এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > এবার বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে মাঠে নামলেন শুভেন্দু, কর্মীদের দিলেন বড়সড় বার্তা

এবার বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে মাঠে নামলেন শুভেন্দু, কর্মীদের দিলেন বড়সড় বার্তা

Priyo Bandhu Media


লোকসভা নির্বাচনে এবার তৃনমূলের ভরাডুবি হয়েছে। দিকে দিকে বিজেপি তাদের শক্তিবৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। আর এই পরিস্থিতিতে দলকে ঘুরে দাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তৃনমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। সামনেই তৃণমূলের একুশে জুলাই। আর সেই 21 শে জুলাই এবার ইভিএমের কারচুপির অভিযোগে ইভিএম নয়’ ব্যালট চাই স্লোগানকে সামনে রেখে ফের রাজপথে নেমেছে ঘাসফুল শিবির। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় এই ব্যাপারে প্রচার পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে।

সূত্রের খবর, এবার সেই একই দাবিতে ও সারা রাজ্য জুড়ে বিজেপির লাগামছাড়া সন্ত্রাসের প্রতিবাদে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উত্তর কাঁথি বিধানসভার অস্তিচক হাইস্কুল মাঠে রবিবার দুপুরে মিছিল করে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আর এই সমাবেশে উপস্থিত হয়েই একদিকে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা হওয়ার বার্তা, আর অন্যদিকে বিজেপির উদ্দেশ্যে কড়া হুশিয়ারি দিতে দেখা যায় শুভেন্দু বাবুকে। তিনি বলেন, “বর্তমানে এলাকায় নতুন পরিবেশ, নতুন চক্রান্ত, নতুন হার্মাদ হানা শুরু হয়েছে। কিন্তু মেদিনীপুরের মাটি দুর্জয় ঘাঁটি। এখানকার সাধারণ মানুষ সিপিএমের সন্ত্রাসের সাক্ষী রয়েছেন। আর এখন সিপিএমের নেতারাই বিজেপির নাম নিয়ে এলাকা দখল করার পরিকল্পনা করছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

একসময় যারা লাল জামা পরতেন, তারাই এখন গেরুয়া জামা পড়ে অত্যাচার করছেন। মাথায় রাখবেন, নেতারা কেউ ঘর ছাড়া হয় না। সাধারন মানুষ, গরিব খেটে-খাওয়া মানুষেরা বিপদে পড়ে। তাই বিজেপির এই ঘর ছাড়া করার রাজনীতি আমাদের বন্ধ করতেই হবে। খুব শীঘ্রই সভা করে আমরা এদের জবাব দেব।”

অন্যদিকে এদিন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বাজেট নিয়েও গেরুয়া শিবিরের উদ্দেশ্যে আক্রমণাত্মক হতে দেখা যায় তৃণমূলের এই হেভিওয়েট মন্ত্রীকে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “তৃণমূল কখনও মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেনি। কিন্তু কেন্দ্রের বাজেটে বাংলা কোনো রেল প্রকল্প এবার পায়নি। পেট্রোপণ্য সহ বিভিন্ন রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। তাই গণ আন্দোলনের মাধ্যমেই বিজেপি নামক শক্তিটাকে আমাদের রুখে দিতে হবে।” তবে এদিনের সভায় বিজেপির এই শক্তি বৃদ্ধি হওয়ার পেছনে বামেদেরকেই সব থেকে বেশি দায়ী করেন তৃণমূলের শুভেন্দু অধিকারী।

আর এর পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা শুভেন্দুবাবুকে খোঁচা দিতে ছাড়িনি বিজেপি। এদিন এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুর জেলা বিজেপির নেতা আনিসুর রহমান বলেন, “শুভেন্দু বাবু তো প্রথমে সিপিএমের হার্মাদ তৃণমূলে নিয়েছেন। তৃণমূলে গেলে শুদ্ধ আর বিজেপিতে গেলে হার্মাদ, এ কেমন ঘটনা! তাহলে তৃণমূল নেতা মজাফফর ও গোপাল মাইতির বিরুদ্ধে যে কাটমানির পোস্টার পড়েছে, তার উত্তর কি শুভেন্দুবাবু দেবেন! আসলে এগুলো পাগলের প্রলাপ করে কিছু লাভ নেই। লোকসভা ভোটের পরাজয় তৃনমূলের স্বীকার করে নেওয়া উচিত।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এবার বাংলায় তৃণমূল বনাম বিজেপির মূল লড়াই হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে বামেরা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়লেও বামেদের সিংহভাগ ভোট বিজেপিতে যাওয়াতেই এবার অনেক জায়গাতে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে তৃণমূলকে। যার জেরে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছে ঘাসফুল শিবির। আর তাই এদিন সেই কথা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী বাম বিজেপি সমঝোতার অভিযোগ করলে পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীকে খোঁচা দিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল তুলে দিলেন বিজেপি নেতা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!