসও, ২০১৬ বিধানসভার মত আবারো জোট করে তৃণমূল-বিজেপির সব অঙ্ক তারা গুলিয়ে দেবে? প্রশ্ন অনেক -

প্রথম সম্মুখ সমরেই প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতির কাছে গোহারা হারলেন সোমেন মিত্র – জানুন বিস্তারিত

প্রদেশ সভাপতি পদ খোয়ালেও এবার ফের রাজ্য যুব কংগ্রেসের সভাপতি পদে জয় হল সেই প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর গোষ্ঠী বলে পরিচিত শাদাব খানের। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে সেখানে বসানো হয় সোমেন মিত্রকে। আর এরপর থেকেই বর্তমান বনাম প্রাক্তন

Top
error: Content is protected !!