এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ১৬ তারিখ আবার মুর্শিদাবাদে পা পড়ছে শুভেন্দু অধিকারীর – বাম-কংগ্রেস ছেড়ে কারা আসছেন তৃণমূলে? জল্পনা চরমে

১৬ তারিখ আবার মুর্শিদাবাদে পা পড়ছে শুভেন্দু অধিকারীর – বাম-কংগ্রেস ছেড়ে কারা আসছেন তৃণমূলে? জল্পনা চরমে

চলতি মাসের ১৬ তারিখ মুর্শিদাবাদের রানিনগরে সভা করার কথা রয়েছে পরিবহনমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারীর। এই জনসভায় বিরোধীমহল থেকে কোন কোন হেভিওয়েট নেতা তৃণমূলে যোগ দেবেন তা নিয়েই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনৈতিকমহলে।

কারণ গত রবিবারই নবগ্রামের রসুলপুরে শুভেন্দু বাবুর জনসভায় তৃণমূলে নাম লিখিয়েছিলেন র দুবারের স্থানীয় বিধায়ক কানাই মন্ডল। এর জেরে জেলা তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে হয় ১১। এই সভা থেকেই শুভেন্দুবার বিরোধী সংঘটনে ফাটল ধরানোর হুমকি দিয়েছিলেন। এই প্রেক্ষিতে রানিনগরের জনসভার মঞ্চে বেশ কিছু বিরোধীমহলের নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিকমহলের একাংশ।

নবগ্রামের জনসভা থেকেই দলীয় কর্মী সমর্থকদের বিরোধী শূন্য রাজ্য গড়াসিপিএমের কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন শুভেন্দু বাবু। এবং এটাও জানিয়েছিলেন,কংগ্রেস,সিপিএম ও বিজেপির বেশ কিছু নেতা দলে আসার জন্যে তাঁর সঙ্গে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করেছেন। তবে কাদের দলে যায়গা দেবেন সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন পর্যবেক্ষক এবং রাজ্যনেতৃত্বরা। রানিনগরের জনসভায় রেকর্ড পরিমান ভিড় হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে,এমনটাই খবর দলীয় সূত্রের।

পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে,গত বিধানসভা নির্বাচনে সামশেরগঞ্জ, জঙ্গিপুর, সাগরদিঘি ও হরিহরপাড়া এই চারটি বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল দখলে আসে। এরপর মুর্শিদাবাদ, কান্দি, নওদা, খড়গ্রাম, রেজিনগর, রঘুনাথগঞ্জ ও নবগ্রাম এই সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের হেভিওয়েট কংগ্রেস ও সিপিএম বিধায়করা তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই জেলায় শাসকদলের শক্তিবৃদ্ধি হয়। আর জেলার বাকি ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ভগবানগোলা, ডোমকল ও জলঙ্গি এই তিনটি সিপিএমের এবং ফরাক্কা, লালগোলা, রানিনগর, বড়ঞা, ভরতপুর, বেলডাঙা, বহরমপুর এই সাতটি কংগ্রেসের দখলে রয়েছে।

এই প্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধীদের ঘর ভাঙার হুমকি চিন্তার কারণ হয়েছে বিজেপি-কংগ্রেস-সিপিএমের নীচুতলার কর্মী-সমর্থকদের। তিনি যেভাবে বিরোধীদের সংগঠনে থাবা বসিয়েছেন তাতে প্রতিপক্ষদের ঘর ভাঙতে সফল হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিরোধী রাজনৈতিকমহল। কংগ্রেস ও সিপিএমের নীচু তলার কর্মী সমর্থকদের মতে, সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস বিধায়করাই এই দলে টানার কাজে মদত দিচ্ছেন। ফরওয়ার্ড ব্লক এবং আরএসপির কয়েকজন নেতাও তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও খবর রয়েছে। কাজেই রানিনগরের সভায় তৃণমূলে কারা কারা যোগ দেবেন তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিকমহলে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিকে,রাজ্যের সার্বিক গনতন্ত্র রক্ষা দাবী তুলে আজ রানিনগর-২ব্লকের শেখপাড়া বাজারে প্রতিবাদ সভা করে কংগ্রেস। সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর চৌধুরী, বিধায়ক ফিরজা বেগম, বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী, প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়ন্ত দাস প্রমুখরা। সভায় ১০ হাজার লোক জমায়েত করার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানা যায় ব্লক কংগ্রেস সভাপতি রিয়াজুদ্দিন সরকারের তরফ থেকে। অন্যদিকে,তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনা নিয়ে ফিরোজা বেগমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শাসকদল অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি তৃণমূলে যোগ দেবেন,এমন খবর প্রায় বিগত আট বছরে পাঁচবার সংবাদপত্রে বেরিয়েছে । সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে দিলেন,তিনি কংগ্রেসের সঙ্গেই রয়েছেন। এ ব্যাপারে সময় কথা বলবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!