এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > খোদ শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না গিয়ে জল্পনা বাড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক

খোদ শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না গিয়ে জল্পনা বাড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক

প্রথমে তিনি তৃনমূলের থাকলেও পরে পৃথক দল গড়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে কিছুদিন আগে ফের তৃনমূলে যোগ দেন তিনি। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, তিনি আব্দুল করিম চৌধুরী। কিন্তু তিনি তৃণমূলে আবার নতুন করে যোগ দিলেও তার সাথে কি শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দূরত্ব এখনও অব্যাহত রয়েছে!

রাজনৈতিক মহলে এমন জল্পনা তীব্রতর হয়ে উঠছে তার কারণ, উত্তর দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক তথা রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কর্মী সম্মেলনে যাচ্ছেন না ইসলামপুরের তৃনমূল বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী। সূত্রের খবর, আগামী 11 সেপ্টেম্বর গোয়ালপোখর ব্লকের পাঞ্জিপাড়ায় একটি কর্মিসভা করবেন শুভেন্দুবাবু। আর লোকসভা নির্বাচনের পর তাঁর এই সভা রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি করছে বিশেষজ্ঞরা।

জানা গেছে, শুভেন্দু অধিকারীর এই সভায় জেলার সমস্ত ব্লক থেকে দলীয় নেতা-কর্মী এবং বিধায়করা উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু করিম সাহেব উপস্থিত না থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই দলীয় পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রীর এই সভা উপলক্ষে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে
তৃণমূল কংগ্রেসের পাঞ্জিপাড়া অঞল সভাপতি ফিরোজ খান বলেন, “গত বৃহস্পতিবার আমরা এবিষয়ে মিটিং করেছি। সিদ্ধান্ত হয়েছে পাঞ্জিপাড়া পুলিস ফাঁড়ি লাগোয়া নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির জায়গায় ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় সম্মেলন হবে।” কিন্তু তিনি কেন দলের গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত থাকছেন না!

এদিন এই প্রসঙ্গে ইসলামপুরের বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী বলেন, “জেলার সভা হলেও আমি পাঞ্জিপাড়ায় শুভেন্দুর সভায় যাচ্ছি না। ইসলামপুর আমার এলাকা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে বলেছেন করিমদা আপনি ইসলামপুর নিয়ে থাকুন, ইসলামপুরটা আপনার। আমি ওই সভায় যাবই না।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃনমূলের সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, “কর্মী সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন। জেলার সমস্ত ব্লক থেকেই নেতা-কর্মী বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। কেউ না এলে কী করব। যতজনকে আমন্ত্রণ জানানো হবে, সকলেই কী উপস্থিত থাকতে পারবেন?”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ইসলামপুরে তৃণমূলের কমিটি তৈরি করা নিয়ে করিম চৌধুরী এবং কানাইয়ালালের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে করিম চৌধুরী বলেন, “শুভেন্দুবাবু গ্রুপ পলিটিক্স করেন।” পাশাপাশি তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। সেদিনই শুভেন্দু বিরোধী সুর শোনা গিয়েছিল করিম সাহেবের গলায়। এবার তাঁর সভায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরাসরি শুভেন্দুবাবুর বিরোধিতার ঘটনাটিকেই প্রকাশ্যে এসেছে।

এনিয়ে দলের অন্দরেও সমালোচনা শুরু হয়েছে। ফলে করিম চৌধুরী যদি শুভেন্দু অধিকারীর এই সভায় অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে তার অনুগামীরাও যে এই সভায় উপস্থিত থাকবেন না, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত প্রায় সকলেই। সেক্ষেত্রে উত্তর দিনাজপুর জেলায় তৃণমূলকে সংঘবদ্ধ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথ চলতে চাইলেও, যেভাবে জেলা পর্যবেক্ষক বনাম করিম চৌধুরীর লড়াই শুরু হয়েছে, তাতে সেই জেলায় আদৌ সংঘবদ্ধভাবে তৃণমূল পথ চলতে পারবে কিনা! তা নিয়ে বড়মাপের প্রশ্ন তৈরি হয়ে গেল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!